০৮:৪১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

দুর্গাপুরে সার গায়েবের সংবাদের প্রতিবাদে প্রশাসনের সংবাদ সম্মেলন

হাসিবুর রহমান
  • আপডেট সময়ঃ ০৭:৪৭:১৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • / ১৯ বার পড়া হয়েছে।

হাসিবুর রহমান ডিপিডি প্রতিবেদক:

রাজশাহীর দুর্গাপুরে কীটনাশক ব্যবসায়ীর বাড়ি থেকে ৬৭০ বস্তা সার উদ্ধারের ঘটনায় সংবাদ সম্মেলন করেছে উপজেলা প্রশাসন। উদ্ধার করা সারের মধ্যে ৩২৫ বস্তা সার গায়েব হওয়ার অভিযোগে প্রকাশিত সংবাদকে মিথ্যা, বিভ্রান্তিকর ও তথ্যবিকৃত বলে দাবি করেছে প্রশাসন। একই সঙ্গে সার উদ্ধারের পুরো প্রক্রিয়া, পরবর্তী সময়ে সরকারি নির্ধারিত মূল্যে বিতরণ এবং অর্থ সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়ার বিষয়ে লিখিত ব্যাখ্যা দিয়েছে উপজেলা প্রশাসন।

মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) বিকেল সাড়ে ৪টায় দুর্গাপুর উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে এ সংবাদ সম্মেলনে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট উম্মে হাবিবা ফারজানা এবং উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সাহানা পারভিন লাবনী ও উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) লায়লা নূর তানজু উপস্থিত ছিলেন। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে অভিযানের বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরা হয়।

লিখিত বক্তব্যে বলা হয়, গত ১০ সেপ্টেম্বর গোপন সংবাদের ভিত্তিতে দুর্গাপুর উপজেলার ২নং কিসমতগণকৈড় ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ড আড়ইল গ্রামের মৃত ফছির উদ্দিনের ছেলে মোঃ সাইদুল ইসলামের বাড়িতে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়। অভিযানের সময় বাড়িটি তালাবদ্ধ ছিল। স্থানীয় জনগণের সহায়তা ও তাদের উপস্থিতিতে বাড়িতে প্রবেশ করে বারান্দা ও একটি কক্ষে রাসায়নিক সার মজুদ অবস্থায় পাওয়া যায়।

উপস্থিত জনগণের সম্মুখে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা, উক্ত ইউনিয়নের ৮ নং ওয়ার্ডের সদস্য, গ্রাম পুলিশ ও স্থানীয় জনগণের উপস্থিতিতে সারগুলো গণনা করা হয়। গণনায় ৩২৪ বস্তা ডিএপি, ২৪৬ বস্তা ইউরিয়া ও ১০০ বস্তা টিএসপি পাওয়া যায়। সব মিলিয়ে মোট ৬৭০ বস্তা রাসায়নিক সার অবৈধভাবে মজুদ করা অবস্থায় জব্দ করা হয় বলে সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়।

প্রশাসনের দাবি, জব্দ করা ৬৭০ বস্তা সার পরবর্তীতে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তার তত্ত্বাবধানে কৃষকদের মধ্যে সরকারি নির্ধারিত মূল্যে বিতরণ করা হয়। এ সংক্রান্ত মাস্টাররোল সংরক্ষণ করা হয়েছে। সার বিক্রির মাধ্যমে প্রাপ্ত ৭ লাখ ৮৫ হাজার ২৫০ টাকা জেলা প্রশাসকের রাজস্ব খাতের নির্ধারিত কোডে ই-চালানের মাধ্যমে জমা দেওয়া হয়েছে বলেও লিখিত বক্তব্যে উল্লেখ করা হয়।

সংবাদ সম্মেলনে আরও জানানো হয়, একই দিনে একই ব্যক্তির পুঠিয়া উপজেলার কার্তিকপাড়া বাজারে অবস্থিত ‘মেসার্স নিশি কীটনাশক বিপণী’ নামের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে অভিযান চালিয়ে আরও ৩৩০ বস্তা সার জব্দ করা হয়। অর্থাৎ দুর্গাপুরের বাড়ি থেকে ৬৭০ বস্তা এবং পুঠিয়ার ব্যবসা প্রতিষ্ঠান থেকে ৩৩০ বস্তাসহ ওই দিন মোট ১ হাজার বস্তা সার জব্দ করা হয়েছে।

