১১:২৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

সান্তাহার ইউপির দড়িয়াপুর গ্রামে ৩ লাখ টাকা ব্যয়ে শেষ হচ্ছে রাস্তার অসমাপ্ত কাজ

আমিনুল ইসলাম সোহাগ
  • আপডেট সময়ঃ ০৯:৩৪:১০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • / ১৭ বার পড়া হয়েছে।

আদমদীঘি (বগুড়া) প্রতিনিধি:

বগুড়ার সান্তাহার ইউনিয়নের দড়িয়াপুর গ্রামের একটি রাস্তার প্রায় ১৩৮ মিটার সড়কের অসমাপ্ত কাজ তিন লাখ টাকা ব্যায়ে শেষ হচ্ছে। মঙ্গলবার (১৫সেপ্টেম্বর) বেলা ১২টায় সান্তাহার ইউপির দড়িয়াপুর গ্রামের খোকনের দোকার থেকে সাঈম উদ্দীন স্কুল অভিমুখি এই ইট সোলিং কাজের উদ্বোধন করেন ইউপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান নাজিম উদ্দীন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন ইউপি সদস্য শাহিন হোসেন, সাইদুল ইসলাম, বিএনপি নেতা হোসেন আলী ও সান্তাহার শহর প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক আমিনুল ইসলাম ইসলাম সোহাগ প্রমূখ।
স্থানীয়রা জানান, সান্তাহার ইউনিয়নের সর্বশেষ গ্রাম দড়িয়াপুর। এই গ্রামের পশ্চিম ও উত্তর দিকে নওগাঁ সদর উপজেলা, দক্ষিণ ও পূর্বদিকে রানীনগর উপজেলা আর মাঝখানে দড়িয়াপুর গ্রাম। এই গ্রামে কয়েক হাজার লোকের বসবাস। চকউজির স্কুল থেকে দড়িয়াপুর গ্রামের মধ্য দিয়ে রানীনগর কালীবাড়ি বাজার পর্যন্ত একটি জনগুরুত্বপূর্ণ রাস্তা চলে গেছে। এখানে মাটি দিয়ে ২০০৩ সালে প্রায় এক কিলোমিটার রাস্তা তৈরি করা হয়। এরপর কয়েক দফায় জনপ্রতিনিধি বদলালেও শুধু বদলায়নি এই রাস্তার বেহাল অবস্থা। ফলে চকউজির স্কুল থেকে রমজান লাঠিয়ালের বাড়ি পর্যন্ত রাস্তায় একটু বৃষ্টি হলে কাঁদায় পরিণত হতো। এমকি গ্রামবাসীর হেঁটে চলাচলও অসম্ভব হয়ে পড়েছিল। এমন পরিস্থতিতে ইউপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান নাজিম উদ্দীন এই সড়কে পুরো অংশজুড়ে ইট সোলিং করার উদ্যোগ নেন। সে অনুযায়ী তিনি গ্রামবাসীকে কথাও দেন। যেমন কথা তেমন কাজ। তিনি দুই দফায় পুরো রাস্তার কাজই প্রায় শেষ করে ফেললেন।
সান্তাহার ইউপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান নাজিম উদ্দীন বলেন, ‘দড়িয়াপুর গ্রামের এই রাস্তা দিয়ে প্রতিদিনই পাশের চকউজির, প্রান্নাথপুর, চণ্ডীপুর, চকবুলাকিসহ শতাধিক গ্রামের মানুষ রানীনগর বাজারে যাতায়াত করে। রাস্তাটি মাটির হওয়ায় লোকজন চরম দুর্ভোগের শিকার হতে হতো। আমি ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে চেষ্টা করেছি- এই রাস্তায় ইট সোলিং করার। আলহামদুল্লিাহ, কাজটি আর কয়েক দিনের মধ্যে শেষ হয়ে যাবে। দুর্ভোগও কেটে যাবে।’

