০৪:২৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৬

বাগমারায় চার বছরের শিশুকে বলাৎকারের অভিযোগ, যুবক পলাতক

রিপোর্টার নামঃ
  • আপডেট সময়ঃ ০৮:০০:৪৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ অক্টোবর ২০২৬
  • / ৫১২ বার পড়া হয়েছে।

বাগমারা প্রতিনিধি:
রাজশাহীর বাগমারা উপজেলায় চার বছর বয়সী এক শিশুকে বলাৎকারের অভিযোগ উঠেছে ইমন (১৮) নামে এক যুবকের বিরুদ্ধে। ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত ইমন পলাতক রয়েছে। গুরুতর আহত অবস্থায় শিশুটিকে প্রথমে বাগমারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (রামেক) পাঠানো হয়েছে।

বর্তমানে শিশুটি রামেক হাসপাতালের ৯ নম্বর ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন রয়েছে।
এলাকাবাসী ও শিশুটির পরিবারের সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার বেলা ১১ টার দিকে উপজেলার বাসুপাড়া ইউনিয়নের ঠাকুরপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। অভিযুক্ত ইমন ওই গ্রামের বেলাল হোসেনের ছেলে এবং ঠাকুরপাড়া গ্রামের জাহাঙ্গীর আলমের রাইস মিলে কাজ করত।

শিশুটির পরিবারের অভিযোগ, বাড়িতে খেলাধুলা করার সময় ইমন অন্য একজনের মাধ্যমে শিশুটিকে রাইস মিলে ডেকে নেয়। সেখানে নিয়ে শিশুটির সঙ্গে বলাৎকারের ঘটনা ঘটানো হয় বলে অভিযোগ পরিবারের।

ঘটনার পর শিশুটি কান্নাকাটি করতে করতে পরিবারের সদস্যদের কাছে বিষয়টি জানায়। পরে তার পরনের পোশাক রক্তমাখা ও ভেজা অবস্থায় পাওয়া যায়। শিশুটির শরীরের পেছনের অংশে গুরুতর জখম হওয়ায় রক্তক্ষরণ হচ্ছে বলে পরিবারের সদস্যরা জানিয়েছেন।

শিশুটির বাবা বলেন, ইমন তার ছেলেকে রাইস মিলে ডেকে নিয়ে যায়। সেখানে তার সঙ্গে খারাপ কাজ করা হয়েছে। এতে শিশুটির পেছনের অংশে গুরুতর জখম হয়েছে এবং রক্তক্ষরণ বন্ধ হচ্ছে না। ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত ইমনের সন্ধান করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।

শিশুটির পরিবারের পক্ষ থেকে আরও জানানো হয়, ঘটনার পর দ্রুত তাকে বাগমারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে চিকিৎসকরা উন্নত চিকিৎসার জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠান। বর্তমানে সেখানেই তার চিকিৎসা চলছে।

ঘটনার পর অভিযুক্ত ইমন পলাতক থাকায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। পরিবারের সদস্যরা অভিযুক্তকে দ্রুত আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।

এ বিষয়ে বাগমারা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তৌহিদুল ইসলাম বলেন, এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোনো অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ট্যাগসঃ

নিউজটি শেয়ার করুন

বিস্তারিত লিখুনঃ

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষণ করুন

আপলোডকারীর তথ্য

বাগমারায় চার বছরের শিশুকে বলাৎকারের অভিযোগ, যুবক পলাতক

আপডেট সময়ঃ ০৮:০০:৪৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ অক্টোবর ২০২৬

বাগমারা প্রতিনিধি:
রাজশাহীর বাগমারা উপজেলায় চার বছর বয়সী এক শিশুকে বলাৎকারের অভিযোগ উঠেছে ইমন (১৮) নামে এক যুবকের বিরুদ্ধে। ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত ইমন পলাতক রয়েছে। গুরুতর আহত অবস্থায় শিশুটিকে প্রথমে বাগমারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (রামেক) পাঠানো হয়েছে।

বর্তমানে শিশুটি রামেক হাসপাতালের ৯ নম্বর ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন রয়েছে।
এলাকাবাসী ও শিশুটির পরিবারের সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার বেলা ১১ টার দিকে উপজেলার বাসুপাড়া ইউনিয়নের ঠাকুরপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। অভিযুক্ত ইমন ওই গ্রামের বেলাল হোসেনের ছেলে এবং ঠাকুরপাড়া গ্রামের জাহাঙ্গীর আলমের রাইস মিলে কাজ করত।

শিশুটির পরিবারের অভিযোগ, বাড়িতে খেলাধুলা করার সময় ইমন অন্য একজনের মাধ্যমে শিশুটিকে রাইস মিলে ডেকে নেয়। সেখানে নিয়ে শিশুটির সঙ্গে বলাৎকারের ঘটনা ঘটানো হয় বলে অভিযোগ পরিবারের।

ঘটনার পর শিশুটি কান্নাকাটি করতে করতে পরিবারের সদস্যদের কাছে বিষয়টি জানায়। পরে তার পরনের পোশাক রক্তমাখা ও ভেজা অবস্থায় পাওয়া যায়। শিশুটির শরীরের পেছনের অংশে গুরুতর জখম হওয়ায় রক্তক্ষরণ হচ্ছে বলে পরিবারের সদস্যরা জানিয়েছেন।

শিশুটির বাবা বলেন, ইমন তার ছেলেকে রাইস মিলে ডেকে নিয়ে যায়। সেখানে তার সঙ্গে খারাপ কাজ করা হয়েছে। এতে শিশুটির পেছনের অংশে গুরুতর জখম হয়েছে এবং রক্তক্ষরণ বন্ধ হচ্ছে না। ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত ইমনের সন্ধান করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।

শিশুটির পরিবারের পক্ষ থেকে আরও জানানো হয়, ঘটনার পর দ্রুত তাকে বাগমারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে চিকিৎসকরা উন্নত চিকিৎসার জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠান। বর্তমানে সেখানেই তার চিকিৎসা চলছে।

ঘটনার পর অভিযুক্ত ইমন পলাতক থাকায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। পরিবারের সদস্যরা অভিযুক্তকে দ্রুত আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।

এ বিষয়ে বাগমারা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তৌহিদুল ইসলাম বলেন, এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোনো অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।