০৫:৫৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ০২ মে ২০২৬

বাগমারায় বিএনপি’র দুর্দিনের কান্ডারী, তৃণমূলে আস্থা অধ্যাপক কামাল হোসেন

বাগমারা প্রতিনিধি:
  • আপডেট সময়ঃ ০৬:৪৯:২০ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৫
  • / ৬৪২ বার পড়া হয়েছে।

বাগমারা প্রতিনিধি:

প্রতিকূল পরিস্থিতিতেও দলীয় আদর্শে অবিচল থেকে তৃণমূল নেতাকর্মীদের আস্থার প্রতীক হয়ে উঠেছেন বাগমারা উপজেলা বিএনপি’র সদস্য সচিব অধ্যাপক কামাল হোসেন। দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে কারাভোগ ও সরকারি জুলুম-নির্যাতন সয়েও তিনি দল ত্যাগ করেননি। আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি যে তৃণমূলের প্রধান ভরসা, তা এখন বাগমারার সর্বমহলে আলোচিত হচ্ছে।

নির্যাতন সয়েও আদর্শে অবিচলঃ জানা যায়, অধ্যাপক কামাল হোসেনকে আওয়ামী লীগ সরকারের সময় বিএনপি’র রাজনীতি করার কারণে কারাভোগ করতে হয়েছে। সরকারের কথিত ‘জুলুম ও নির্যাতন’ তাঁর ওপর নেমে এলেও তিনি তাঁর রাজনৈতিক আদর্শ থেকে এক চুলও সরেননি। দলের প্রতি তাঁর এই নিঃস্বার্থ ত্যাগ ও অবিচলতা তাঁকে বাগমারার নেতাকর্মীদের কাছে এক বিশেষ মর্যাদার আসনে অধিষ্ঠিত করেছে।
​স্থানীয় এক প্রবীণ নেতা মন্তব্য করেছেন, “কামাল হোসেন হচ্ছেন বাগমারার বিএনপি’র দুর্দিনের কান্ডারী। এত অত্যাচার সহ্য করেও তিনি মাটি কামড়ে পড়ে আছেন। তাঁর মতো নেতা দলে থাকা মানে তৃণমূলের অক্সিজেন পাওয়া। জনকল্যাণ এবং সাংগঠনিক শক্তিঃ বর্তমানে অধ্যাপক কামাল হোসেন জনকল্যাণমূলক কাজের মাধ্যমে বাগমারার সাধারণ মানুষের সাথে নিবিড় সম্পর্ক গড়ে তুলেছেন। উপজেলার ১৬টি ইউনিয়ন এবং দুটি পৌরসভায় তাঁর সাংগঠনিক তৎপরতা চোখে পড়ার মতো। তাঁর নেতৃত্বে বাগমারা উপজেলা বিএনপি সাংগঠনিকভাবে বেশ শক্তিশালী অবস্থানে রয়েছে বলে মনে করছেন স্থানীয় রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা।

​তিনি কেবল জনকল্যাণেই নিজেকে সীমাবদ্ধ রাখেননি, সরকারের বিরুদ্ধে বিভিন্ন গণতান্ত্রিক আন্দোলনেও তিনি সামনের সারিতে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছেন। সম্প্রতি বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের রাষ্ট্র কাঠামো মেরামতের ৩১ দফার লিফলেট ভোটারদের দ্বারে দ্বারে পৌঁছে দিতেও তিনি দিনরাত পরিশ্রম করেছেন।
​আসন্ন নির্বাচনে তৃণমূলের ভরসাঃ স্থানীয় নেতাকর্মীরা মনে করেন, অধ্যাপক কামাল হোসেনের এই ত্যাগ, জনসম্পৃক্ততা এবং সাংগঠনিক দক্ষতা তাঁকে আসন্ন নির্বাচনে একজন শক্তিশালী প্রার্থী হিসেবে প্রতিষ্ঠা করেছে। তৃণমূল নেতাকর্মীরা দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করে, বাগমারার মানুষের প্রত্যাশা পূরণে অধ্যাপক কামাল হোসেনের বিকল্প নেই।

​উপজেলা ছাত্রদলের একজন নেতা উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে বলেন, “অধ্যাপক কামাল হোসেনকে আমরা পরীক্ষিত নেতা হিসেবেই চিনি। তিনি আমাদের আস্থা ও ভরসা। আমরা চাই দল তাঁকে আসন্ন নির্বাচনে মনোনয়ন দিক, কারণ তিনি আমাদের বিজয়ের প্রতীক।”

​বাগমারা উপজেলা বিএনপি’র নেতাকর্মীরা এখন অধীর আগ্রহে কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্তের দিকে তাকিয়ে আছেন। তাদের আশা, তৃণমূলের এই আস্থাশীল নেতাকে মনোনয়ন দিয়ে দল তাদের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা পূরণ করবে।

