দূর্গাপুরে আধুনিক পদ্ধতিতে ধানক্ষেতে পোকামাকড় পর্যবেক্ষণে আলোক ফাঁদে পোকা দমন
- আপডেট সময়ঃ ০৯:০৫:০৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ৮ অক্টোবর ২০২৫
- / ২৭২ বার পড়া হয়েছে।

ডিপিডি প্রতিবেদক:
রাজশাহী দূর্গাপুরে কৃষকদের সঙ্গে মাঠ প্রদর্শনী ও বিজ্ঞানসম্মত বালাই ব্যবস্থাপনা বিষয়ক আলোচনা করা হয়।
ধানক্ষেতে পোকামাকড়ের প্রকৃতি, ঘনত্ব ও বিস্তারের অবস্থা জানার লক্ষ্যে রাজশাহীর দূর্গাপুর উপজেলার ২২টি কৃষি ব্লকে আলোক ফাঁদ (Light Trap) স্থাপন করেছে উপজেলা কৃষি অফিস। এ কার্যক্রমের মাধ্যমে মাঠ পর্যায়ে বিভিন্ন ক্ষতিকর পোকার উপস্থিতি নির্ণয় করে, তাৎক্ষণিক দমন ব্যবস্থা ও কৃষকদের সচেতনতা বৃদ্ধি করা হচ্ছে।
উপজেলা কৃষি অফিসার সাহানা পারভীন লাবনী, অতিরিক্ত কৃষি অফিসার মোঃ ফরিদ হোসাইন ও কৃষি সম্প্রসারণ অফিসার মোঃ তোহিদুর রহমান এর তত্ত্বাবধানে এ উদ্যোগ বাস্তবায়ন করা হয়। প্রতিটি কৃষি ব্লকে আধুনিক আলোক ফাঁদ স্থাপনের সময় স্থানীয় কৃষকদের উপস্থিতিতে মাঠে সংগৃহীত পোকামাকড় সরাসরি প্রদর্শন করা হয় এবং ক্ষতিকর ও উপকারী পোকামাকড়ের পার্থক্য,ক্ষতির ধরন ও দমন পদ্ধতি বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সাহানা পারভীন লাবনী বলেন, “আলোক ফাঁদের মাধ্যমে পোকামাকড়ের উপস্থিতি দ্রুত জানা যায়। এতে কৃষকদের আগাম সতর্কতা দেওয়া সম্ভব হয় এবং অপ্রয়োজনীয় বালাইনাশক ব্যবহারও কমে আসে।”
সাম্প্রতিক পর্যবেক্ষণে আলোক ফাঁদে পাতামোড়া পোকা, গাছফড়িং ও মাজরা পোকা সহ কয়েকটি ক্ষতিকর পোকা ধরা পড়েছে। এসব তথ্য বিশ্লেষণ করে মাঠ পর্যায়ের কৃষকদের সময়োপযোগী পরামর্শ প্রদান করা হচ্ছে।
কৃষকরা জানান, আলোক ফাঁদ স্থাপনের ফলে পোকামাকড়ের উপস্থিতি সহজে বোঝা যায়, ফলে সময়মতো প্রতিকারমূলক ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব হয় এবং ধানের ফলনও উন্নত হয়।
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের এ উদ্যোগকে স্থানীয় কৃষকরা অত্যন্ত ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন। তারা আশা প্রকাশ করেছেন, নিয়মিত এ ধরনের পর্যবেক্ষণ কার্যক্রম চালু থাকলে ধানের উৎপাদন আরও বৃদ্ধি পাবে।


















