“পুরাতন দেখেছি অনেকবার, নতুন দেখব একবার”—সুফলাকাটীতে চেয়ারম্যান প্রার্থী রফিকুল ইসলামের গণসংযোগে বাড়ছে জনসাড়া
- আপডেট সময়ঃ ০৩:৪৫:১৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৬
- / ২০ বার পড়া হয়েছে।

কেশবপুর (যশোর) প্রতিনিধি:
আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে যশোরের কেশবপুর উপজেলার ৮ নম্বর সুফলাকাটী ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনের প্রস্তুতি নিচ্ছেন ইউনিয়নের কাটাখালী গ্রামের সন্তান মোঃ রফিকুল ইসলাম। নির্বাচনী মাঠে নিজের অবস্থান জানান দিতে ইতোমধ্যে ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রাম, পাড়া-মহল্লা ও প্রত্যন্ত এলাকায় গণসংযোগ, লিফলেট বিতরণ এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে মতবিনিময় শুরু করেছেন তিনি।
মোঃ রফিকুল ইসলাম শিক্ষাজীবনে এম.বি.এ (মার্কেটিং) ও এম.কম (ব্যবস্থাপনা) ডিগ্রি অর্জন করেছেন। তিনি দুবাই ফ্যান এন্ড ইলেকট্রিক্যাল ওয়ার্কস-এর প্রোপ্রাইটর এবং দুবাই ফ্যান বাংলাদেশ লিমিটেড, ঢাকা-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
ব্যবসায়িক কর্মকাণ্ডের পাশাপাশি স্থানীয় মানুষের পাশে থেকে বিভিন্ন সামাজিক ও জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত থাকার চেষ্টা করছেন তিনি। তার সমর্থকদের দাবি, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও সামাজিক উদ্যোগে চেয়ার, ফ্যান ও টেবিল বিতরণ, প্রয়োজনীয় সামগ্রী দিয়ে সহযোগিতা এবং এলাকার রাস্তা সংস্কারসহ বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডে তিনি ভূমিকা রেখে আসছেন।
প্রত্যন্ত গ্রামে গিয়ে মানুষের খোঁজখবর
চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হওয়ার প্রস্তুতির অংশ হিসেবে ইউনিয়নের বিভিন্ন প্রত্যন্ত গ্রামে গিয়ে সাধারণ মানুষের সঙ্গে কথা বলছেন রফিকুল ইসলাম। এলাকার মানুষের দীর্ঘদিনের সমস্যা, প্রত্যাশা ও উন্নয়ন ভাবনার কথা সরাসরি শুনছেন তিনি।
বিশেষ করে ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় জলাবদ্ধতা ও পানি নিষ্কাশন সমস্যা নিয়ে স্থানীয়দের সঙ্গে মতবিনিময় করছেন। কোথায় পানি জমে থাকে, কী কারণে পানি নিষ্কাশনে সমস্যা হচ্ছে এবং কীভাবে এ ভোগান্তি কমানো যায়—এসব বিষয়ে স্থানীয়দের কাছ থেকে তথ্য নেওয়ার পাশাপাশি সম্ভাব্য সমাধান নিয়েও আলোচনা করছেন তিনি।
রাস্তা সংস্কার ও যোগাযোগব্যবস্থায় গুরুত্ব
সুফলাকাটী ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামের রাস্তা সংস্কার ও যোগাযোগব্যবস্থার উন্নয়নেও গুরুত্ব দেওয়ার কথা জানাচ্ছেন রফিকুল ইসলাম। প্রত্যন্ত এলাকার মানুষের যাতায়াতের দুর্ভোগ কমাতে প্রয়োজনীয় রাস্তা সংস্কার ও উন্নয়নকে অগ্রাধিকার দেওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করছেন তিনি।