ট্যাগসঃ

নিউজটি শেয়ার করুন

বিস্তারিত লিখুনঃ

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষণ করুন

আপলোডকারীর তথ্য

বাগমারায় বিএনপি’র দুর্দিনের কান্ডারী, তৃণমূলে আস্থা অধ্যাপক কামাল হোসেন

আপডেট সময়ঃ ০৬:৪৯:২০ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৫

বাগমারা প্রতিনিধি:

প্রতিকূল পরিস্থিতিতেও দলীয় আদর্শে অবিচল থেকে তৃণমূল নেতাকর্মীদের আস্থার প্রতীক হয়ে উঠেছেন বাগমারা উপজেলা বিএনপি’র সদস্য সচিব অধ্যাপক কামাল হোসেন। দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে কারাভোগ ও সরকারি জুলুম-নির্যাতন সয়েও তিনি দল ত্যাগ করেননি। আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি যে তৃণমূলের প্রধান ভরসা, তা এখন বাগমারার সর্বমহলে আলোচিত হচ্ছে।

নির্যাতন সয়েও আদর্শে অবিচলঃ জানা যায়, অধ্যাপক কামাল হোসেনকে আওয়ামী লীগ সরকারের সময় বিএনপি’র রাজনীতি করার কারণে কারাভোগ করতে হয়েছে। সরকারের কথিত ‘জুলুম ও নির্যাতন’ তাঁর ওপর নেমে এলেও তিনি তাঁর রাজনৈতিক আদর্শ থেকে এক চুলও সরেননি। দলের প্রতি তাঁর এই নিঃস্বার্থ ত্যাগ ও অবিচলতা তাঁকে বাগমারার নেতাকর্মীদের কাছে এক বিশেষ মর্যাদার আসনে অধিষ্ঠিত করেছে।
​স্থানীয় এক প্রবীণ নেতা মন্তব্য করেছেন, “কামাল হোসেন হচ্ছেন বাগমারার বিএনপি’র দুর্দিনের কান্ডারী। এত অত্যাচার সহ্য করেও তিনি মাটি কামড়ে পড়ে আছেন। তাঁর মতো নেতা দলে থাকা মানে তৃণমূলের অক্সিজেন পাওয়া। জনকল্যাণ এবং সাংগঠনিক শক্তিঃ বর্তমানে অধ্যাপক কামাল হোসেন জনকল্যাণমূলক কাজের মাধ্যমে বাগমারার সাধারণ মানুষের সাথে নিবিড় সম্পর্ক গড়ে তুলেছেন। উপজেলার ১৬টি ইউনিয়ন এবং দুটি পৌরসভায় তাঁর সাংগঠনিক তৎপরতা চোখে পড়ার মতো। তাঁর নেতৃত্বে বাগমারা উপজেলা বিএনপি সাংগঠনিকভাবে বেশ শক্তিশালী অবস্থানে রয়েছে বলে মনে করছেন স্থানীয় রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা।

​তিনি কেবল জনকল্যাণেই নিজেকে সীমাবদ্ধ রাখেননি, সরকারের বিরুদ্ধে বিভিন্ন গণতান্ত্রিক আন্দোলনেও তিনি সামনের সারিতে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছেন। সম্প্রতি বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের রাষ্ট্র কাঠামো মেরামতের ৩১ দফার লিফলেট ভোটারদের দ্বারে দ্বারে পৌঁছে দিতেও তিনি দিনরাত পরিশ্রম করেছেন।
​আসন্ন নির্বাচনে তৃণমূলের ভরসাঃ স্থানীয় নেতাকর্মীরা মনে করেন, অধ্যাপক কামাল হোসেনের এই ত্যাগ, জনসম্পৃক্ততা এবং সাংগঠনিক দক্ষতা তাঁকে আসন্ন নির্বাচনে একজন শক্তিশালী প্রার্থী হিসেবে প্রতিষ্ঠা করেছে। তৃণমূল নেতাকর্মীরা দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করে, বাগমারার মানুষের প্রত্যাশা পূরণে অধ্যাপক কামাল হোসেনের বিকল্প নেই।

​উপজেলা ছাত্রদলের একজন নেতা উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে বলেন, “অধ্যাপক কামাল হোসেনকে আমরা পরীক্ষিত নেতা হিসেবেই চিনি। তিনি আমাদের আস্থা ও ভরসা। আমরা চাই দল তাঁকে আসন্ন নির্বাচনে মনোনয়ন দিক, কারণ তিনি আমাদের বিজয়ের প্রতীক।”

​বাগমারা উপজেলা বিএনপি’র নেতাকর্মীরা এখন অধীর আগ্রহে কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্তের দিকে তাকিয়ে আছেন। তাদের আশা, তৃণমূলের এই আস্থাশীল নেতাকে মনোনয়ন দিয়ে দল তাদের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা পূরণ করবে।