এ ঘটনায় জেলা প্রশাসকের নির্দেশে তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। কমিটির আহ্বায়ক করা হয়েছে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (উন্নয়ন ও মানবসম্পদ ব্যবস্থাপনা) বেলায়েত হোসেনকে। সদস্য হিসেবে রয়েছেন বিএডিসি রাজশাহীর উপপরিচালক (বীজ বপন) কে.এম. গোলাম সরওয়ার এবং অতিরিক্ত উপপরিচালক (শস্য) মিতা সরকার। তদন্ত কমিটি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে সংশ্লিষ্টদের জবানবন্দি গ্রহণ করেছে বলে সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়।

লিখিত বক্তব্যে প্রশাসন জানায়, অভিযুক্ত ব্যবসায়ী মো. সাইদুল ইসলাম তদন্ত কমিটির কাছে স্বীকারোক্তিমূলক অডিও ও লিখিত বক্তব্য দিয়েছেন। তার লিখিত বক্তব্যেও রাসায়নিক সার বিক্রির লাইসেন্স না থাকার বিষয়টি উল্লেখ রয়েছে। তিনি দীর্ঘদিন ধরে পুঠিয়ার কার্তিকপাড়া বাজারে কীটনাশকের ব্যবসা করে আসছেন এবং বিভিন্ন স্থান থেকে রাসায়নিক সার এনে দুর্গাপুরের আড়ইল গ্রামের নিজ বাড়িতে মজুদ করে মৎস্যচাষীদের কাছে বিক্রি করতেন বলে বক্তব্যে উল্লেখ করেছেন।

সাইদুল ইসলামের লিখিত বক্তব্য অনুযায়ী, গত ১০ সেপ্টেম্বর ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান পরিচালনার সময় তিনি নাটোরের কাঁচিকাটা এলাকায় অবস্থান করছিলেন। তার মেয়ে নিশি খাতুন বাড়িতে ছিলেন। পরে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে তিনি জানতে পারেন, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে ভ্রাম্যমাণ আদালত তার বাড়িতে অভিযান চালিয়ে ৬৭০ বস্তা সার জব্দ করেছে।

এদিকে একই দিনে পুঠিয়ার কার্তিকপাড়া বাজারে তার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে অভিযান চালিয়ে ৩৩০ বস্তা সার জব্দ করা হয় বলেও তার লিখিত বক্তব্যে উল্লেখ রয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে প্রশাসনের পক্ষ থেকে আরও বলা হয়, গত ১৪ সেপ্টেম্বর দৈনিক যুগান্তর পত্রিকায় প্রকাশিত প্রতিবেদনের আগে সংশ্লিষ্ট সাংবাদিক বা পত্রিকার সঙ্গে কোনো ধরনের কথা বলেননি বলে লিখিত বক্তব্যে দাবি করেছেন সাইদুল ইসলাম। তিনি কাউকে কোনো জবানবন্দি বা বক্তব্যও দেননি বলে উল্লেখ করেছেন।

উপজেলা প্রশাসনের লিখিত বক্তব্যে দাবি করা হয়, একই মালিকের দুর্গাপুরের বসতবাড়ি ও পুঠিয়ার ব্যবসা প্রতিষ্ঠান থেকে একই দিনে মোট ১ হাজার বস্তা সার জব্দের বিষয়টি বাদ দিয়ে শুধু দুর্গাপুরের অভিযানকে কেন্দ্র করে ‘৩২৫ বস্তা সার গায়েব’ হওয়ার যে সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে, তা সঠিক নয়। এ ধরনের সংবাদে জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি হয়েছে বলেও দাবি করে প্রশাসন।

সংবাদ সম্মেলনে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সার জব্দ, গণনা, বিতরণ ও সরকারি কোষাগারে অর্থ জমা দেওয়ার বিষয়ে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও তথ্য উপস্থাপন করা হয়। প্রশাসনের দাবি, ঘটনার প্রকৃত তথ্য উদঘাটনে তদন্ত কমিটির কার্যক্রমও চলমান রয়েছে।

