০৪:০২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬

বাগমারায় খাল খনন শেষে প্রায় দেড় কোটি টাকা সরকারি কোষাগারে ফেরত দিলেন ইউএনও

শামীম রেজা
  • আপডেট সময়ঃ ০২:৫৯:৫৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬
  • / ৫ বার পড়া হয়েছে।

বাগমারা প্রতিনিধি:
রাজশাহীর বাগমারা উপজেলায় দুটি খাল খনন প্রকল্পে বরাদ্দকৃত অর্থের সাশ্রয় নিশ্চিত করে ১ কোটি ৪৮ লাখ ৯৮ হাজার ৭৩২ টাকা সরকারি কোষাগারে ফেরত দেওয়া হয়েছে।

উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, উপজেলার ঝিকরা ও শুভডাঙ্গা ইউনিয়নে মোট ১৪ কিলোমিটার খাল খননের জন্য সরকারের পক্ষ থেকে ৩ কোটি ৬০ লাখ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়।

এর মধ্যে ঝিকরা ইউনিয়নের ৭ কিলোমিটার খাল খননের কাজ সম্পন্ন হওয়ার পর প্রকল্প থেকে ১৮ লাখ ৭৪ হাজার ৮০০ টাকা অব্যয়িত থাকায় তা সরকারি কোষাগারে ফেরতের ব্যবস্থা করা হয়েছে।

অন্যদিকে শুভডাঙ্গা ইউনিয়নের ৭ কিলোমিটার খালের মধ্যে প্রায় ৩ কিলোমিটার খননের কাজ সম্পন্ন হওয়ার পর প্রকল্পে সাশ্রয় হওয়া ১ কোটি ৩০ লাখ ২৩ হাজার ৯৩২ টাকা সরকারি কোষাগারে ফেরত দেওয়ার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

সব মিলিয়ে প্রায় ১০ কিলোমিটার খাল খনন কাজ সম্পন্ন হওয়ার পর বরাদ্দকৃত ৩ কোটি ৬০ লাখ টাকার মধ্যে মোট ১ কোটি ৪৮ লাখ ৯৮ হাজার ৭৩২ টাকা সরকারি কোষাগারে ফেরত দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সেলিম আহমেদ জানান, প্রকল্প বাস্তবায়নে সরকারি অর্থের স্বচ্ছতা ও অপচয় রোধে এ উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে, যা সরকারি অর্থের সুষ্ঠু ব্যবহারের একটি ইতিবাচক দৃষ্টান্ত হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

 

ট্যাগসঃ

নিউজটি শেয়ার করুন

বিস্তারিত লিখুনঃ

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষণ করুন

আপলোডকারীর তথ্য

বাগমারায় খাল খনন শেষে প্রায় দেড় কোটি টাকা সরকারি কোষাগারে ফেরত দিলেন ইউএনও

আপডেট সময়ঃ ০২:৫৯:৫৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬

বাগমারা প্রতিনিধি:
রাজশাহীর বাগমারা উপজেলায় দুটি খাল খনন প্রকল্পে বরাদ্দকৃত অর্থের সাশ্রয় নিশ্চিত করে ১ কোটি ৪৮ লাখ ৯৮ হাজার ৭৩২ টাকা সরকারি কোষাগারে ফেরত দেওয়া হয়েছে।

উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, উপজেলার ঝিকরা ও শুভডাঙ্গা ইউনিয়নে মোট ১৪ কিলোমিটার খাল খননের জন্য সরকারের পক্ষ থেকে ৩ কোটি ৬০ লাখ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়।

এর মধ্যে ঝিকরা ইউনিয়নের ৭ কিলোমিটার খাল খননের কাজ সম্পন্ন হওয়ার পর প্রকল্প থেকে ১৮ লাখ ৭৪ হাজার ৮০০ টাকা অব্যয়িত থাকায় তা সরকারি কোষাগারে ফেরতের ব্যবস্থা করা হয়েছে।

অন্যদিকে শুভডাঙ্গা ইউনিয়নের ৭ কিলোমিটার খালের মধ্যে প্রায় ৩ কিলোমিটার খননের কাজ সম্পন্ন হওয়ার পর প্রকল্পে সাশ্রয় হওয়া ১ কোটি ৩০ লাখ ২৩ হাজার ৯৩২ টাকা সরকারি কোষাগারে ফেরত দেওয়ার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

সব মিলিয়ে প্রায় ১০ কিলোমিটার খাল খনন কাজ সম্পন্ন হওয়ার পর বরাদ্দকৃত ৩ কোটি ৬০ লাখ টাকার মধ্যে মোট ১ কোটি ৪৮ লাখ ৯৮ হাজার ৭৩২ টাকা সরকারি কোষাগারে ফেরত দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সেলিম আহমেদ জানান, প্রকল্প বাস্তবায়নে সরকারি অর্থের স্বচ্ছতা ও অপচয় রোধে এ উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে, যা সরকারি অর্থের সুষ্ঠু ব্যবহারের একটি ইতিবাচক দৃষ্টান্ত হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।