০৯:০৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ১১ এপ্রিল ২০২৬

দূর্গাপুরের ব্রীজ যেন এক হাট বাজার, মানা হচ্ছেনা সরকারী নির্দেশনা

হাসিবুর রহমানঃ
  • আপডেট সময়ঃ ০৯:০৫:৪৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • / ১৭০ বার পড়া হয়েছে।

হাসিবুর রহমানঃ

রাজশাহীর দূর্গাপুর উপজেলার প্রাণ কেন্দ্রের ব্রিজটা যেন ছোটখাটো এক হাট বাজারে পরিনত হয়েছে।
ব্রিজের দুইপাশের ৫ফুট এর বেশি জায়গা এখনো অবৈধ দোকানিদের দখলে। এমনকি রাস্তাও দোকান পাট বসেছে। বিগত ৮ মাস আগে প্রশাসনের তরফ হইতে, ব্রিজটির উপর একটি সাইনবোর্ড লাগানো হয় এবং বিশেষ এক সতর্কবার্তা দেয়া হয়।
কিন্তুু প্রশাসনের সকল সতর্কবার্তা অমান্য করে,আগের চাইতে অধিক দোকানপাট বসেছে ব্রিজের উপরে।
দূর্গাপুর বাজারে সপ্তাহ জুড়ে রবিবার ও বুধবার এই দুই দিন বসে হাট বাজার। বিশেষ করে এই দুই দিন অবৈধ দোকানদারীদের দখলে থাকে এই বিজ্রটি। রাস্তা সহ ফুটপাত ঘিরে বসে নানা ফুল ও ফলের দোকান।

এতে ব্রিজের ফুটপাত দূরের কথা, নিচে রাস্তা দিয়েও অনেক কষ্টে পারাপার হতে হয় সাধারণ জনগণকে। সেখানে অনেক সময় ঘটছে ঘণ্টায় ঘণ্টায় দুর্ঘটনা। অনেকে মনে করেন প্রশাসনের নীরবতার কারণে দিন দিন সমস্যাগুলো আরো বড় আকার ধারণ করেছে।
দূর্গাপুর বাজারে একাধিক পথচারী বলেছেন,ব্রিজের পাশে ফুটপাত গুলো তৈরি করা হয়েছে আমাদের মত সাধারন পথচারীদের চলাফেরা করার জন্য,কিন্তুু যেভাবে দিন দিন দোকানপাট বৃদ্ধি হচ্ছে তাতে আমরা ফুটপাতে চলাফেরা তো দূরের কথা, কিছুদিন পরে নিচের রাস্তা দিয়ে চলাফেরা করতে পারব কিনা তা বলা যাচ্ছে না।
আরেক পথচারী আবদুল সোবাহাব বলেন,ব্রীজের ওপরে দোকান পাট বসার কারনে, হাটের দিন করে মেডিকেল মোড় থেকে জিয়া চত্বর পর্যন্ত বিশাল যানজট সৃষ্টি হয়, এতে সাধারণ জনগণ, স্কুল শিক্ষার্থী, কৃষক,চাকুরীজিবিরা,সবচেয়ে বেশি সমস্যায় পড়ে। প্রাশাসনের সঠিক নজরদারী থাকলে হয়তো এই সমস্যা গুলো হতো না।
ব্রীজের ওপরের ফুটপাত দখলকৃত এক ব্যবসায়ী বলেন,সবাই দোকান দিয়েছে তাই আমিও দিয়েছি,জানি সাধারণ লোক জনের আমাদের জন্য সমস্যা হচ্ছে,তবে আমাদের দোকান বসানোর নির্দিষ্ট কোন স্থান থাকতো,তাহলে সাধারণ মানুষের চলাচলের সমস্যা গুলো হতো না।

দূর্গাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আতিকুল ইসলাম বলেন,বিষয়টা আমার চোখে পড়েছে, আমি আমার উদ্ধতন কর্মকর্তার সাথে কথা বলে,খুব শিঘ্রই একটা ব্যবস্থা গ্রহণ করব, যাতে সাধারণ জনগনের ব্রিজের উপরে চলাফেরা করতে আর কোন অসুবিধা না হয়।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা( ইউএনও) সাবরিনা শারমিন জানান, ব্রীজের ওপরে সাইনবোর্ড লাগানোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে, তারপরও দোকানপাট পাকিংয়ের বিষয়ে অভিযোগ আসছে আমার কাছে।বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখছি এবং দ্রুত এর সমাধান করা হবে।

