০৩:৩৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৫ মে ২০২৬

বাগমারায় রাতের অভিযানে অবৈধ পুকুর খনন বন্ধে কঠোর অবস্থান প্রশাসনের

শামীম রেজা
  • আপডেট সময়ঃ ১১:৪২:০৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ৪ মে ২০২৬
  • / ৫ বার পড়া হয়েছে।

বাগমারা প্রতিনিধি:
রাজশাহীর বাগমারা উপজেলায় অনুমতিবিহীন পুকুর খননের বিরুদ্ধে রাতেও অভিযান চালিয়ে কঠোর অবস্থানের বার্তা দিয়েছে উপজেলা প্রশাসন।

সোমবার রাতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সেলিম আহমেদ এবং সহকারী কমিশনার (ভূমি) সাইফুল ইসলাম ভূঁঞার নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালিত হয়।

অভিযানটি বাসুপাড়া ইউনিয়নের দয়ের ঘাট এলাকায় পরিচালনা করা হয়। এসময় ঘটনাস্থলে কোনো দুষ্কৃতকারীকে পাওয়া না যাওয়ায় কাউকে আটক বা ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে জেল-জরিমানা করা সম্ভব হয়নি।

তবে পুকুর খননের কাজে ব্যবহৃত একটি ভেকু (এক্সেভেটর) মেশিন এবং মাটি পরিবহনে ব্যবহৃত একটি কাকড়া মেশিন স্পটেই অকেজো করে দেওয়া হয়।

এর আগে মচমইল বাজারের উত্তর পাশে জমিদার বাড়ির পাশের এলাকাতেও প্রায় চারবার অভিযান চালানো হয়। কিন্তু সেখানেও কোনো অবৈধ খননকারী বা যন্ত্রপাতি পাওয়া যায়নি।

উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, অবৈধভাবে পুকুর খনন ও কৃষিজমি নষ্টের বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে। কেউ আইন অমান্য করলে তার বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

ট্যাগসঃ

নিউজটি শেয়ার করুন

বিস্তারিত লিখুনঃ

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষণ করুন

আপলোডকারীর তথ্য

বাগমারায় রাতের অভিযানে অবৈধ পুকুর খনন বন্ধে কঠোর অবস্থান প্রশাসনের

আপডেট সময়ঃ ১১:৪২:০৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ৪ মে ২০২৬

বাগমারা প্রতিনিধি:
রাজশাহীর বাগমারা উপজেলায় অনুমতিবিহীন পুকুর খননের বিরুদ্ধে রাতেও অভিযান চালিয়ে কঠোর অবস্থানের বার্তা দিয়েছে উপজেলা প্রশাসন।

সোমবার রাতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সেলিম আহমেদ এবং সহকারী কমিশনার (ভূমি) সাইফুল ইসলাম ভূঁঞার নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালিত হয়।

অভিযানটি বাসুপাড়া ইউনিয়নের দয়ের ঘাট এলাকায় পরিচালনা করা হয়। এসময় ঘটনাস্থলে কোনো দুষ্কৃতকারীকে পাওয়া না যাওয়ায় কাউকে আটক বা ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে জেল-জরিমানা করা সম্ভব হয়নি।

তবে পুকুর খননের কাজে ব্যবহৃত একটি ভেকু (এক্সেভেটর) মেশিন এবং মাটি পরিবহনে ব্যবহৃত একটি কাকড়া মেশিন স্পটেই অকেজো করে দেওয়া হয়।

এর আগে মচমইল বাজারের উত্তর পাশে জমিদার বাড়ির পাশের এলাকাতেও প্রায় চারবার অভিযান চালানো হয়। কিন্তু সেখানেও কোনো অবৈধ খননকারী বা যন্ত্রপাতি পাওয়া যায়নি।

উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, অবৈধভাবে পুকুর খনন ও কৃষিজমি নষ্টের বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে। কেউ আইন অমান্য করলে তার বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।