০৯:৪২ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬

মোহনপুরে সার ডিলারের বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ

আলিফ হোসেন
  • আপডেট সময়ঃ ০৭:৫৬:০৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬
  • / ৪৩ বার পড়া হয়েছে।

আলিফ হোসেন, তানোর(রাজশাহী)প্রতিনিধিঃ
রাজশাহীর তানোরের সীমান্তবর্তী মোহনপুর উপজেলার কেশরহাট পৌরসভায় ডিএপি সার বিতরণ নিয়ে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে সার ডিলার আব্দুল আজিজের বিরুদ্ধে। কৃষকদের অভিযোগ, ডিএপি সার মজুত থাকা সত্ত্বেও ‘সার নেই’ বলে তাঁদের ফিরিয়ে দেওয়া হচ্ছে। এতে প্রয়োজনীয় সার না পেয়ে হতাশা নিয়ে বাড়ি ফিরছেন কৃষকরা।কিন্ত্ত কৌশলে তার আত্মীয়-স্বজনের সার দেয়া হচ্ছে।প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বেশি টাকা দিলেই কৌশলে তাদের সার দেয়া হয়েছে।অথচ দিনভর লাইনে দাঁড়িয়ে থেকেও সিংহভাগ কৃষক সার না নিয়ে ফিরে গেছেন।
জানা গেছে, রোববার (২৫ অক্টোবর) সকাল থেকে কেশরহাট পৌরসভার মেসার্স আশা ট্রেডার্সে সার নিতে আসা কৃষকদের ভিড় দেখা যায়। এ সময় সার না পেয়ে অনেক কৃষককে ফিরে যেতে হয় বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।কৃষকেরা বলছে,আজ সার না পেলে রাতের আঁধারে সার পাচার করে দিয়ে বলবে সার নাই শেষ হয়ে গেছে।কারণ এমন ঘটনা এর আগেও ঘটেছে।
এদিকে সার মজুত থাকার পরেও কেনো কৃষকদের তাৎক্ষণিকভাবে দেওয়া হচ্ছে না, তা নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। কৃষকদের প্রয়োজন অনুযায়ী সার সরবরাহ নিশ্চিত করা না গেলে চলতি মৌসুমে ফসল উৎপাদন ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা।
কৃষকদের অভিযোগের সত্যতা যাচাই করে সার মজুত, বিতরণ ও বরাদ্দের হিসাব খতিয়ে দেখা প্রয়োজন বলে মনে করছেন স্থানীয়রা। সরকারি সার বিতরণে কোনো ধরনের অনিয়ম হয়ে থাকলে তা তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তাঁরা।
কৃষকদের প্রশ্ন, প্রয়োজনের সময় সার না পেয়ে তাঁদের বারবার ফিরে যেতে হলে কৃষি উৎপাদন কীভাবে স্বাভাবিক থাকবে ? এ পরিস্থিতিতে সংশ্লিষ্ট কৃষি বিভাগ ও প্রশাসনের কার্যকর পদক্ষেপ কামনা করছেন ভুক্তভোগীরা।
অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে ডিলার আব্দুল আজিজ এসব অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, সার ছিল, আগামীকাল দেওয়া হবে। আজ ভিড়ের কারণে সবাইকে সার দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না।

ট্যাগসঃ

নিউজটি শেয়ার করুন

বিস্তারিত লিখুনঃ

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষণ করুন

আপলোডকারীর তথ্য

মোহনপুরে সার ডিলারের বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ

আপডেট সময়ঃ ০৭:৫৬:০৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬

আলিফ হোসেন, তানোর(রাজশাহী)প্রতিনিধিঃ
রাজশাহীর তানোরের সীমান্তবর্তী মোহনপুর উপজেলার কেশরহাট পৌরসভায় ডিএপি সার বিতরণ নিয়ে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে সার ডিলার আব্দুল আজিজের বিরুদ্ধে। কৃষকদের অভিযোগ, ডিএপি সার মজুত থাকা সত্ত্বেও ‘সার নেই’ বলে তাঁদের ফিরিয়ে দেওয়া হচ্ছে। এতে প্রয়োজনীয় সার না পেয়ে হতাশা নিয়ে বাড়ি ফিরছেন কৃষকরা।কিন্ত্ত কৌশলে তার আত্মীয়-স্বজনের সার দেয়া হচ্ছে।প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বেশি টাকা দিলেই কৌশলে তাদের সার দেয়া হয়েছে।অথচ দিনভর লাইনে দাঁড়িয়ে থেকেও সিংহভাগ কৃষক সার না নিয়ে ফিরে গেছেন।
জানা গেছে, রোববার (২৫ অক্টোবর) সকাল থেকে কেশরহাট পৌরসভার মেসার্স আশা ট্রেডার্সে সার নিতে আসা কৃষকদের ভিড় দেখা যায়। এ সময় সার না পেয়ে অনেক কৃষককে ফিরে যেতে হয় বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।কৃষকেরা বলছে,আজ সার না পেলে রাতের আঁধারে সার পাচার করে দিয়ে বলবে সার নাই শেষ হয়ে গেছে।কারণ এমন ঘটনা এর আগেও ঘটেছে।
এদিকে সার মজুত থাকার পরেও কেনো কৃষকদের তাৎক্ষণিকভাবে দেওয়া হচ্ছে না, তা নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। কৃষকদের প্রয়োজন অনুযায়ী সার সরবরাহ নিশ্চিত করা না গেলে চলতি মৌসুমে ফসল উৎপাদন ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা।
কৃষকদের অভিযোগের সত্যতা যাচাই করে সার মজুত, বিতরণ ও বরাদ্দের হিসাব খতিয়ে দেখা প্রয়োজন বলে মনে করছেন স্থানীয়রা। সরকারি সার বিতরণে কোনো ধরনের অনিয়ম হয়ে থাকলে তা তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তাঁরা।
কৃষকদের প্রশ্ন, প্রয়োজনের সময় সার না পেয়ে তাঁদের বারবার ফিরে যেতে হলে কৃষি উৎপাদন কীভাবে স্বাভাবিক থাকবে ? এ পরিস্থিতিতে সংশ্লিষ্ট কৃষি বিভাগ ও প্রশাসনের কার্যকর পদক্ষেপ কামনা করছেন ভুক্তভোগীরা।
অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে ডিলার আব্দুল আজিজ এসব অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, সার ছিল, আগামীকাল দেওয়া হবে। আজ ভিড়ের কারণে সবাইকে সার দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না।