০৩:০৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৩ মে ২০২৬

দুর্গাপুরে রাস্তার মাঝখানে গাছ, চরম দুর্ভোগে ১৫-২০টি পরিবার ‎

দুর্গাপুর (রাজশাহী) প্রতিনিধি:
  • আপডেট সময়ঃ ০৮:১৬:৪৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২৬
  • / ৯ বার পড়া হয়েছে।

দুর্গাপুর (রাজশাহী) প্রতিনিধি:

রাজশাহী দুর্গাপুর উপজেলার ২ নং কিসমতগনকৈড় ইউনিয়নের উজালখলশী গ্রামে সরকার পাড়া পীরপাল মহল্লায় দীর্ঘদিন ধরে রাস্তার মাঝখানে ৪-৫ টি নারিকেল ও মেহগুনি গাছ থাকার কারণে স্থানীয় অন্তত ১৫-২০টি পরিবার চালাচলের জন্য চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন। বর্ষাকালে রাস্তা পিচ্ছিল হয়ে গেলে চলাচল আরও কষ্টকর হয়ে পড়ে তাদের। অনেক সময় ছোটখাটো দুর্ঘটনাও ঘটছে। দ্রুত গাছগুলো অপসারণ করে রাস্তা পুরোপুরি চলাচলের উপযোগী করার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। স্থানীয়রা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে দাবি করেন, দ্রুত বিষয়টি পরিদর্শন করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন, যাতে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ কমে এবং রাস্তাটির প্রকৃত সুবিধা নিশ্চিত করা হয়।

‎জানাগেছে, বেলঘরিয়া প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও দুর্গাপুর উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির সভাপতি মোহাম্মদ আলী সরকার (মাষ্টার) গাছ গুলোর প্রকৃত মালিক। রাস্তার নির্মাণের সময় তাকে গাছ গুলো কেটে ফেলার কথা বলা হলেও তিনি তার ক্ষমতা দেখিয়ে গাছ গুলো না কেটেই রাস্তার কাজ শেষ করতে বলে।

‎স্থানীয় বাসীন্দাদের অভিযোগ, গ্রামের গুরুত্বপূর্ণ এই রাস্তাটি সংস্কার করা হলেও মাঝখানে গাছগুলোর থাকার কারণে রাস্তাটির পূর্ণ কাজ করা সম্ভব হয়নি। যত্রতত্র ভাবে রাস্তা নির্মাণের কাজ শেষ করা হয়েছে। প্রতিদিন ছাত্র-ছাত্রীরা, নারী ও বৃদ্ধসহ সাধারণ মানুষ ঝুঁকি নিয়ে যানবাহন নিয়ে চলাচল করছেন। বিশেষ করে মোটরসাইকেল, ভ্যান কিংবা জরুরি রোগী বহনে মারাত্মক সমস্যার সৃষ্টি হচ্ছে গাছ গুলো থাকার কারনে।

‎স্থানীয় বাসিন্দা ভ্যানচালক আবুল কাশেম বলেন,
‎রাস্তা হয়েছে ঠিকই, কিন্তু মাঝখানে গাছগুলো থাকার কারনে ভালো করে ভ্যান নিয়ে চলাচল করা যায় না। অসুস্থ রোগী বা বৃদ্ধ মানুষ নিয়ে যেতে খুবই কষ্ট হয়।

‎ভ্যান চালক ইসরাফিল বলেন, সরকার রাস্তা করে দিয়েছে ঠিকই। তবে গাছ গুলো থাকার কারণে আমরা সেই সুবিধা পাচ্ছি না। দ্রুত গাছ গুলো কেটে ফেলার ব্যবস্থা নিলে এলাকাবাসী উপকৃত হবে।

‎এ বিষয়ে প্রধান শিক্ষক মোহাম্মাদ আলীর কাছে জানতে চেয়ে একাধিকবার তাকে ফোন করা হলে তিনি ফোন রিসিভ করেননি। এছাড়াও তাকে বিদ্যালয়ে গিয়েও পাওয়া যায়নি।

‎এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মাশতুরা আমিনা জানান, এ রকম কোন বিষয়ে আমার কাছে লিখিত কোন অভিযোগ এখনো আসেনি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

