০৩:২২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ ডিসেম্বর ২০২৫

দুর্গাপুর পৌর প্রশাসক কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বকেয়া বেতন ভাতার ৪০লক্ষাধিক টাকা পরিশোধ করে দৃষ্টান্ত স্থাপন করলেন

এমআর মানিকঃ
  • আপডেট সময়ঃ ০৭:৩৫:১৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ অক্টোবর ২০২৫
  • / ৮৪ বার পড়া হয়েছে।

এমআর মানিকঃ

রাজশাহী জেলার দুর্গাপুর পৌরসভার দীর্ঘ সময়ের নজির ভেঙে পৌর কর্মকর্তা-কর্মচারীদের প্রায় ৪০ লক্ষাধিক বকেয়া বেতন পরিশোধ করলেন দুর্গাপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও পৌর প্রশাসক সাবরিনা শারমিন।

বকেয়া বেতনভাতা, গ্রাচুইটি ও ভবিষ্যৎ ভাতা পেয়ে মহাখুশি ও আনন্দিত পৌরসভা কর্মকর্তা কর্মচারীরা।

২৯ সেপ্টেম্বর সোমবার দুর্গাপুর পৌরসভা কার্যালয়ে ১৭ জন স্থায়ী কর্মকর্তা কর্মচারী বকেয়া বেতন, গ্রাচুইটি ও ভবিষ্যৎ ভাতা বাবদ বাবদ ৩২ লক্ষ ২৬ হাজার ২৫২ টাকা ও পৌরসভার সাবেক সহকারি প্রকৌশলী আবুল কাশেম খানকে ১২ বছরের গ্রাচুইটি ও ভবিষ্যৎ ভাতা বাবদ
৫ লক্ষ ৫৮ হাজার ৬২০ টাকা সর্বমোট
৩৭ লক্ষ ৮৪হাজার ৮৭২ টাকা পরিশোধ করেন।

পৌর নির্বাহী কর্মকর্তা (অঃদাঃ) শাহাবুল হক বলেন ইউএনও সাবরিনা শারমিন স্যার প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে ২ বারে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন পরিশোধ করলেন তিনি। এখন থেকে কর্মকর্তা কর্মচারীদের সকল বেতন পরিশোধ থাকলো সবাই বকেয়া বেতন পেয়ে অনেক পেয়ে খুশি হয়েছেন।

বর্তমান সরকারের মেয়াদে পৌরসভার দায়িত্বপ্রাপ্ত সাবরিনা শারমিন এর কারণেই এই পরিবর্তন হয়েছে। যা গত ১৫ বছরে কেউ করতে পারেন নাই বলেও জানান কর্মকর্তা কর্মচারীরা।

এক দিকে যেমন পৌর ভবনের অভ্যন্তরীন সাজ সজ্জাসহ সহ কর্মকর্তা-কর্মচারীদের দীর্ঘ সময়ের বকেয়া বেতন পরিশোধ করা হয়েছে। যার ফলে সবার মাঝেই নতুন করে কাজ করার মানষিকতা তৈরি হয়েছে।
বর্তমান প্রশাসনের সুন্দর পদক্ষেপের ফলে বিগত সময়ে পৌরসভা থেকে কর্মকর্তা- কর্মচারীদের প্রাপ্য ভাতা প্রতি মাসে নির্দিষ্ট হারে প্রদান করা হচ্ছে।

বিগত সরকারের আমলে প্রশাসনের খামখেয়ালী আচরণের কারণে পৌরসভার কর্মকর্তা কর্মচারীরা মাসিক বেতন থেকে বঞ্চিত হয়েছেন । তারা ঠিকমত কাজে মনোযোগ দিচ্ছিলনা বলেও জানান একজন কর্মকর্তা।

দুর্গাপুর পৌর নির্বাহী কর্মকর্তা (অতিঃ দায়িত্ব) শাহাবুল হক জানান, বিগত সময়ে আমরা নিদারুন কষ্টে ছিলাম। বকেয়া বেতন পেয়ে খুব খুশি। বর্তমান প্রশাসক মহোদয় আমাদের বকেয়া বেতন গ্রাচুইটি ভবিষ্যৎ ভাতা পরিশোধ করে দৃষ্টান্ত স্থাপন করলেন।

সেই সাথে পৌর প্রশাসক মহোদয়ের একান্ত আন্তরিকতায় দুর্গাপুর পৌর এলাকায় কোভিড-১৯ ও এডিপি’র অর্থায়নে রাস্তাঘাট, ড্রেনেজ ব্যবস্থার উন্নয়ন সহ বিভিন্ন ডাস্টবিনের ময়লা আবর্জনা পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

এ বিষয়ে যোগাযোগ করা হলে দুর্গাপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও পৌর প্রশাসক সাবরিনা শারমিন বলেন, আমি চেষ্টা করেছি সবার মাঝে কর্ম চাঞ্চল্যতা ফিরিয়ে আনার জন্য, যেন তারা সউদ্যমে কাজ করতে পারে নাগরিক সেবায় নিজেকে সম্পূর্ণ নিয়োজিত করতে পারে। কারণ কর্মকর্তা কর্মচারীদের মাঝে কর্ম চাঞ্চল্যতা থাকলে সঠিক ও দ্রুত সেবা পাবে পৌরবাসী।

