০১:১৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬

জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত আসনে মনোনয়ন প্রত্যাশী বাগমারার রিনা ইসলাম

শামীম রেজাা
  • আপডেট সময়ঃ ০২:২৭:৩৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ৮ মার্চ ২০২৬
  • / ১০৫২ বার পড়া হয়েছে।

বাগমারা প্রতিনিধি :
রাজশাহীর বাগমারার রাজনীতিবিদ ও সহকারী অধ্যাপক রিনা ইসলাম জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনে মনোনয়ন প্রত্যাশা করেছেন। দীর্ঘদিন ধরে শিক্ষা ও রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকায় দলীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে তাকে সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে এগিয়ে রাখার দাবি উঠেছে।

জানা যায়, রিনা ইসলাম ভবানীগঞ্জ মহিলা ডিগ্রী কলেজের সহকারী অধ্যাপক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি ১৯৯৫-৯৬ সেশনে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হন এবং প্রথম বর্ষ থেকেই ছাত্রদলের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত হন।

বিশ্ববিদ্যালয় জীবনে তিনি তাপসী রাবেয়া হল শাখা ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদক ও সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন। পরবর্তীতে ২০০০ থেকে ২০০২ সাল পর্যন্ত তাপসী রাবেয়া হল ছাত্রদলের সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন।

ছাত্ররাজনীতির সময় তৎকালীন রাজনৈতিক পরিস্থিতির কারণে বিভিন্ন সময় নির্যাতনের শিকার হয়েছেন বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
শিক্ষাজীবন শেষে ২০০২ সালে নিজ এলাকায় ফিরে এসে ভবানীগঞ্জ মহিলা ডিগ্রী কলেজে প্রভাষক হিসেবে যোগদান করেন। একই সঙ্গে সক্রিয়ভাবে রাজনীতিতেও যুক্ত থাকেন।

দলীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১০ সালে তিনি বাগমারা উপজেলা বিএনপির মহিলা বিষয়ক সম্পাদিকা নির্বাচিত হন। পরে ২০১২ সালে রাজশাহী জেলা মহিলা দলের সিনিয়র সহ-সভাপতির দায়িত্ব পান। ২০১৪ সালে বাগমারা উপজেলা মহিলা দলের সভাপতি নির্বাচিত হন। বর্তমানে তিনি রাজশাহী জেলা মহিলা দলের সহ-সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

স্থানীয় নেতাকর্মীদের মতে, দীর্ঘদিন ধরে দলীয় রাজনীতি ও সামাজিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় ভূমিকা রাখায় জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনে তাকে মনোনয়ন দিলে বাগমারা সহ রাজশাহী অঞ্চলের নারীদের প্রতিনিধিত্ব আরও শক্তিশালী হবে।

এ বিষয়ে রিনা ইসলাম বলেন, দল যদি আমাকে মূল্যায়ন করে এবং সুযোগ দেয়, তাহলে আমি নারী উন্নয়ন ও এলাকার মানুষের কল্যাণে কাজ করতে চাই।

স্থানীয় রাজনৈতিক মহলে মনে করা হচ্ছে, শিক্ষা ও রাজনীতিতে দীর্ঘ অভিজ্ঞতার কারণে সংরক্ষিত নারী আসনের মনোনয়নে রিনা ইসলামকে গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হতে পারে। তাহলে তৃণমূলের নারীদের রাজনীতিতে অংশগ্রহণ সেটি আরো বৃদ্ধি পাবে।

ট্যাগসঃ

নিউজটি শেয়ার করুন

বিস্তারিত লিখুনঃ

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষণ করুন

আপলোডকারীর তথ্য

জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত আসনে মনোনয়ন প্রত্যাশী বাগমারার রিনা ইসলাম

আপডেট সময়ঃ ০২:২৭:৩৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ৮ মার্চ ২০২৬

বাগমারা প্রতিনিধি :
রাজশাহীর বাগমারার রাজনীতিবিদ ও সহকারী অধ্যাপক রিনা ইসলাম জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনে মনোনয়ন প্রত্যাশা করেছেন। দীর্ঘদিন ধরে শিক্ষা ও রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকায় দলীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে তাকে সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে এগিয়ে রাখার দাবি উঠেছে।

জানা যায়, রিনা ইসলাম ভবানীগঞ্জ মহিলা ডিগ্রী কলেজের সহকারী অধ্যাপক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি ১৯৯৫-৯৬ সেশনে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হন এবং প্রথম বর্ষ থেকেই ছাত্রদলের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত হন।

বিশ্ববিদ্যালয় জীবনে তিনি তাপসী রাবেয়া হল শাখা ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদক ও সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন। পরবর্তীতে ২০০০ থেকে ২০০২ সাল পর্যন্ত তাপসী রাবেয়া হল ছাত্রদলের সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন।

ছাত্ররাজনীতির সময় তৎকালীন রাজনৈতিক পরিস্থিতির কারণে বিভিন্ন সময় নির্যাতনের শিকার হয়েছেন বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
শিক্ষাজীবন শেষে ২০০২ সালে নিজ এলাকায় ফিরে এসে ভবানীগঞ্জ মহিলা ডিগ্রী কলেজে প্রভাষক হিসেবে যোগদান করেন। একই সঙ্গে সক্রিয়ভাবে রাজনীতিতেও যুক্ত থাকেন।

দলীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১০ সালে তিনি বাগমারা উপজেলা বিএনপির মহিলা বিষয়ক সম্পাদিকা নির্বাচিত হন। পরে ২০১২ সালে রাজশাহী জেলা মহিলা দলের সিনিয়র সহ-সভাপতির দায়িত্ব পান। ২০১৪ সালে বাগমারা উপজেলা মহিলা দলের সভাপতি নির্বাচিত হন। বর্তমানে তিনি রাজশাহী জেলা মহিলা দলের সহ-সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

স্থানীয় নেতাকর্মীদের মতে, দীর্ঘদিন ধরে দলীয় রাজনীতি ও সামাজিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় ভূমিকা রাখায় জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনে তাকে মনোনয়ন দিলে বাগমারা সহ রাজশাহী অঞ্চলের নারীদের প্রতিনিধিত্ব আরও শক্তিশালী হবে।

এ বিষয়ে রিনা ইসলাম বলেন, দল যদি আমাকে মূল্যায়ন করে এবং সুযোগ দেয়, তাহলে আমি নারী উন্নয়ন ও এলাকার মানুষের কল্যাণে কাজ করতে চাই।

স্থানীয় রাজনৈতিক মহলে মনে করা হচ্ছে, শিক্ষা ও রাজনীতিতে দীর্ঘ অভিজ্ঞতার কারণে সংরক্ষিত নারী আসনের মনোনয়নে রিনা ইসলামকে গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হতে পারে। তাহলে তৃণমূলের নারীদের রাজনীতিতে অংশগ্রহণ সেটি আরো বৃদ্ধি পাবে।