রায়পুর উচ্চ বিদ্যালয় নিয়ে অপপ্রচার
- আপডেট সময়ঃ ০৬:৪১:৫৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬
- / ৪৭ বার পড়া হয়েছে।

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
রাজশাহীর চারঘাট উপজেলার রায়পুর (দক্ষিণ) উচ্চ বিদ্যালয় নিয়ে একটি গোষ্ঠী উদ্দেশ্যেপ্রণোদিত ও
পরিকল্পিতভাবে বিভিন্ন কৌশলে নানা অপপ্রচার শুরু করেছে।এমনকি তারা গণমাধ্যম কর্মীদের কাছে মিথ্যা তথ্য দিয়ে সংবাদ প্রকাশ করিয়েছেন। গনমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদ সম্পুর্ণ মিথ্যা,ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যেপ্রণোদিত।
সম্প্রতি বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদে বলা হয়েছে-রায়পুর দক্ষিন
উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শামসুল ইসলামের বিরুদ্ধে অনিয়ম ও দুর্নীতির পাহাড়সম অভিযোগ রয়েছে।
এছাড়াও নিয়োগ প্রক্রিয়ায় আর্থিক লেনদেন, স্বাক্ষর জালিয়াতির মাধ্যমে স্ত্রী ও নিজের ভাইয়ের স্ত্রীসহ চারজনকে নিয়োগ, টাকা নিয়ে চাকরি না দেওয়া, উপবৃত্তির টাকা আত্মসাৎসহ নানা অভিযোগের কথা বলা হয়েছে,যা সম্পুর্ণ মিথ্যা,বনোয়াট ও উদ্দেশ্যেপ্রণোদিত।একটি গোষ্ঠী অবৈধ সুবিধা আদায়ে ব্যর্থ হয়ে স্কুল ও প্রধান শিক্ষককে জড়িয়ে এসব অপপ্রচার করছে।
এদিকে প্রধান শিক্ষক শামসুলের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা করেছেন বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি আবুল খায়ের খন্দকার।ফলে যেহুতু আদালতে মামলা রয়েছে,সেহুতু আদালতে বিচারাধীন বিষয় নিয়ে সংবাদ প্রকাশ করা কতটা যৌক্তিক ?
এছাড়াও তিনি মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা (মাউশি) অধিদফতরের মহাপরিচালক (ডিজি) এবং রাজশাহী অঞ্চলের উপপরিচালকসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দফতরে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। কিন্ত্ত এসব অভিযোগের তদন্ত শেষ না হতেই এসব সংবাদ প্রকাশ করা কতটা যৌক্তিক ?
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ১৯৯৪ সালে বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠিত হয়। বিগত ২০০৫ সালে প্রতিষ্ঠানটি এমপিওভুক্ত হয়।শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থী রয়েছে প্রায় ১৫০ জন এবং শিক্ষক-কর্মচারী রয়েছে ১২ জন।
অন্যদিকে প্রতিষ্ঠাতা সভাপতির স্বাক্ষর জাল করে জালিয়াতির মাধ্যমে প্রধান শিক্ষক শামসুল ইসলাম চারজনকে নিয়োগ দিয়েছেন বলে যে অভিযোগ করা হয়েছে সেটাও মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যে প্রণোদিত। কারণ একজন প্রধান শিক্ষক চাইলেই কাউকে নিয়োগ দিতে পারেন না।আবার একজন শিক্ষকের এমপিও করতে কাগজপত্র কমপক্ষে কুড়ি জায়গায় পাঠাতে হয়, তাহলে জাল কাগজপত্রে এমপিও হয় কিভাবে ? যদি জাল কাগজপত্রে এমপিও হয় তাহলে এর দায় সবার প্রধান শিক্ষক তো এমপিও দিতে পারেন না।
স্থানীয়রা স্কুল ও শিক্ষকদের নিয়ে প্রকাশিত সংবাদের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে গণমাধ্যম কর্মীদের সঠিক ও নির্ভুল সংবাদ প্রকাশের জন্য অনুরোধ করেছেন।
এসব বিষয়ে জানতে চাইলে সব অভিযোগ অস্বীকার করে প্রধান শিক্ষক শামসুল ইসলাম বলেন, ‘স্বাক্ষর জাল করে স্ত্রী এবং ভাইয়ের স্ত্রীসহ চারজনকে নিয়োগ দেওয়ার বিষয়টি ভিত্তিহীন। এছাড়া অন্যরা টাকা নিয়ে চাকরি না দেওয়ার যে অভিযোগ করছেন, সেগুলো বানোয়াট। উপবৃত্তির টাকা আত্মসাতের অভিযোগও সঠিক না।’ এবিষয়ে মাউশি রাজশাহী অঞ্চলের উপপরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) আব্দুর রশিদ বলেন, ‘অভিযোগ পেয়েছি। তদন্তের জন্য চিঠি ইস্যু করা হবে। অভিযোগের বিষয়টি তদন্ত করবেন জেলা শিক্ষা অফিসার। তদন্তে সত্যতা পেলে ওই প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।



















