১০:৫২ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬

বাগমারায় দোকানে তেল মজুদ করে বেশি দামে বিক্রি, ভ্রাম্যমান আদালতে জরিমানা

শামীম রেজা
  • আপডেট সময়ঃ ০৩:৫৮:৫৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ ২০২৬
  • / ৩১ বার পড়া হয়েছে।

বাগমারা প্রতিনিধি:

রাজশাহীর বাগমারায় বেশি দামে বিক্রির জন্য গুদামে জারকিন ও ব্যারেলের ভেতরে পেট্রেল ও ডিজেল মজুদ করছিলেন এক মুদি দোকানি আবদুস সাত্তার (৪৫)। গোপনে ২৫০-৩০০ টাকা লিটার দরে বিক্রিও করছিলেন। তবে শেষ রক্ষা হয়নি। পুলিশে হাতে ধরা খেয়েছেন তিনি। অবৈধভাবে মজুদ করা ৬৬০ লিটার জ্বালানি তেল আজ মঙ্গলবার জব্দ করা হয়। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে খোলা বাজারে সরকার নির্ধারিত মূল্যে জব্দ করা জ্বালানি তেল বিক্রি করে দেওয়া হয়। অবৈধ মজুদের কারণে ৫০ হাজার টাকার অর্থ দণ্ড দেওয়া হয়। নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) সাইফুল ইসলাম ভূঞা এই আদালত পরিচালনা করেন।

দণ্ড পাওয়া ব্যবসায়ী আবদুস সাত্তার ঝিকড়ার নামকান গ্রামের মৃত কেফাতুল্লার ছেলে। তিনি দীর্ঘদিন ভবানীগঞ্জ এলাকায় ব্যবসা করে আসছেন।

বাগমারা থানার পুলিশ সূত্রে জানা যায়, উপজেলার ভবানীগঞ্জ পৌরসভার দানগাছি ময়েজ উদ্দিন মার্কেটের মুদি দোকানি দোকানের ভেতরে জারকিন ও ব্যারেলের মধ্যে জ্বালানি তেল মজুূূদ করে রেখেছেন। সুযোগ মতো ২৫০-৩০০ টাকা লিটার দরে বিক্রি করেছিলেন। বাগমারা থানা পুলিশের কাছে এমন সংবাদ আসে। খবর পেয়ে মঙ্গলবার ভোরে পুলিশ সেখানে অভিযান চালায়। অভিযানকালে দোকানের ভেতরে গোপন স্থানে রাখা জারকিন ও ব্যারেল দেখতে পায়। পুলিশের দলটি সেগুলো খুলে জ্বালানি তেল আবিষ্কার করে। পরে মুদি দোকানি আবদুস সাত্তারকে আটক ও সেখানে থাকা ব্যারেল ও জারকিন জব্দ করা হয়। এর মধ্যে ৬৬০ লিটার অকটেন পাওয়া যায়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তিনি জানান, অধিক দামে বিক্রির জন্য পেট্রল ও ডিজেল মজুদ করেছিলেন। তিনি বেশি দামে সেগুলো সংগ্রহ করেছিলেন। পরে বেলা ১১ টায় জব্দ করা পেট্রোল, ডিজেলসহ আবদুস সাত্তারকে তাঁর দোকানে আনা হয়। সেখানে হাজির হন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) সাইফুল ইসলাম ভূঞা। সেখানে ভ্রাম্যমাণ আদালত বসানো হলে ব্যবসায়ী আব্দুস সাত্তার নিজের অপরাধ স্বীকার করেন। বিভিন্ন নওগাঁর রাণীনগর উপজেলা থেকে এগুলো সংগ্রহ করে বিক্রির জন্য মজুদ করেছিলেন বলে জানান। তিনি আগ থেকে জ্বালানি তেল বিক্রি করেন বলে আদালতকে জানান। পরে জব্দ করা জ্বালানি তেল খোলা বাজারে বিক্রি এবং কিছু অংশ একটি পেট্রল পাম্পে দেওয়া হয় বিক্রির জন্য। অবৈধ ভাবে মজুদ করার দায়ে ৫০ হাজার টাকার অর্থ দণ্ড দেওয়া হয়।