ট্যাগসঃ

নিউজটি শেয়ার করুন

বিস্তারিত লিখুনঃ

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষণ করুন

আপলোডকারীর তথ্য

দুর্গাপুরে সার গায়েবের সংবাদের প্রতিবাদে প্রশাসনের সংবাদ সম্মেলন

আপডেট সময়ঃ ০৭:৪৭:১৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

হাসিবুর রহমান ডিপিডি প্রতিবেদক:

রাজশাহীর দুর্গাপুরে কীটনাশক ব্যবসায়ীর বাড়ি থেকে ৬৭০ বস্তা সার উদ্ধারের ঘটনায় সংবাদ সম্মেলন করেছে উপজেলা প্রশাসন। উদ্ধার করা সারের মধ্যে ৩২৫ বস্তা সার গায়েব হওয়ার অভিযোগে প্রকাশিত সংবাদকে মিথ্যা, বিভ্রান্তিকর ও তথ্যবিকৃত বলে দাবি করেছে প্রশাসন। একই সঙ্গে সার উদ্ধারের পুরো প্রক্রিয়া, পরবর্তী সময়ে সরকারি নির্ধারিত মূল্যে বিতরণ এবং অর্থ সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়ার বিষয়ে লিখিত ব্যাখ্যা দিয়েছে উপজেলা প্রশাসন।

মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) বিকেল সাড়ে ৪টায় দুর্গাপুর উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে এ সংবাদ সম্মেলনে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট উম্মে হাবিবা ফারজানা এবং উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সাহানা পারভিন লাবনী ও উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) লায়লা নূর তানজু উপস্থিত ছিলেন। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে অভিযানের বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরা হয়।

লিখিত বক্তব্যে বলা হয়, গত ১০ সেপ্টেম্বর গোপন সংবাদের ভিত্তিতে দুর্গাপুর উপজেলার ২নং কিসমতগণকৈড় ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ড আড়ইল গ্রামের মৃত ফছির উদ্দিনের ছেলে মোঃ সাইদুল ইসলামের বাড়িতে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়। অভিযানের সময় বাড়িটি তালাবদ্ধ ছিল। স্থানীয় জনগণের সহায়তা ও তাদের উপস্থিতিতে বাড়িতে প্রবেশ করে বারান্দা ও একটি কক্ষে রাসায়নিক সার মজুদ অবস্থায় পাওয়া যায়।

উপস্থিত জনগণের সম্মুখে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা, উক্ত ইউনিয়নের ৮ নং ওয়ার্ডের সদস্য, গ্রাম পুলিশ ও স্থানীয় জনগণের উপস্থিতিতে সারগুলো গণনা করা হয়। গণনায় ৩২৪ বস্তা ডিএপি, ২৪৬ বস্তা ইউরিয়া ও ১০০ বস্তা টিএসপি পাওয়া যায়। সব মিলিয়ে মোট ৬৭০ বস্তা রাসায়নিক সার অবৈধভাবে মজুদ করা অবস্থায় জব্দ করা হয় বলে সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়।

প্রশাসনের দাবি, জব্দ করা ৬৭০ বস্তা সার পরবর্তীতে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তার তত্ত্বাবধানে কৃষকদের মধ্যে সরকারি নির্ধারিত মূল্যে বিতরণ করা হয়। এ সংক্রান্ত মাস্টাররোল সংরক্ষণ করা হয়েছে। সার বিক্রির মাধ্যমে প্রাপ্ত ৭ লাখ ৮৫ হাজার ২৫০ টাকা জেলা প্রশাসকের রাজস্ব খাতের নির্ধারিত কোডে ই-চালানের মাধ্যমে জমা দেওয়া হয়েছে বলেও লিখিত বক্তব্যে উল্লেখ করা হয়।

সংবাদ সম্মেলনে আরও জানানো হয়, একই দিনে একই ব্যক্তির পুঠিয়া উপজেলার কার্তিকপাড়া বাজারে অবস্থিত ‘মেসার্স নিশি কীটনাশক বিপণী’ নামের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে অভিযান চালিয়ে আরও ৩৩০ বস্তা সার জব্দ করা হয়। অর্থাৎ দুর্গাপুরের বাড়ি থেকে ৬৭০ বস্তা এবং পুঠিয়ার ব্যবসা প্রতিষ্ঠান থেকে ৩৩০ বস্তাসহ ওই দিন মোট ১ হাজার বস্তা সার জব্দ করা হয়েছে।

