০৩:৩২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬

মোকামিয়ার একমাত্র পুকুর রক্ষায় মাঠে ইউএনও সাদ্দাম হোসেন, পরিচ্ছন্নতায় অর্থ বরাদ্দ 

সোহেল রানা
  • আপডেট সময়ঃ ০৩:৩১:০০ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬
  • / ১ বার পড়া হয়েছে।

সোহেল রানা  ( বরগুনা ):-

বরগুনার বেতাগী উপজেলার মোকামিয়া ইউনিয়নের মাদ্রাসা বাজার সংলগ্ন একমাত্র পুকুরটি পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন ও সংরক্ষণের লক্ষ্যে সরেজমিনে পরিদর্শন করেছেন বেতাগী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মুহ. সাদ্দাম হোসেন।

পরিদর্শনকালে তিনি পুকুরটির বর্তমান অবস্থা পর্যবেক্ষণ করেন এবং উপস্থিত এলাকাবাসী ও স্থানীয় ব্যবসায়ীদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। এ সময় তিনি বলেন, “এই পুকুরটি এলাকার গুরুত্বপূর্ণ জলাশয়। এটি পরিষ্কার ও পরিচ্ছন্ন রাখার দায়িত্ব শুধু প্রশাসনের নয়, এলাকাবাসী ও স্থানীয় দোকানদারদেরও। সবাই সচেতন হলে পুকুরটি দীর্ঘদিন সংরক্ষণ করা সম্ভব হবে।”
পুকুরটির পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম দ্রুত বাস্তবায়নের জন্য ইউএনও মুহ. সাদ্দাম হোসেন পরিচ্ছন্নতা কর্মীদের অনুকূলে ১৫ হাজার টাকা বরাদ্দের ঘোষণা দেন।

স্থানীয়রা উপজেলা প্রশাসনের এ উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, দীর্ঘদিন ধরে পুকুরটির যথাযথ পরিচর্যার প্রয়োজন ছিল। প্রশাসনের এই পদক্ষেপ এলাকায় পরিচ্ছন্নতা ও পরিবেশ সংরক্ষণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে তারা আশা প্রকাশ করেন।

উপজেলা প্রশাসনের এ উদ্যোগে এলাকাবাসীর অংশগ্রহণ নিশ্চিত হলে পুকুরটি পরিচ্ছন্ন ও ব্যবহার উপযোগী রাখা সম্ভব হবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।

ট্যাগসঃ

নিউজটি শেয়ার করুন

বিস্তারিত লিখুনঃ

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষণ করুন

আপলোডকারীর তথ্য

মোকামিয়ার একমাত্র পুকুর রক্ষায় মাঠে ইউএনও সাদ্দাম হোসেন, পরিচ্ছন্নতায় অর্থ বরাদ্দ 

আপডেট সময়ঃ ০৩:৩১:০০ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬

সোহেল রানা  ( বরগুনা ):-

বরগুনার বেতাগী উপজেলার মোকামিয়া ইউনিয়নের মাদ্রাসা বাজার সংলগ্ন একমাত্র পুকুরটি পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন ও সংরক্ষণের লক্ষ্যে সরেজমিনে পরিদর্শন করেছেন বেতাগী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মুহ. সাদ্দাম হোসেন।

পরিদর্শনকালে তিনি পুকুরটির বর্তমান অবস্থা পর্যবেক্ষণ করেন এবং উপস্থিত এলাকাবাসী ও স্থানীয় ব্যবসায়ীদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। এ সময় তিনি বলেন, “এই পুকুরটি এলাকার গুরুত্বপূর্ণ জলাশয়। এটি পরিষ্কার ও পরিচ্ছন্ন রাখার দায়িত্ব শুধু প্রশাসনের নয়, এলাকাবাসী ও স্থানীয় দোকানদারদেরও। সবাই সচেতন হলে পুকুরটি দীর্ঘদিন সংরক্ষণ করা সম্ভব হবে।”
পুকুরটির পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম দ্রুত বাস্তবায়নের জন্য ইউএনও মুহ. সাদ্দাম হোসেন পরিচ্ছন্নতা কর্মীদের অনুকূলে ১৫ হাজার টাকা বরাদ্দের ঘোষণা দেন।

স্থানীয়রা উপজেলা প্রশাসনের এ উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, দীর্ঘদিন ধরে পুকুরটির যথাযথ পরিচর্যার প্রয়োজন ছিল। প্রশাসনের এই পদক্ষেপ এলাকায় পরিচ্ছন্নতা ও পরিবেশ সংরক্ষণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে তারা আশা প্রকাশ করেন।

উপজেলা প্রশাসনের এ উদ্যোগে এলাকাবাসীর অংশগ্রহণ নিশ্চিত হলে পুকুরটি পরিচ্ছন্ন ও ব্যবহার উপযোগী রাখা সম্ভব হবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।