০২:২৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ ডিসেম্বর ২০২৫

বাগমারায় মা-বাবার মানসিক নির্যাতনে স্কুল ছাত্রীর আত্মহত্যা, ময়নাতদন্ত ছাড়াই দাফন

বাগমারা প্রতিনিধি
  • আপডেট সময়ঃ ০৫:৩৬:২২ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৫ নভেম্বর ২০২৫
  • / ৪০ বার পড়া হয়েছে।

বাগমারা প্রতিনিধি:

রাজশাহীর বাগমারায় সাদিয়া আক্তার সিমু (১৫) নামের ১০ম শ্রেনির এক ছাত্রী গলায় ফাঁস দিয়ে আত্নহত্যা করেছে। সাদিয়া আক্তার সিমু বাগমারা উপজেলার মাড়িয়া ইউনিয়নের বৈলসিংহ গ্রামের পিয়ার আলীর মেয়ে।

বাগমারা থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গেলেও ময়নাতদন্তের জন্য লাশ সেখান থেকে নেয়া হয়নি। কি কারনে ময়নাতদন্ত ছাড়াই দাফনের অনুমতি দেয়া হয়েছে সেটা জানা যায়নি।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে প্রায় ২ বছর আগে সাদিয়া আক্তার প্রেমের সম্পর্ক গড়ে পালিয়ে গিয়ে একই উপজেলার ঝিকরা ইউনিয়নের সেনোপাড়া গ্রামের জৈনকের ছেলে রায়হানকে বিয়ে করে।

বিয়ের কিছু দিন পরেই সাদিয়ার বাবা-মা তাকে মেনে নেয়ার কথা বলে বাড়িতে নিয়ে আসে। বাড়িতে আসার পর  সাদিয়াকে তার স্বামীর সাথে আর কোনো যোগাযোগ করতে দেয়নি। এক প্রর্যায়ে বিবাহ বিচ্ছেদ ঘটে তাদের, সেই থেকে বাবা-মার সাথে মান-অভিমান করে ঝড়গা বিবাদ লেগেই থাকতো তার।

সাদিয়ার মা জানান, শুক্রবার রাতে খাওয়া দাওয়া শেষে যার যার ঘরে সবাই ঘুমিয়ে যায়। ভোরে ঘুম থেকে উঠে সাদিয়ার ঘরের জানালা দিয়ে দেখতে পায় ফ্যানের সাথে গলায় ফাঁস দিয়ে ঝুলন্ত অবস্থায় রয়েছে। এসময় সাদিয়ার মা এর চিৎকারে প্রতিবেশিরা এগিয়ে আসলে তাদের সহযোগিতায় ঘরের দরজা ভেঙে ভিতরে প্রবেশ করে তার মৃত্যুর বিষয় নিশ্চিত হই।

এবিষয়ে ফোনে যোগাযোগ করা হলে বাগমারা থানার অফিসার ইনচার্জ তৌহিদুল ইসলাম সাড়াদেননি।

ট্যাগসঃ

নিউজটি শেয়ার করুন

বিস্তারিত লিখুনঃ

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষণ করুন

আপলোডকারীর তথ্য

বাগমারায় মা-বাবার মানসিক নির্যাতনে স্কুল ছাত্রীর আত্মহত্যা, ময়নাতদন্ত ছাড়াই দাফন

আপডেট সময়ঃ ০৫:৩৬:২২ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৫ নভেম্বর ২০২৫

বাগমারা প্রতিনিধি:

রাজশাহীর বাগমারায় সাদিয়া আক্তার সিমু (১৫) নামের ১০ম শ্রেনির এক ছাত্রী গলায় ফাঁস দিয়ে আত্নহত্যা করেছে। সাদিয়া আক্তার সিমু বাগমারা উপজেলার মাড়িয়া ইউনিয়নের বৈলসিংহ গ্রামের পিয়ার আলীর মেয়ে।

বাগমারা থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গেলেও ময়নাতদন্তের জন্য লাশ সেখান থেকে নেয়া হয়নি। কি কারনে ময়নাতদন্ত ছাড়াই দাফনের অনুমতি দেয়া হয়েছে সেটা জানা যায়নি।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে প্রায় ২ বছর আগে সাদিয়া আক্তার প্রেমের সম্পর্ক গড়ে পালিয়ে গিয়ে একই উপজেলার ঝিকরা ইউনিয়নের সেনোপাড়া গ্রামের জৈনকের ছেলে রায়হানকে বিয়ে করে।

বিয়ের কিছু দিন পরেই সাদিয়ার বাবা-মা তাকে মেনে নেয়ার কথা বলে বাড়িতে নিয়ে আসে। বাড়িতে আসার পর  সাদিয়াকে তার স্বামীর সাথে আর কোনো যোগাযোগ করতে দেয়নি। এক প্রর্যায়ে বিবাহ বিচ্ছেদ ঘটে তাদের, সেই থেকে বাবা-মার সাথে মান-অভিমান করে ঝড়গা বিবাদ লেগেই থাকতো তার।

সাদিয়ার মা জানান, শুক্রবার রাতে খাওয়া দাওয়া শেষে যার যার ঘরে সবাই ঘুমিয়ে যায়। ভোরে ঘুম থেকে উঠে সাদিয়ার ঘরের জানালা দিয়ে দেখতে পায় ফ্যানের সাথে গলায় ফাঁস দিয়ে ঝুলন্ত অবস্থায় রয়েছে। এসময় সাদিয়ার মা এর চিৎকারে প্রতিবেশিরা এগিয়ে আসলে তাদের সহযোগিতায় ঘরের দরজা ভেঙে ভিতরে প্রবেশ করে তার মৃত্যুর বিষয় নিশ্চিত হই।

এবিষয়ে ফোনে যোগাযোগ করা হলে বাগমারা থানার অফিসার ইনচার্জ তৌহিদুল ইসলাম সাড়াদেননি।