ট্যাগসঃ

নিউজটি শেয়ার করুন

বিস্তারিত লিখুনঃ

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষণ করুন

আপলোডকারীর তথ্য

দূর্গাপুরের ব্রীজ যেন এক হাট বাজার, মানা হচ্ছেনা সরকারী নির্দেশনা

আপডেট সময়ঃ ০৯:০৫:৪৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৫

হাসিবুর রহমানঃ

রাজশাহীর দূর্গাপুর উপজেলার প্রাণ কেন্দ্রের ব্রিজটা যেন ছোটখাটো এক হাট বাজারে পরিনত হয়েছে।
ব্রিজের দুইপাশের ৫ফুট এর বেশি জায়গা এখনো অবৈধ দোকানিদের দখলে। এমনকি রাস্তাও দোকান পাট বসেছে। বিগত ৮ মাস আগে প্রশাসনের তরফ হইতে, ব্রিজটির উপর একটি সাইনবোর্ড লাগানো হয় এবং বিশেষ এক সতর্কবার্তা দেয়া হয়।
কিন্তুু প্রশাসনের সকল সতর্কবার্তা অমান্য করে,আগের চাইতে অধিক দোকানপাট বসেছে ব্রিজের উপরে।
দূর্গাপুর বাজারে সপ্তাহ জুড়ে রবিবার ও বুধবার এই দুই দিন বসে হাট বাজার। বিশেষ করে এই দুই দিন অবৈধ দোকানদারীদের দখলে থাকে এই বিজ্রটি। রাস্তা সহ ফুটপাত ঘিরে বসে নানা ফুল ও ফলের দোকান।

এতে ব্রিজের ফুটপাত দূরের কথা, নিচে রাস্তা দিয়েও অনেক কষ্টে পারাপার হতে হয় সাধারণ জনগণকে। সেখানে অনেক সময় ঘটছে ঘণ্টায় ঘণ্টায় দুর্ঘটনা। অনেকে মনে করেন প্রশাসনের নীরবতার কারণে দিন দিন সমস্যাগুলো আরো বড় আকার ধারণ করেছে।
দূর্গাপুর বাজারে একাধিক পথচারী বলেছেন,ব্রিজের পাশে ফুটপাত গুলো তৈরি করা হয়েছে আমাদের মত সাধারন পথচারীদের চলাফেরা করার জন্য,কিন্তুু যেভাবে দিন দিন দোকানপাট বৃদ্ধি হচ্ছে তাতে আমরা ফুটপাতে চলাফেরা তো দূরের কথা, কিছুদিন পরে নিচের রাস্তা দিয়ে চলাফেরা করতে পারব কিনা তা বলা যাচ্ছে না।
আরেক পথচারী আবদুল সোবাহাব বলেন,ব্রীজের ওপরে দোকান পাট বসার কারনে, হাটের দিন করে মেডিকেল মোড় থেকে জিয়া চত্বর পর্যন্ত বিশাল যানজট সৃষ্টি হয়, এতে সাধারণ জনগণ, স্কুল শিক্ষার্থী, কৃষক,চাকুরীজিবিরা,সবচেয়ে বেশি সমস্যায় পড়ে। প্রাশাসনের সঠিক নজরদারী থাকলে হয়তো এই সমস্যা গুলো হতো না।
ব্রীজের ওপরের ফুটপাত দখলকৃত এক ব্যবসায়ী বলেন,সবাই দোকান দিয়েছে তাই আমিও দিয়েছি,জানি সাধারণ লোক জনের আমাদের জন্য সমস্যা হচ্ছে,তবে আমাদের দোকান বসানোর নির্দিষ্ট কোন স্থান থাকতো,তাহলে সাধারণ মানুষের চলাচলের সমস্যা গুলো হতো না।

দূর্গাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আতিকুল ইসলাম বলেন,বিষয়টা আমার চোখে পড়েছে, আমি আমার উদ্ধতন কর্মকর্তার সাথে কথা বলে,খুব শিঘ্রই একটা ব্যবস্থা গ্রহণ করব, যাতে সাধারণ জনগনের ব্রিজের উপরে চলাফেরা করতে আর কোন অসুবিধা না হয়।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা( ইউএনও) সাবরিনা শারমিন জানান, ব্রীজের ওপরে সাইনবোর্ড লাগানোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে, তারপরও দোকানপাট পাকিংয়ের বিষয়ে অভিযোগ আসছে আমার কাছে।বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখছি এবং দ্রুত এর সমাধান করা হবে।