এ ঘটনায় জেলা প্রশাসকের নির্দেশে তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। কমিটির আহ্বায়ক করা হয়েছে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (উন্নয়ন ও মানবসম্পদ ব্যবস্থাপনা) বেলায়েত হোসেনকে। সদস্য হিসেবে রয়েছেন বিএডিসি রাজশাহীর উপপরিচালক (বীজ বপন) কে.এম. গোলাম সরওয়ার এবং অতিরিক্ত উপপরিচালক (শস্য) মিতা সরকার। তদন্ত কমিটি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে সংশ্লিষ্টদের জবানবন্দি গ্রহণ করেছে বলে সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়।

লিখিত বক্তব্যে প্রশাসন জানায়, অভিযুক্ত ব্যবসায়ী মো. সাইদুল ইসলাম তদন্ত কমিটির কাছে স্বীকারোক্তিমূলক অডিও ও লিখিত বক্তব্য দিয়েছেন। তার লিখিত বক্তব্যেও রাসায়নিক সার বিক্রির লাইসেন্স না থাকার বিষয়টি উল্লেখ রয়েছে। তিনি দীর্ঘদিন ধরে পুঠিয়ার কার্তিকপাড়া বাজারে কীটনাশকের ব্যবসা করে আসছেন এবং বিভিন্ন স্থান থেকে রাসায়নিক সার এনে দুর্গাপুরের আড়ইল গ্রামের নিজ বাড়িতে মজুদ করে মৎস্যচাষীদের কাছে বিক্রি করতেন বলে বক্তব্যে উল্লেখ করেছেন।

সাইদুল ইসলামের লিখিত বক্তব্য অনুযায়ী, গত ১০ সেপ্টেম্বর ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান পরিচালনার সময় তিনি নাটোরের কাঁচিকাটা এলাকায় অবস্থান করছিলেন। তার মেয়ে নিশি খাতুন বাড়িতে ছিলেন। পরে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে তিনি জানতে পারেন, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে ভ্রাম্যমাণ আদালত তার বাড়িতে অভিযান চালিয়ে ৬৭০ বস্তা সার জব্দ করেছে।

এদিকে একই দিনে পুঠিয়ার কার্তিকপাড়া বাজারে তার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে অভিযান চালিয়ে ৩৩০ বস্তা সার জব্দ করা হয় বলেও তার লিখিত বক্তব্যে উল্লেখ রয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে প্রশাসনের পক্ষ থেকে আরও বলা হয়, গত ১৪ সেপ্টেম্বর দৈনিক যুগান্তর পত্রিকায় প্রকাশিত প্রতিবেদনের আগে সংশ্লিষ্ট সাংবাদিক বা পত্রিকার সঙ্গে কোনো ধরনের কথা বলেননি বলে লিখিত বক্তব্যে দাবি করেছেন সাইদুল ইসলাম। তিনি কাউকে কোনো জবানবন্দি বা বক্তব্যও দেননি বলে উল্লেখ করেছেন।

উপজেলা প্রশাসনের লিখিত বক্তব্যে দাবি করা হয়, একই মালিকের দুর্গাপুরের বসতবাড়ি ও পুঠিয়ার ব্যবসা প্রতিষ্ঠান থেকে একই দিনে মোট ১ হাজার বস্তা সার জব্দের বিষয়টি বাদ দিয়ে শুধু দুর্গাপুরের অভিযানকে কেন্দ্র করে ‘৩২৫ বস্তা সার গায়েব’ হওয়ার যে সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে, তা সঠিক নয়। এ ধরনের সংবাদে জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি হয়েছে বলেও দাবি করে প্রশাসন।

সংবাদ সম্মেলনে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সার জব্দ, গণনা, বিতরণ ও সরকারি কোষাগারে অর্থ জমা দেওয়ার বিষয়ে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও তথ্য উপস্থাপন করা হয়। প্রশাসনের দাবি, ঘটনার প্রকৃত তথ্য উদঘাটনে তদন্ত কমিটির কার্যক্রমও চলমান রয়েছে।