০৮:৩২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬

মান্দায় শতভাগ ফেলের তালিকায় ৫ মাদ্রাসা

রিপোর্টার নামঃ
  • আপডেট সময়ঃ ০৭:২০:১৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬
  • / ১৭ বার পড়া হয়েছে।

মান্দা (নওগাঁ) প্রতিনিধি:
২৮ জন শিক্ষক-কর্মচারী। দাখিল পরীক্ষার্থী ছিল ১৫ জন। অথচ পাস করেনি একজনও। এমন ফলাফলের দেখা মিলেছে নওগাঁর মান্দা উপজেলার চকদেবীরাম-চকভোলাই আলিম মাদ্রাসায়। শুধু এ প্রতিষ্ঠানই নয়, এবারের দাখিল পরীক্ষায় উপজেলার আরও চারটি মাদ্রাসার কোনো পরীক্ষার্থীই উত্তীর্ণ হতে পারেনি।
শতভাগ ফেল করা পাঁচ প্রতিষ্ঠানের মধ্যে তিনটি এমপিওভুক্ত এবং দুটি নন-এমপিওভুক্ত। এমপিওভুক্ত প্রতিষ্ঠানগুলো হলো-চকদেবীরাম-চকভোলাই আলিম মাদ্রাসা, কুসুম্বা শাহী দাখিল মাদ্রাসা ও রামনগর দাখিল মাদ্রাসা। নন-এমপিওভুক্ত প্রতিষ্ঠান দুটি হলো-চকরঘুনাথ দাখিল মাদ্রাসা ও এলেঙ্গা ইসলামিয়া দাখিল মাদ্রাসা। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন দাখিল পরীক্ষার কেন্দ্র সচিব অধ্যক্ষ মামুনুর রশীদ।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, চকদেবীরাম-চকভোলাই আলিম মাদ্রাসা থেকে এবারের দাখিল পরীক্ষায় অংশ নেয় ১৫ জন শিক্ষার্থী। প্রতিষ্ঠানটিতে শিক্ষক-কর্মচারী রয়েছেন ২৮ জন। পরীক্ষার্থীর সংখ্যার তুলনায় শিক্ষক-কর্মচারীর সংখ্যাও উল্লেখযোগ্য। এরপরও কোনো শিক্ষার্থী পাস না করায় বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় অভিভাবকদের মধ্যে ক্ষোভ ও হতাশা তৈরি হয়েছে।
অন্যদিকে কুসুম্বা শাহী দাখিল মাদ্রাসা থেকে ৯ জন, রামনগর দাখিল মাদ্রাসা থেকে ১৩ জন, চকরঘুনাথ দাখিল মাদ্রাসা থেকে ১৩ জন এবং এলেঙ্গা ইসলামিয়া দাখিল মাদ্রাসা থেকে ৬ জন পরীক্ষার্থী দাখিল পরীক্ষায় অংশ নেয়। পাঁচটি প্রতিষ্ঠান মিলিয়ে ৫৬ জন পরীক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিলেও একজনও উত্তীর্ণ হতে পারেনি।
স্থানীয় অভিভাবক ও বাসিন্দাদের অভিযোগ, শিক্ষার্থীদের নিয়মিত পাঠদান, উপস্থিতি নিশ্চিত করা এবং পরীক্ষার্থীদের প্রস্তুতির ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর কার্যকর ভূমিকা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই প্রশ্ন রয়েছে। শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার নিয়মিত মূল্যায়ন, দুর্বল শিক্ষার্থীদের জন্য অতিরিক্ত পাঠদান বা বিশেষ প্রস্তুতির ব্যবস্থা ছিল কিনা এসব বিষয়ও খতিয়ে দেখার দাবি জানিয়েছেন তারা।
চকদেবীরাম-চকভোলাই আলিম মাদ্রাসার ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ জালাল উদ্দিন বলেন, ‘এবার আমাদের প্রতিষ্ঠান থেকে ১৫ জন শিক্ষার্থী দাখিল পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিল। অত্যন্ত হতাশার বিষয়, তাদের সবাই ফেল করেছে।’
এ বিষয়ে মান্দা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আখতার জাহান সাথী বলেন, ‘শতভাগ ফেল করা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর প্রধানদের সঙ্গে বৈঠকের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এরপর পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।’#

