০৪:৪০ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৫ অগাস্ট ২০২৬

বাগমারায় নিষিদ্ধ চায়না দুয়ারী জাল জব্দ, ধ্বংস

শামীম রেজা
  • আপডেট সময়ঃ ০৩:৩০:৪২ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৫ অগাস্ট ২০২৬
  • / ১৪ বার পড়া হয়েছে।

 

বাগমারা প্রতিনিধি
রাজশাহীর বাগমারায় নিষিদ্ধ চায়না দুয়ারী জাল দিয়ে মাছ ও জলজ প্রাণী ধ্বংসের অভিযোগে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হয়েছে। শনিবার (১৫ আগস্ট) সকাল ১০টা থেকে দুপুর সাড়ে ১টা পর্যন্ত ভবানীগঞ্জ পৌরসভার ফকিরনী নদী (রানী নদী) ও বারনই নদীর সংযোগস্থলে, বাগমারা থানার পূর্ব পাশে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও বিজ্ঞ এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মিজানুর রহমানের নেতৃত্বে পরিচালিত অভিযানে নিষিদ্ধ ৫৫টি চায়না দুয়ারী জাল জব্দ করা হয়। জব্দ করা জালগুলোর আনুমানিক মূল্য প্রায় ২ লাখ টাকা। পরে জব্দ করা জালগুলো ধ্বংস করা হয়।

মৎস্য রক্ষা ও সংরক্ষণ আইন, ১৯৫০-এর আওতায় এ মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হয়।
অভিযানে উপস্থিত ছিলেন বাগমারা উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা আখতারুজ্জামান এবং বাগমারা থানার এসআই (নিঃ) রুবেল।

মৎস্য ও জলজ প্রাণীর প্রজনন ও স্বাভাবিক বিচরণ নিশ্চিত করতে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে সংশ্লিষ্টরা জানান।

ট্যাগসঃ

নিউজটি শেয়ার করুন

বিস্তারিত লিখুনঃ

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষণ করুন

আপলোডকারীর তথ্য

বাগমারায় নিষিদ্ধ চায়না দুয়ারী জাল জব্দ, ধ্বংস

আপডেট সময়ঃ ০৩:৩০:৪২ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৫ অগাস্ট ২০২৬

 

বাগমারা প্রতিনিধি
রাজশাহীর বাগমারায় নিষিদ্ধ চায়না দুয়ারী জাল দিয়ে মাছ ও জলজ প্রাণী ধ্বংসের অভিযোগে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হয়েছে। শনিবার (১৫ আগস্ট) সকাল ১০টা থেকে দুপুর সাড়ে ১টা পর্যন্ত ভবানীগঞ্জ পৌরসভার ফকিরনী নদী (রানী নদী) ও বারনই নদীর সংযোগস্থলে, বাগমারা থানার পূর্ব পাশে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও বিজ্ঞ এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মিজানুর রহমানের নেতৃত্বে পরিচালিত অভিযানে নিষিদ্ধ ৫৫টি চায়না দুয়ারী জাল জব্দ করা হয়। জব্দ করা জালগুলোর আনুমানিক মূল্য প্রায় ২ লাখ টাকা। পরে জব্দ করা জালগুলো ধ্বংস করা হয়।

মৎস্য রক্ষা ও সংরক্ষণ আইন, ১৯৫০-এর আওতায় এ মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হয়।
অভিযানে উপস্থিত ছিলেন বাগমারা উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা আখতারুজ্জামান এবং বাগমারা থানার এসআই (নিঃ) রুবেল।

মৎস্য ও জলজ প্রাণীর প্রজনন ও স্বাভাবিক বিচরণ নিশ্চিত করতে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে সংশ্লিষ্টরা জানান।