১২:২৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬

কালিয়াকৈরে ডাকাতির চেষ্টা ব্যর্থ, ৩ ডাকাত আটক

শাকিল হোসেন গাজীপুর কালিয়াকৈর প্রতিনিধি:
  • আপডেট সময়ঃ ০৬:৪৮:১৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • / ১২৫ বার পড়া হয়েছে।

শাকিল হোসেন গাজীপুর কালিয়াকৈর প্রতিনিধি:

গাজীপুরের কালিয়াকৈরে ডাকাতির প্রস্তুতিকালে সংঘবদ্ধ ডাকাত দলের তিন সদস্যকে আটক করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার (১১ সেপ্টেম্বর) গভীর রাতে উপজেলার মৌচাক ফকিরবাড়ি এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

কালিয়াকৈর থানাধীন মৌচাক আমবাগে অবস্থানকালে গোপন সূত্রে সংবাদ পাওয়া যায়, একদল ডাকাত দেশীয় অস্ত্রসহ একটি হলুদ-সবুজ রঙের মিনি ট্রাক যোগে গাজীপুর-টাঙ্গাইল মহাসড়কের ঢাকা গামী লেনে ডাকাতি করার উদ্দেশ্যে অবস্থান করছে। উক্ত সংবাদ মোবাইল ফোনের মাধ্যমে থানার অফিসার ইনচার্জ জনাব মোঃ আঃ মান্নান এবং মৌচাক পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ জনাব মোঃ আব্দুস সেলিমকে জানানো হলে তাদের নেতৃত্বে মৌচাক ফারী পুলিশ এবং কালিয়াকৈর থানা পুলিশের ফোর্স যৌথভাবে ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে ডাকাত দল দ্রুত পালানোর চেষ্টা করলে, অজ্ঞাতনামা একটি ট্রাক সামনে বেড়িগেট তৈরি করলে প্রার্থীর সাথে সংঘর্ষের ফলে ডাকাতদের ট্রাকের গ্লাস ভেঙে যায়। এসময় উপস্থিত জনতা ডাকাতদের আটক করে গণপিটুনি দেয়, যার ফলে আটক ডাকাতদের শরীরে রক্তাক্ত ও ফুলা জখম হয়। তবে ৩ জন ডাকাত উক্ত ট্রাক থেকে পালিয়ে যায়। স্থানীয়দের সহায়তায় পুলিশের সঙ্গে যৌথভাবে তিনজন ডাকাতকে আটক করা সম্ভব হয়। আটককৃতরা হলো, বগুড়া থানার সরলপুর এলাকার নুরুল হকের ছেলে খোকন (৩৩), নীলফামারী জেলার ডোমার থানার মেলাপাঙ্গা এলাকার দুলাল হোসেনের ছেলে রুবেল (২৫), ময়মনসিংহ কোতয়ালী থানার গোপালনগর এলাকার সাইফুল ইসলামের ছেলে সেলিম (৪০)। আটককৃতরা জানান, পালিয়ে যাওয়া তিন জন হলেন কালু, লালু ও বাবুল। পুলিশ তাদের কাছ থেকে একটি মিনি ট্রাকসহ দেশীয় অস্ত্র জব্দ করেছে। উদ্ধারকৃত অস্ত্রের মধ্যে রয়েছে কাটার, এক্সেল রড, লোহার পাইপ, ছুরি, হাতুরি, স্ক্রু ড্রাইভার, প্লাস, কাঁচি ও প্লাস্টিকের দড়ি।

কালিয়াকৈর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ আঃ মান্নান বলেন, “আটক ডাকাতদের বিরুদ্ধে ডাকাতির প্রস্তুতি ও অস্ত্র রাখার অভিযোগে নিয়মিত মামলা দায়ের করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে পূর্বেও একাধিক ডাকাতি ও মাদক মামলার রেকর্ড রয়েছে। চিকিৎসা শেষে তাদের আদালতে পাঠানো হবে।”

