০২:৩১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

গোবর আর কেঁচোতেই ভাগ্য বদল: পাঁচবিবিতে লাভজনক ভার্মি কম্পোস্ট কারখানা

মাফিজুল ইসলাম
  • আপডেট সময়ঃ ০৬:৫৯:২৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • / ২৯ বার পড়া হয়েছে।

জয়পুরহাট প্রতিনিধি:

জয়পুরহাটের পাঁচবিবি উপজেলার ঠেংগাপাড়া গ্রামে গোবর ও কেঁচো থেকে ভার্মি কম্পোস্ট জৈব সার উৎপাদন করে সফলতার মুখ দেখছেন দুই বন্ধু তুহিন রেজা ও রবিন।

তাদের “তুহিন রেজা ভার্মি কম্পোস্ট” কারখানাটি এখন এলাকার বেকার যুবকদের জন্য অনুপ্রেরণা হয়ে উঠেছে।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, বাড়ির আঙিনায় ছোট পরিসরেই এই কারখানা গড়ে তুলেছেন তারা। গরুর গোবর ও বিশেষ জাতের কেঁচোর মাধ্যমে ২৪-৩০ দিনেই উৎপাদন হচ্ছে উন্নতমানের জৈব সার।

এ বিষয়ে তুহিন রেজা বলেন, এটা খুবই লাভজনক প্রতিষ্ঠান। আপনি যে পরিমাণ টাকা খরচ করবেন, তার প্রায় অর্ধেকই লাভ থাকে। যারা বেকার যুবক আছেন, বাড়িতে বসে না থেকে তারাও আমাদের মতো ভার্মি কারখানা তৈরি করে নিজের ভাগ্যের পরিবর্তন করতে পারেন।
কারখানার অপর উদ্যোক্তা রবিন জানান, রাসায়নিক সারের বিকল্প হিসেবে কৃষকরা এখন এই জৈব সারের দিকে ঝুঁকছেন। এতে জমির উর্বরতা বাড়ার পাশাপাশি ফলনও ভালো হচ্ছে।
স্থানীয় কৃষকরা বলছেন, এই জৈব সার ব্যবহারে ফসলের খরচ কমছে এবং পরিবেশও ভালো থাকছে।
তুহিন ও রবিনের এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন এলাকার কৃষি সংশ্লিষ্টরা।

তুহিন এর ফোন নাম্বার
০১৬০৬০৮২৩৫২

ট্যাগসঃ

নিউজটি শেয়ার করুন

বিস্তারিত লিখুনঃ

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষণ করুন

আপলোডকারীর তথ্য

গোবর আর কেঁচোতেই ভাগ্য বদল: পাঁচবিবিতে লাভজনক ভার্মি কম্পোস্ট কারখানা

আপডেট সময়ঃ ০৬:৫৯:২৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

জয়পুরহাট প্রতিনিধি:

জয়পুরহাটের পাঁচবিবি উপজেলার ঠেংগাপাড়া গ্রামে গোবর ও কেঁচো থেকে ভার্মি কম্পোস্ট জৈব সার উৎপাদন করে সফলতার মুখ দেখছেন দুই বন্ধু তুহিন রেজা ও রবিন।

তাদের “তুহিন রেজা ভার্মি কম্পোস্ট” কারখানাটি এখন এলাকার বেকার যুবকদের জন্য অনুপ্রেরণা হয়ে উঠেছে।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, বাড়ির আঙিনায় ছোট পরিসরেই এই কারখানা গড়ে তুলেছেন তারা। গরুর গোবর ও বিশেষ জাতের কেঁচোর মাধ্যমে ২৪-৩০ দিনেই উৎপাদন হচ্ছে উন্নতমানের জৈব সার।

এ বিষয়ে তুহিন রেজা বলেন, এটা খুবই লাভজনক প্রতিষ্ঠান। আপনি যে পরিমাণ টাকা খরচ করবেন, তার প্রায় অর্ধেকই লাভ থাকে। যারা বেকার যুবক আছেন, বাড়িতে বসে না থেকে তারাও আমাদের মতো ভার্মি কারখানা তৈরি করে নিজের ভাগ্যের পরিবর্তন করতে পারেন।
কারখানার অপর উদ্যোক্তা রবিন জানান, রাসায়নিক সারের বিকল্প হিসেবে কৃষকরা এখন এই জৈব সারের দিকে ঝুঁকছেন। এতে জমির উর্বরতা বাড়ার পাশাপাশি ফলনও ভালো হচ্ছে।
স্থানীয় কৃষকরা বলছেন, এই জৈব সার ব্যবহারে ফসলের খরচ কমছে এবং পরিবেশও ভালো থাকছে।
তুহিন ও রবিনের এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন এলাকার কৃষি সংশ্লিষ্টরা।

তুহিন এর ফোন নাম্বার
০১৬০৬০৮২৩৫২