ট্যাগসঃ

নিউজটি শেয়ার করুন

বিস্তারিত লিখুনঃ

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষণ করুন

আপলোডকারীর তথ্য

দুর্গাপুরে রাস্তার মাঝখানে গাছ, চরম দুর্ভোগে ১৫-২০টি পরিবার ‎

আপডেট সময়ঃ ০৮:১৬:৪৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২৬

দুর্গাপুর (রাজশাহী) প্রতিনিধি:

রাজশাহী দুর্গাপুর উপজেলার ২ নং কিসমতগনকৈড় ইউনিয়নের উজালখলশী গ্রামে সরকার পাড়া পীরপাল মহল্লায় দীর্ঘদিন ধরে রাস্তার মাঝখানে ৪-৫ টি নারিকেল ও মেহগুনি গাছ থাকার কারণে স্থানীয় অন্তত ১৫-২০টি পরিবার চালাচলের জন্য চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন। বর্ষাকালে রাস্তা পিচ্ছিল হয়ে গেলে চলাচল আরও কষ্টকর হয়ে পড়ে তাদের। অনেক সময় ছোটখাটো দুর্ঘটনাও ঘটছে। দ্রুত গাছগুলো অপসারণ করে রাস্তা পুরোপুরি চলাচলের উপযোগী করার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। স্থানীয়রা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে দাবি করেন, দ্রুত বিষয়টি পরিদর্শন করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন, যাতে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ কমে এবং রাস্তাটির প্রকৃত সুবিধা নিশ্চিত করা হয়।

‎জানাগেছে, বেলঘরিয়া প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও দুর্গাপুর উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির সভাপতি মোহাম্মদ আলী সরকার (মাষ্টার) গাছ গুলোর প্রকৃত মালিক। রাস্তার নির্মাণের সময় তাকে গাছ গুলো কেটে ফেলার কথা বলা হলেও তিনি তার ক্ষমতা দেখিয়ে গাছ গুলো না কেটেই রাস্তার কাজ শেষ করতে বলে।

‎স্থানীয় বাসীন্দাদের অভিযোগ, গ্রামের গুরুত্বপূর্ণ এই রাস্তাটি সংস্কার করা হলেও মাঝখানে গাছগুলোর থাকার কারণে রাস্তাটির পূর্ণ কাজ করা সম্ভব হয়নি। যত্রতত্র ভাবে রাস্তা নির্মাণের কাজ শেষ করা হয়েছে। প্রতিদিন ছাত্র-ছাত্রীরা, নারী ও বৃদ্ধসহ সাধারণ মানুষ ঝুঁকি নিয়ে যানবাহন নিয়ে চলাচল করছেন। বিশেষ করে মোটরসাইকেল, ভ্যান কিংবা জরুরি রোগী বহনে মারাত্মক সমস্যার সৃষ্টি হচ্ছে গাছ গুলো থাকার কারনে।

‎স্থানীয় বাসিন্দা ভ্যানচালক আবুল কাশেম বলেন,
‎রাস্তা হয়েছে ঠিকই, কিন্তু মাঝখানে গাছগুলো থাকার কারনে ভালো করে ভ্যান নিয়ে চলাচল করা যায় না। অসুস্থ রোগী বা বৃদ্ধ মানুষ নিয়ে যেতে খুবই কষ্ট হয়।

‎ভ্যান চালক ইসরাফিল বলেন, সরকার রাস্তা করে দিয়েছে ঠিকই। তবে গাছ গুলো থাকার কারণে আমরা সেই সুবিধা পাচ্ছি না। দ্রুত গাছ গুলো কেটে ফেলার ব্যবস্থা নিলে এলাকাবাসী উপকৃত হবে।

‎এ বিষয়ে প্রধান শিক্ষক মোহাম্মাদ আলীর কাছে জানতে চেয়ে একাধিকবার তাকে ফোন করা হলে তিনি ফোন রিসিভ করেননি। এছাড়াও তাকে বিদ্যালয়ে গিয়েও পাওয়া যায়নি।

‎এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মাশতুরা আমিনা জানান, এ রকম কোন বিষয়ে আমার কাছে লিখিত কোন অভিযোগ এখনো আসেনি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।