০৮:৪৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬

কালিয়াকৈর পৌরসভায় বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় ছড়াচ্ছে নানা ধরনের রোগব্যাধি, পৌরবাসীর বিক্ষোভ

শাকিল হোসেন,কালিয়াকৈর (গাজীপুর) প্রতিনিধিঃ
  • আপডেট সময়ঃ ০৮:৪৭:৩৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬
  • / ১ বার পড়া হয়েছে।

শাকিল হোসেন,কালিয়াকৈর (গাজীপুর) প্রতিনিধিঃ

গাজীপুরের কালিয়াকৈর পৌরসভার ৫ নং হরতকিতলা আমতলা মোড়,বাদশা হাউজ ও ৮ নং ওর্য়াডের পূর্ব চান্দরা ছাপড়া মসজিদ বটতলা মন্দির এলাকায় বুধবার সকালে পৌরসভার ময়লার ভাগাড়ের কারনে অতিষ্ঠ হয়ে বিক্ষোভ করেছে পৌরবাসী।
বিক্ষোভ সূত্রে জানা যায়, পৌর সভার বটতলা মন্দির এলাকায় খোলা আকাশের নিচে যত্রতত্র ময়লা আর্বজনা ফেলার কারনে বিষাক্ত গ্যাস, যা পরিবেশ দূষণের পাশাপাশি জনস্বাস্থ্য মারাত্মক হুমকির মুখে। বিশেষ করে শিশু, কিশোর, বয়স্করা শ্বাসকষ্ট, আল্যার্জি, ডাইরিয়া ও ত্বকের সমস্যার ভুগছেন বলে বিক্ষোভ করেছে স্থানীয়রা। রাতে দুর্গন্ধে ঘুমাতে পারেনা। বৃষ্টি হলে আবর্জনা, দুর্গন্ধ চারিদিকে ছড়িয়ে পড়ে। রান্নাবান্না ঠিক মত করা যাচ্ছে না। খাবারে মাছি পড়ছে ফলে রোগব্যাধি দেখা দিচ্ছে। বর্জ্যের দুর্গন্ধের কারণে বসতবাড়িতে নাকে কাপড় বা রুমাল চেপে থাকতে হচ্ছে। দুর্গন্ধের কারণে খাবার খাওয়ায় সমস্যা হচ্ছে। মশা মাছি অতিষ্ঠ করেছে জনজীবন। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সামনে ময়লা আর্বজনার দুর্গন্ধে কারনে শিক্ষার্থীরা রয়েছে স্বাস্থ্যঝুঁকিতে।
নাজিম ও বাবুল হাওলাদার বলেন, পৌরসভার বর্জ্য ফেলার কারনে বাড়ছে নানান রোগব্যাধি। দুগন্ধে ভাত খেতে পারিনা। বাসাবাড়ির ভাড়াটিয়া দুর্গন্ধ সব চলে যাচ্ছে। শিশুদের নিয়মিত পাঠদানে সমস্যা হচ্ছে। মন্দির, দোকানপাট, মসজিদ বাসাবাড়িতে বসবাস করা বিঘ্ন ঘটছে।
রোকন জানান, আর্বজনা ও বর্জ্যের কারনে আমার দুটি সন্তান অসুস্থ । অসুস্থতার কারনে আমি কাজে যেতে পারছিনা। এতে করে আমার পরিবারের ভরণপোষণ করা কঠিন হয়ে পড়ছে।
নজরুল ইসলাম , আমিরুল ইসলাম , জীবন চন্দ্র, সাজিদ মিয়া, নাজমূল আলম, মালা জানান, বর্জ্যের ভাগাড়ের কারনে বাড়ছে নানান রোগব্যাধি, শিশু ও বয়স্কদের শ্বাস নিশ্বাসে কষ্ট হচ্ছে। খাবার রান্না করা, খাবারের মাছি বসছে। দুর্গন্ধ চারিদিকে ছড়িয়ে পড়ে নানান ধরনের রোগব্যাধি দেখা দিচ্ছে। দ্রুত পরিবেশ ফিরিয়ে আনতে এই আর্বজনা ফেলা বন্ধ করতে হবে ও বর্জ্য সরিয়ে ফেলতে হবে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও পৌর প্রশাসক বলেন, এ এইচ এম ফখরুল হোসাইন বলেন পৌরসভার পক্ষ থেকে অতি দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ট্যাগসঃ