তার প্রচারণায় জলাবদ্ধতা নিরসন, রাস্তা সংস্কার, যোগাযোগব্যবস্থার উন্নয়ন, সামাজিক প্রতিষ্ঠানকে সহযোগিতা এবং সাধারণ মানুষের পাশে থাকার বিষয়গুলো বিশেষভাবে গুরুত্ব পাচ্ছে।
সামাজিক কর্মকাণ্ডে সহযোগিতার দাবি
স্থানীয় বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও সামাজিক কর্মকাণ্ডে রফিকুল ইসলামের সহযোগিতার কথা তুলে ধরছেন তার সমর্থকরা। তাদের দাবি, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে চেয়ার, ফ্যান, টেবিলসহ প্রয়োজনীয় সামগ্রী বিতরণ এবং এলাকার উন্নয়নমূলক কাজে সহযোগিতার মাধ্যমে তিনি দীর্ঘদিন ধরে মানুষের পাশে থাকার চেষ্টা করছেন।
তাদের ভাষ্য, জনপ্রতিনিধির দায়িত্ব শুধু নির্বাচনের সময় মানুষের কাছে যাওয়া নয়; বরং বছরের প্রতিটি সময় মানুষের প্রয়োজনে পাশে থাকা। সেই লক্ষ্যেই রফিকুল ইসলাম মানুষের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ বাড়াচ্ছেন।
“পুরাতন দেখেছি অনেকবার, নতুন দেখব একবার”
রফিকুল ইসলামের সমর্থকদের প্রচারণায় ইতোমধ্যে একটি স্লোগান বেশ আলোচনায় এসেছে—
“পুরাতন দেখেছি অনেকবার, নতুন দেখব একবার।”
এই স্লোগানকে সামনে রেখে তারা ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় নতুন নেতৃত্বের প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরছেন।
স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা বলেন, “আমরা এমন একজন চেয়ারম্যান চাই, যিনি মানুষের জন্য সময় দিতে পারবেন, গ্রামের সমস্যা সরেজমিনে দেখবেন এবং সাধারণ মানুষের প্রয়োজনে পাশে দাঁড়াবেন। পুরাতন নেতৃত্ব আমরা অনেকবার দেখেছি, এবার নতুন মুখ দেখতে চাই।”
গণসংযোগে মানুষের সাড়া
ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় মোঃ রফিকুল ইসলামের লিফলেট বিতরণ ও গণসংযোগে মানুষের আগ্রহ বাড়ছে বলে তার সমর্থকরা জানিয়েছেন। বিভিন্ন বয়সী মানুষের সঙ্গে কথা বলে তাদের সমস্যা ও প্রত্যাশার কথা শুনছেন তিনি। একই সঙ্গে নিজের পরিকল্পনা ও ইউনিয়নকে আরও শক্তিশালী করার প্রত্যয় তুলে ধরছেন ভোটারদের সামনে।
তার প্রচারণায় উন্নয়ন, পরিবর্তন, জনসম্পৃক্ততা এবং নতুন নেতৃত্বের বিষয়গুলো গুরুত্ব পাচ্ছে।
সুফলাকাটী ইউনিয়নের মানুষের প্রত্যাশা—এমন একজন জনপ্রতিনিধি নির্বাচিত হোন, যিনি ইউনিয়নের প্রতিটি গ্রামের মানুষের কথা শুনবেন, প্রত্যন্ত এলাকার সমস্যাকে গুরুত্ব দেবেন এবং মানুষের প্রয়োজনে সময় দেবেন।
আসন্ন নির্বাচনে শেষ পর্যন্ত ভোটাররা কাকে বেছে নেবেন, সেটিই এখন দেখার বিষয়। তবে এরই মধ্যে নতুন মুখ হিসেবে মোঃ রফিকুল ইসলামের গণসংযোগ ও প্রচারণা সুফলাকাটী ইউনিয়নে আলোচনার সৃষ্টি করেছে।
আর তার সমর্থকদের মুখে মুখে এখন একটাই স্লোগান—
“পুরাতন দেখেছি অনেকবার, নতুন দেখব একবার।”



