ট্যাগসঃ

নিউজটি শেয়ার করুন

বিস্তারিত লিখুনঃ

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষণ করুন

আপলোডকারীর তথ্য

মান্দায় শতভাগ ফেলের তালিকায় ৫ মাদ্রাসা

আপডেট সময়ঃ ০৭:২০:১৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬

মান্দা (নওগাঁ) প্রতিনিধি:
২৮ জন শিক্ষক-কর্মচারী। দাখিল পরীক্ষার্থী ছিল ১৫ জন। অথচ পাস করেনি একজনও। এমন ফলাফলের দেখা মিলেছে নওগাঁর মান্দা উপজেলার চকদেবীরাম-চকভোলাই আলিম মাদ্রাসায়। শুধু এ প্রতিষ্ঠানই নয়, এবারের দাখিল পরীক্ষায় উপজেলার আরও চারটি মাদ্রাসার কোনো পরীক্ষার্থীই উত্তীর্ণ হতে পারেনি।
শতভাগ ফেল করা পাঁচ প্রতিষ্ঠানের মধ্যে তিনটি এমপিওভুক্ত এবং দুটি নন-এমপিওভুক্ত। এমপিওভুক্ত প্রতিষ্ঠানগুলো হলো-চকদেবীরাম-চকভোলাই আলিম মাদ্রাসা, কুসুম্বা শাহী দাখিল মাদ্রাসা ও রামনগর দাখিল মাদ্রাসা। নন-এমপিওভুক্ত প্রতিষ্ঠান দুটি হলো-চকরঘুনাথ দাখিল মাদ্রাসা ও এলেঙ্গা ইসলামিয়া দাখিল মাদ্রাসা। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন দাখিল পরীক্ষার কেন্দ্র সচিব অধ্যক্ষ মামুনুর রশীদ।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, চকদেবীরাম-চকভোলাই আলিম মাদ্রাসা থেকে এবারের দাখিল পরীক্ষায় অংশ নেয় ১৫ জন শিক্ষার্থী। প্রতিষ্ঠানটিতে শিক্ষক-কর্মচারী রয়েছেন ২৮ জন। পরীক্ষার্থীর সংখ্যার তুলনায় শিক্ষক-কর্মচারীর সংখ্যাও উল্লেখযোগ্য। এরপরও কোনো শিক্ষার্থী পাস না করায় বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় অভিভাবকদের মধ্যে ক্ষোভ ও হতাশা তৈরি হয়েছে।
অন্যদিকে কুসুম্বা শাহী দাখিল মাদ্রাসা থেকে ৯ জন, রামনগর দাখিল মাদ্রাসা থেকে ১৩ জন, চকরঘুনাথ দাখিল মাদ্রাসা থেকে ১৩ জন এবং এলেঙ্গা ইসলামিয়া দাখিল মাদ্রাসা থেকে ৬ জন পরীক্ষার্থী দাখিল পরীক্ষায় অংশ নেয়। পাঁচটি প্রতিষ্ঠান মিলিয়ে ৫৬ জন পরীক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিলেও একজনও উত্তীর্ণ হতে পারেনি।
স্থানীয় অভিভাবক ও বাসিন্দাদের অভিযোগ, শিক্ষার্থীদের নিয়মিত পাঠদান, উপস্থিতি নিশ্চিত করা এবং পরীক্ষার্থীদের প্রস্তুতির ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর কার্যকর ভূমিকা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই প্রশ্ন রয়েছে। শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার নিয়মিত মূল্যায়ন, দুর্বল শিক্ষার্থীদের জন্য অতিরিক্ত পাঠদান বা বিশেষ প্রস্তুতির ব্যবস্থা ছিল কিনা এসব বিষয়ও খতিয়ে দেখার দাবি জানিয়েছেন তারা।
চকদেবীরাম-চকভোলাই আলিম মাদ্রাসার ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ জালাল উদ্দিন বলেন, ‘এবার আমাদের প্রতিষ্ঠান থেকে ১৫ জন শিক্ষার্থী দাখিল পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিল। অত্যন্ত হতাশার বিষয়, তাদের সবাই ফেল করেছে।’
এ বিষয়ে মান্দা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আখতার জাহান সাথী বলেন, ‘শতভাগ ফেল করা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর প্রধানদের সঙ্গে বৈঠকের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এরপর পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।’#