নিউজটি শেয়ার করুন

বিস্তারিত লিখুনঃ

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষণ করুন

আপলোডকারীর তথ্য

কালিয়াকৈর পৌরসভায় বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় ছড়াচ্ছে নানা ধরনের রোগব্যাধি, পৌরবাসীর বিক্ষোভ

আপডেট সময়ঃ ০৮:৪৭:৩৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬

শাকিল হোসেন,কালিয়াকৈর (গাজীপুর) প্রতিনিধিঃ

গাজীপুরের কালিয়াকৈর পৌরসভার ৫ নং হরতকিতলা আমতলা মোড়,বাদশা হাউজ ও ৮ নং ওর্য়াডের পূর্ব চান্দরা ছাপড়া মসজিদ বটতলা মন্দির এলাকায় বুধবার সকালে পৌরসভার ময়লার ভাগাড়ের কারনে অতিষ্ঠ হয়ে বিক্ষোভ করেছে পৌরবাসী।
বিক্ষোভ সূত্রে জানা যায়, পৌর সভার বটতলা মন্দির এলাকায় খোলা আকাশের নিচে যত্রতত্র ময়লা আর্বজনা ফেলার কারনে বিষাক্ত গ্যাস, যা পরিবেশ দূষণের পাশাপাশি জনস্বাস্থ্য মারাত্মক হুমকির মুখে। বিশেষ করে শিশু, কিশোর, বয়স্করা শ্বাসকষ্ট, আল্যার্জি, ডাইরিয়া ও ত্বকের সমস্যার ভুগছেন বলে বিক্ষোভ করেছে স্থানীয়রা। রাতে দুর্গন্ধে ঘুমাতে পারেনা। বৃষ্টি হলে আবর্জনা, দুর্গন্ধ চারিদিকে ছড়িয়ে পড়ে। রান্নাবান্না ঠিক মত করা যাচ্ছে না। খাবারে মাছি পড়ছে ফলে রোগব্যাধি দেখা দিচ্ছে। বর্জ্যের দুর্গন্ধের কারণে বসতবাড়িতে নাকে কাপড় বা রুমাল চেপে থাকতে হচ্ছে। দুর্গন্ধের কারণে খাবার খাওয়ায় সমস্যা হচ্ছে। মশা মাছি অতিষ্ঠ করেছে জনজীবন। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সামনে ময়লা আর্বজনার দুর্গন্ধে কারনে শিক্ষার্থীরা রয়েছে স্বাস্থ্যঝুঁকিতে।
নাজিম ও বাবুল হাওলাদার বলেন, পৌরসভার বর্জ্য ফেলার কারনে বাড়ছে নানান রোগব্যাধি। দুগন্ধে ভাত খেতে পারিনা। বাসাবাড়ির ভাড়াটিয়া দুর্গন্ধ সব চলে যাচ্ছে। শিশুদের নিয়মিত পাঠদানে সমস্যা হচ্ছে। মন্দির, দোকানপাট, মসজিদ বাসাবাড়িতে বসবাস করা বিঘ্ন ঘটছে।
রোকন জানান, আর্বজনা ও বর্জ্যের কারনে আমার দুটি সন্তান অসুস্থ । অসুস্থতার কারনে আমি কাজে যেতে পারছিনা। এতে করে আমার পরিবারের ভরণপোষণ করা কঠিন হয়ে পড়ছে।
নজরুল ইসলাম , আমিরুল ইসলাম , জীবন চন্দ্র, সাজিদ মিয়া, নাজমূল আলম, মালা জানান, বর্জ্যের ভাগাড়ের কারনে বাড়ছে নানান রোগব্যাধি, শিশু ও বয়স্কদের শ্বাস নিশ্বাসে কষ্ট হচ্ছে। খাবার রান্না করা, খাবারের মাছি বসছে। দুর্গন্ধ চারিদিকে ছড়িয়ে পড়ে নানান ধরনের রোগব্যাধি দেখা দিচ্ছে। দ্রুত পরিবেশ ফিরিয়ে আনতে এই আর্বজনা ফেলা বন্ধ করতে হবে ও বর্জ্য সরিয়ে ফেলতে হবে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও পৌর প্রশাসক বলেন, এ এইচ এম ফখরুল হোসাইন বলেন পৌরসভার পক্ষ থেকে অতি দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।