পুলিশ ও স্থানীয়দের তৎপরতায় এ অভিযান সফল হওয়ায় স্থানীয়রা স্বস্তিতে রয়েছে।

ট্যাগসঃ

নিউজটি শেয়ার করুন

বিস্তারিত লিখুনঃ

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষণ করুন

আপলোডকারীর তথ্য

কালিয়াকৈরে ডাকাতির চেষ্টা ব্যর্থ, ৩ ডাকাত আটক

আপডেট সময়ঃ ০৬:৪৮:১৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৫

শাকিল হোসেন গাজীপুর কালিয়াকৈর প্রতিনিধি:

গাজীপুরের কালিয়াকৈরে ডাকাতির প্রস্তুতিকালে সংঘবদ্ধ ডাকাত দলের তিন সদস্যকে আটক করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার (১১ সেপ্টেম্বর) গভীর রাতে উপজেলার মৌচাক ফকিরবাড়ি এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

কালিয়াকৈর থানাধীন মৌচাক আমবাগে অবস্থানকালে গোপন সূত্রে সংবাদ পাওয়া যায়, একদল ডাকাত দেশীয় অস্ত্রসহ একটি হলুদ-সবুজ রঙের মিনি ট্রাক যোগে গাজীপুর-টাঙ্গাইল মহাসড়কের ঢাকা গামী লেনে ডাকাতি করার উদ্দেশ্যে অবস্থান করছে। উক্ত সংবাদ মোবাইল ফোনের মাধ্যমে থানার অফিসার ইনচার্জ জনাব মোঃ আঃ মান্নান এবং মৌচাক পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ জনাব মোঃ আব্দুস সেলিমকে জানানো হলে তাদের নেতৃত্বে মৌচাক ফারী পুলিশ এবং কালিয়াকৈর থানা পুলিশের ফোর্স যৌথভাবে ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে ডাকাত দল দ্রুত পালানোর চেষ্টা করলে, অজ্ঞাতনামা একটি ট্রাক সামনে বেড়িগেট তৈরি করলে প্রার্থীর সাথে সংঘর্ষের ফলে ডাকাতদের ট্রাকের গ্লাস ভেঙে যায়। এসময় উপস্থিত জনতা ডাকাতদের আটক করে গণপিটুনি দেয়, যার ফলে আটক ডাকাতদের শরীরে রক্তাক্ত ও ফুলা জখম হয়। তবে ৩ জন ডাকাত উক্ত ট্রাক থেকে পালিয়ে যায়। স্থানীয়দের সহায়তায় পুলিশের সঙ্গে যৌথভাবে তিনজন ডাকাতকে আটক করা সম্ভব হয়। আটককৃতরা হলো, বগুড়া থানার সরলপুর এলাকার নুরুল হকের ছেলে খোকন (৩৩), নীলফামারী জেলার ডোমার থানার মেলাপাঙ্গা এলাকার দুলাল হোসেনের ছেলে রুবেল (২৫), ময়মনসিংহ কোতয়ালী থানার গোপালনগর এলাকার সাইফুল ইসলামের ছেলে সেলিম (৪০)। আটককৃতরা জানান, পালিয়ে যাওয়া তিন জন হলেন কালু, লালু ও বাবুল। পুলিশ তাদের কাছ থেকে একটি মিনি ট্রাকসহ দেশীয় অস্ত্র জব্দ করেছে। উদ্ধারকৃত অস্ত্রের মধ্যে রয়েছে কাটার, এক্সেল রড, লোহার পাইপ, ছুরি, হাতুরি, স্ক্রু ড্রাইভার, প্লাস, কাঁচি ও প্লাস্টিকের দড়ি।

কালিয়াকৈর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ আঃ মান্নান বলেন, “আটক ডাকাতদের বিরুদ্ধে ডাকাতির প্রস্তুতি ও অস্ত্র রাখার অভিযোগে নিয়মিত মামলা দায়ের করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে পূর্বেও একাধিক ডাকাতি ও মাদক মামলার রেকর্ড রয়েছে। চিকিৎসা শেষে তাদের আদালতে পাঠানো হবে।”

পুলিশ ও স্থানীয়দের তৎপরতায় এ অভিযান সফল হওয়ায় স্থানীয়রা স্বস্তিতে রয়েছে।