০৫:১০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬

চাঁপাইনবাবগঞ্জ সরকারি মহিলা কলেজে ১০ জন দরিদ্র মেধাবী শিক্ষার্থীদের বৃত্তি প্রদান

মাহিদুল ইসলাম ফরহাদ
  • আপডেট সময়ঃ ০৬:৪০:২৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৮ ডিসেম্বর ২০২৫
  • / ৮৮ বার পড়া হয়েছে।

চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি:

চাঁপাইনবাবগঞ্জ সরকারি মহিলা কলেজের প্রয়াত শিক্ষক প্রফেসর মুসলিমা খাতুনের স্মরণে ১০ জন দরিদ্র ও মেধাবী শিক্ষার্থীর মাঝে আর্থিক বৃত্তি প্রদান করা হয়েছে। রবিবার (২৮ ডিসেম্বর) সকাল ১১টায় কলেজের শিক্ষক মিলনায়তনে এক অনাড়ম্বর অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এই বৃত্তি প্রদান করা হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চাঁপাইনবাবগঞ্জ সরকারি মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর ড. বিপ্লব কুমার মজুমদার। এসময় প্রয়াত প্রফেসর মুসলিমা খাতুনের পরিবার-পরিজন ও আত্মীয়স্বজনরা উপস্থিত থেকে শিক্ষার্থীদের হাতে বৃত্তির অর্থ তুলে দেন। বক্তারা বলেন, প্রফেসর মুসলিমা খাতুন ছিলেন একজন নিবেদিতপ্রাণ শিক্ষক। শিক্ষার্থীদের প্রতি তার আন্তরিকতা ও মানবিক দৃষ্টিভঙ্গি আজও কলেজের সকলের কাছে স্মরণীয়। তার স্মৃতির উদ্দেশ্যে এই বৃত্তি ব্যবস্থা ভবিষ্যতেও চালু থাকবে বলে আশা প্রকাশ করা হয়।
অনুষ্ঠান শেষে বৃত্তি প্রাপ্ত শিক্ষার্থীরা এমন উদ্যোগের জন্য প্রয়াত শিক্ষকের পরিবারের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

ট্যাগসঃ

নিউজটি শেয়ার করুন

বিস্তারিত লিখুনঃ

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষণ করুন

আপলোডকারীর তথ্য

চাঁপাইনবাবগঞ্জ সরকারি মহিলা কলেজে ১০ জন দরিদ্র মেধাবী শিক্ষার্থীদের বৃত্তি প্রদান

আপডেট সময়ঃ ০৬:৪০:২৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৮ ডিসেম্বর ২০২৫

চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি:

চাঁপাইনবাবগঞ্জ সরকারি মহিলা কলেজের প্রয়াত শিক্ষক প্রফেসর মুসলিমা খাতুনের স্মরণে ১০ জন দরিদ্র ও মেধাবী শিক্ষার্থীর মাঝে আর্থিক বৃত্তি প্রদান করা হয়েছে। রবিবার (২৮ ডিসেম্বর) সকাল ১১টায় কলেজের শিক্ষক মিলনায়তনে এক অনাড়ম্বর অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এই বৃত্তি প্রদান করা হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চাঁপাইনবাবগঞ্জ সরকারি মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর ড. বিপ্লব কুমার মজুমদার। এসময় প্রয়াত প্রফেসর মুসলিমা খাতুনের পরিবার-পরিজন ও আত্মীয়স্বজনরা উপস্থিত থেকে শিক্ষার্থীদের হাতে বৃত্তির অর্থ তুলে দেন। বক্তারা বলেন, প্রফেসর মুসলিমা খাতুন ছিলেন একজন নিবেদিতপ্রাণ শিক্ষক। শিক্ষার্থীদের প্রতি তার আন্তরিকতা ও মানবিক দৃষ্টিভঙ্গি আজও কলেজের সকলের কাছে স্মরণীয়। তার স্মৃতির উদ্দেশ্যে এই বৃত্তি ব্যবস্থা ভবিষ্যতেও চালু থাকবে বলে আশা প্রকাশ করা হয়।
অনুষ্ঠান শেষে বৃত্তি প্রাপ্ত শিক্ষার্থীরা এমন উদ্যোগের জন্য প্রয়াত শিক্ষকের পরিবারের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।