ট্যাগসঃ

নিউজটি শেয়ার করুন

বিস্তারিত লিখুনঃ

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষণ করুন

আপলোডকারীর তথ্য

সান্তাহার ইউপির দড়িয়াপুর গ্রামে ৩ লাখ টাকা ব্যয়ে শেষ হচ্ছে রাস্তার অসমাপ্ত কাজ

আপডেট সময়ঃ ০৯:৩৪:১০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

আদমদীঘি (বগুড়া) প্রতিনিধি:

বগুড়ার সান্তাহার ইউনিয়নের দড়িয়াপুর গ্রামের একটি রাস্তার প্রায় ১৩৮ মিটার সড়কের অসমাপ্ত কাজ তিন লাখ টাকা ব্যায়ে শেষ হচ্ছে। মঙ্গলবার (১৫সেপ্টেম্বর) বেলা ১২টায় সান্তাহার ইউপির দড়িয়াপুর গ্রামের খোকনের দোকার থেকে সাঈম উদ্দীন স্কুল অভিমুখি এই ইট সোলিং কাজের উদ্বোধন করেন ইউপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান নাজিম উদ্দীন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন ইউপি সদস্য শাহিন হোসেন, সাইদুল ইসলাম, বিএনপি নেতা হোসেন আলী ও সান্তাহার শহর প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক আমিনুল ইসলাম ইসলাম সোহাগ প্রমূখ।
স্থানীয়রা জানান, সান্তাহার ইউনিয়নের সর্বশেষ গ্রাম দড়িয়াপুর। এই গ্রামের পশ্চিম ও উত্তর দিকে নওগাঁ সদর উপজেলা, দক্ষিণ ও পূর্বদিকে রানীনগর উপজেলা আর মাঝখানে দড়িয়াপুর গ্রাম। এই গ্রামে কয়েক হাজার লোকের বসবাস। চকউজির স্কুল থেকে দড়িয়াপুর গ্রামের মধ্য দিয়ে রানীনগর কালীবাড়ি বাজার পর্যন্ত একটি জনগুরুত্বপূর্ণ রাস্তা চলে গেছে। এখানে মাটি দিয়ে ২০০৩ সালে প্রায় এক কিলোমিটার রাস্তা তৈরি করা হয়। এরপর কয়েক দফায় জনপ্রতিনিধি বদলালেও শুধু বদলায়নি এই রাস্তার বেহাল অবস্থা। ফলে চকউজির স্কুল থেকে রমজান লাঠিয়ালের বাড়ি পর্যন্ত রাস্তায় একটু বৃষ্টি হলে কাঁদায় পরিণত হতো। এমকি গ্রামবাসীর হেঁটে চলাচলও অসম্ভব হয়ে পড়েছিল। এমন পরিস্থতিতে ইউপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান নাজিম উদ্দীন এই সড়কে পুরো অংশজুড়ে ইট সোলিং করার উদ্যোগ নেন। সে অনুযায়ী তিনি গ্রামবাসীকে কথাও দেন। যেমন কথা তেমন কাজ। তিনি দুই দফায় পুরো রাস্তার কাজই প্রায় শেষ করে ফেললেন।
সান্তাহার ইউপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান নাজিম উদ্দীন বলেন, ‘দড়িয়াপুর গ্রামের এই রাস্তা দিয়ে প্রতিদিনই পাশের চকউজির, প্রান্নাথপুর, চণ্ডীপুর, চকবুলাকিসহ শতাধিক গ্রামের মানুষ রানীনগর বাজারে যাতায়াত করে। রাস্তাটি মাটির হওয়ায় লোকজন চরম দুর্ভোগের শিকার হতে হতো। আমি ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে চেষ্টা করেছি- এই রাস্তায় ইট সোলিং করার। আলহামদুল্লিাহ, কাজটি আর কয়েক দিনের মধ্যে শেষ হয়ে যাবে। দুর্ভোগও কেটে যাবে।’