ট্যাগসঃ

নিউজটি শেয়ার করুন

বিস্তারিত লিখুনঃ

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষণ করুন

আপলোডকারীর তথ্য

দুর্গাপুর পৌর প্রশাসক কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বকেয়া বেতন ভাতার ৪০লক্ষাধিক টাকা পরিশোধ করে দৃষ্টান্ত স্থাপন করলেন

আপডেট সময়ঃ ০৭:৩৫:১৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ অক্টোবর ২০২৫

এমআর মানিকঃ

রাজশাহী জেলার দুর্গাপুর পৌরসভার দীর্ঘ সময়ের নজির ভেঙে পৌর কর্মকর্তা-কর্মচারীদের প্রায় ৪০ লক্ষাধিক বকেয়া বেতন পরিশোধ করলেন দুর্গাপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও পৌর প্রশাসক সাবরিনা শারমিন।

বকেয়া বেতনভাতা, গ্রাচুইটি ও ভবিষ্যৎ ভাতা পেয়ে মহাখুশি ও আনন্দিত পৌরসভা কর্মকর্তা কর্মচারীরা।

২৯ সেপ্টেম্বর সোমবার দুর্গাপুর পৌরসভা কার্যালয়ে ১৭ জন স্থায়ী কর্মকর্তা কর্মচারী বকেয়া বেতন, গ্রাচুইটি ও ভবিষ্যৎ ভাতা বাবদ বাবদ ৩২ লক্ষ ২৬ হাজার ২৫২ টাকা ও পৌরসভার সাবেক সহকারি প্রকৌশলী আবুল কাশেম খানকে ১২ বছরের গ্রাচুইটি ও ভবিষ্যৎ ভাতা বাবদ
৫ লক্ষ ৫৮ হাজার ৬২০ টাকা সর্বমোট
৩৭ লক্ষ ৮৪হাজার ৮৭২ টাকা পরিশোধ করেন।

পৌর নির্বাহী কর্মকর্তা (অঃদাঃ) শাহাবুল হক বলেন ইউএনও সাবরিনা শারমিন স্যার প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে ২ বারে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন পরিশোধ করলেন তিনি। এখন থেকে কর্মকর্তা কর্মচারীদের সকল বেতন পরিশোধ থাকলো সবাই বকেয়া বেতন পেয়ে অনেক পেয়ে খুশি হয়েছেন।

বর্তমান সরকারের মেয়াদে পৌরসভার দায়িত্বপ্রাপ্ত সাবরিনা শারমিন এর কারণেই এই পরিবর্তন হয়েছে। যা গত ১৫ বছরে কেউ করতে পারেন নাই বলেও জানান কর্মকর্তা কর্মচারীরা।

এক দিকে যেমন পৌর ভবনের অভ্যন্তরীন সাজ সজ্জাসহ সহ কর্মকর্তা-কর্মচারীদের দীর্ঘ সময়ের বকেয়া বেতন পরিশোধ করা হয়েছে। যার ফলে সবার মাঝেই নতুন করে কাজ করার মানষিকতা তৈরি হয়েছে।
বর্তমান প্রশাসনের সুন্দর পদক্ষেপের ফলে বিগত সময়ে পৌরসভা থেকে কর্মকর্তা- কর্মচারীদের প্রাপ্য ভাতা প্রতি মাসে নির্দিষ্ট হারে প্রদান করা হচ্ছে।

বিগত সরকারের আমলে প্রশাসনের খামখেয়ালী আচরণের কারণে পৌরসভার কর্মকর্তা কর্মচারীরা মাসিক বেতন থেকে বঞ্চিত হয়েছেন । তারা ঠিকমত কাজে মনোযোগ দিচ্ছিলনা বলেও জানান একজন কর্মকর্তা।

দুর্গাপুর পৌর নির্বাহী কর্মকর্তা (অতিঃ দায়িত্ব) শাহাবুল হক জানান, বিগত সময়ে আমরা নিদারুন কষ্টে ছিলাম। বকেয়া বেতন পেয়ে খুব খুশি। বর্তমান প্রশাসক মহোদয় আমাদের বকেয়া বেতন গ্রাচুইটি ভবিষ্যৎ ভাতা পরিশোধ করে দৃষ্টান্ত স্থাপন করলেন।

সেই সাথে পৌর প্রশাসক মহোদয়ের একান্ত আন্তরিকতায় দুর্গাপুর পৌর এলাকায় কোভিড-১৯ ও এডিপি’র অর্থায়নে রাস্তাঘাট, ড্রেনেজ ব্যবস্থার উন্নয়ন সহ বিভিন্ন ডাস্টবিনের ময়লা আবর্জনা পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

এ বিষয়ে যোগাযোগ করা হলে দুর্গাপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও পৌর প্রশাসক সাবরিনা শারমিন বলেন, আমি চেষ্টা করেছি সবার মাঝে কর্ম চাঞ্চল্যতা ফিরিয়ে আনার জন্য, যেন তারা সউদ্যমে কাজ করতে পারে নাগরিক সেবায় নিজেকে সম্পূর্ণ নিয়োজিত করতে পারে। কারণ কর্মকর্তা কর্মচারীদের মাঝে কর্ম চাঞ্চল্যতা থাকলে সঠিক ও দ্রুত সেবা পাবে পৌরবাসী।