ট্যাগসঃ

নিউজটি শেয়ার করুন

বিস্তারিত লিখুনঃ

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষণ করুন

আপলোডকারীর তথ্য

বাগমারায় দোকানে তেল মজুদ করে বেশি দামে বিক্রি, ভ্রাম্যমান আদালতে জরিমানা

আপডেট সময়ঃ ০৩:৫৮:৫৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ ২০২৬

বাগমারা প্রতিনিধি:

রাজশাহীর বাগমারায় বেশি দামে বিক্রির জন্য গুদামে জারকিন ও ব্যারেলের ভেতরে পেট্রেল ও ডিজেল মজুদ করছিলেন এক মুদি দোকানি আবদুস সাত্তার (৪৫)। গোপনে ২৫০-৩০০ টাকা লিটার দরে বিক্রিও করছিলেন। তবে শেষ রক্ষা হয়নি। পুলিশে হাতে ধরা খেয়েছেন তিনি। অবৈধভাবে মজুদ করা ৬৬০ লিটার জ্বালানি তেল আজ মঙ্গলবার জব্দ করা হয়। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে খোলা বাজারে সরকার নির্ধারিত মূল্যে জব্দ করা জ্বালানি তেল বিক্রি করে দেওয়া হয়। অবৈধ মজুদের কারণে ৫০ হাজার টাকার অর্থ দণ্ড দেওয়া হয়। নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) সাইফুল ইসলাম ভূঞা এই আদালত পরিচালনা করেন।

দণ্ড পাওয়া ব্যবসায়ী আবদুস সাত্তার ঝিকড়ার নামকান গ্রামের মৃত কেফাতুল্লার ছেলে। তিনি দীর্ঘদিন ভবানীগঞ্জ এলাকায় ব্যবসা করে আসছেন।

বাগমারা থানার পুলিশ সূত্রে জানা যায়, উপজেলার ভবানীগঞ্জ পৌরসভার দানগাছি ময়েজ উদ্দিন মার্কেটের মুদি দোকানি দোকানের ভেতরে জারকিন ও ব্যারেলের মধ্যে জ্বালানি তেল মজুূূদ করে রেখেছেন। সুযোগ মতো ২৫০-৩০০ টাকা লিটার দরে বিক্রি করেছিলেন। বাগমারা থানা পুলিশের কাছে এমন সংবাদ আসে। খবর পেয়ে মঙ্গলবার ভোরে পুলিশ সেখানে অভিযান চালায়। অভিযানকালে দোকানের ভেতরে গোপন স্থানে রাখা জারকিন ও ব্যারেল দেখতে পায়। পুলিশের দলটি সেগুলো খুলে জ্বালানি তেল আবিষ্কার করে। পরে মুদি দোকানি আবদুস সাত্তারকে আটক ও সেখানে থাকা ব্যারেল ও জারকিন জব্দ করা হয়। এর মধ্যে ৬৬০ লিটার অকটেন পাওয়া যায়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তিনি জানান, অধিক দামে বিক্রির জন্য পেট্রল ও ডিজেল মজুদ করেছিলেন। তিনি বেশি দামে সেগুলো সংগ্রহ করেছিলেন। পরে বেলা ১১ টায় জব্দ করা পেট্রোল, ডিজেলসহ আবদুস সাত্তারকে তাঁর দোকানে আনা হয়। সেখানে হাজির হন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) সাইফুল ইসলাম ভূঞা। সেখানে ভ্রাম্যমাণ আদালত বসানো হলে ব্যবসায়ী আব্দুস সাত্তার নিজের অপরাধ স্বীকার করেন। বিভিন্ন নওগাঁর রাণীনগর উপজেলা থেকে এগুলো সংগ্রহ করে বিক্রির জন্য মজুদ করেছিলেন বলে জানান। তিনি আগ থেকে জ্বালানি তেল বিক্রি করেন বলে আদালতকে জানান। পরে জব্দ করা জ্বালানি তেল খোলা বাজারে বিক্রি এবং কিছু অংশ একটি পেট্রল পাম্পে দেওয়া হয় বিক্রির জন্য। অবৈধ ভাবে মজুদ করার দায়ে ৫০ হাজার টাকার অর্থ দণ্ড দেওয়া হয়।