০৯:৩৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬

দুর্গাপুরে মোবাইল কোর্টের অভিযানে ২২টি অবৈধ জাল জব্দ, পুড়িয়ে বিনষ্ট

ডিপিডি নিজস্ব প্রতিবেদক :
  • আপডেট সময়ঃ ০৯:৩৫:৫৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬
  • / ১ বার পড়া হয়েছে।

ডিপিডি নিজস্ব প্রতিবেদক :

রাজশাহীর দুর্গাপুর উপজেলার হোজা নদীতে অবৈধভাবে মাছ শিকারের বিরুদ্ধে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে ২২টি নিষিদ্ধ চায়না রিং জাল জব্দ ও বিনষ্ট করা হয়েছে। মঙ্গলবার (১৬ জুন) উপজেলার মাড়িয়া ইউনিয়নের চৌবাড়িয়া পশ্চিমপাড়া এলাকার হোজা নদীতে এ অভিযান পরিচালনা করেন এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার জনাব মাশতুরা আমিনা। অভিযানে উপজেলা মৎস্য অফিসার জনাব মোঃ বাবুল হোসেন উপস্থিত ছিলেন।

মোবাইল কোর্ট সূত্রে জানা যায়, মৎস্য সুরক্ষা ও সংরক্ষণ আইন, ১৯৫০-এর ৩(অ) ধারার আওতায় পরিচালিত অভিযানে নদীতে অবৈধভাবে স্থাপন করা ১৮টি রিং জাল (মোট প্রায় ১,০০০ মিটার) এবং ৪টি কারেন্ট জাল (মোট প্রায় ২০০ মিটার) উদ্ধার করা হয়। তবে অভিযান চলাকালে ঘটনাস্থলে সংশ্লিষ্ট কোনো ব্যক্তিকে পাওয়া না যাওয়ায় কাউকে আটক বা মামলা দায়ের করা সম্ভব হয়নি। পরে উদ্ধারকৃত সব জাল নদী থেকে অপসারণ করে ঘটনাস্থলেই পুড়িয়ে বিনষ্ট করা হয়।

অভিযানে কোনো মামলা, অর্থদণ্ড বা কারাদণ্ড প্রদান করা হয়নি। এ সময় দুর্গাপুর থানার পুলিশ বাহিনী মোবাইল কোর্ট পরিচালনায় সার্বিক সহযোগিতা প্রদান করে। উপজেলা প্রশাসন ও মৎস্য বিভাগ জানিয়েছে, নদী ও জলাশয়ে অবৈধ জাল ব্যবহার করে মাছ শিকার রোধে এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

ট্যাগসঃ

নিউজটি শেয়ার করুন

বিস্তারিত লিখুনঃ

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষণ করুন

আপলোডকারীর তথ্য

দুর্গাপুরে মোবাইল কোর্টের অভিযানে ২২টি অবৈধ জাল জব্দ, পুড়িয়ে বিনষ্ট

আপডেট সময়ঃ ০৯:৩৫:৫৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬

ডিপিডি নিজস্ব প্রতিবেদক :

রাজশাহীর দুর্গাপুর উপজেলার হোজা নদীতে অবৈধভাবে মাছ শিকারের বিরুদ্ধে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে ২২টি নিষিদ্ধ চায়না রিং জাল জব্দ ও বিনষ্ট করা হয়েছে। মঙ্গলবার (১৬ জুন) উপজেলার মাড়িয়া ইউনিয়নের চৌবাড়িয়া পশ্চিমপাড়া এলাকার হোজা নদীতে এ অভিযান পরিচালনা করেন এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার জনাব মাশতুরা আমিনা। অভিযানে উপজেলা মৎস্য অফিসার জনাব মোঃ বাবুল হোসেন উপস্থিত ছিলেন।

মোবাইল কোর্ট সূত্রে জানা যায়, মৎস্য সুরক্ষা ও সংরক্ষণ আইন, ১৯৫০-এর ৩(অ) ধারার আওতায় পরিচালিত অভিযানে নদীতে অবৈধভাবে স্থাপন করা ১৮টি রিং জাল (মোট প্রায় ১,০০০ মিটার) এবং ৪টি কারেন্ট জাল (মোট প্রায় ২০০ মিটার) উদ্ধার করা হয়। তবে অভিযান চলাকালে ঘটনাস্থলে সংশ্লিষ্ট কোনো ব্যক্তিকে পাওয়া না যাওয়ায় কাউকে আটক বা মামলা দায়ের করা সম্ভব হয়নি। পরে উদ্ধারকৃত সব জাল নদী থেকে অপসারণ করে ঘটনাস্থলেই পুড়িয়ে বিনষ্ট করা হয়।

অভিযানে কোনো মামলা, অর্থদণ্ড বা কারাদণ্ড প্রদান করা হয়নি। এ সময় দুর্গাপুর থানার পুলিশ বাহিনী মোবাইল কোর্ট পরিচালনায় সার্বিক সহযোগিতা প্রদান করে। উপজেলা প্রশাসন ও মৎস্য বিভাগ জানিয়েছে, নদী ও জলাশয়ে অবৈধ জাল ব্যবহার করে মাছ শিকার রোধে এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।