০৯:৪০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬

দুর্গাপুর উপজেলা ভূমি সেবায় বিশেষ অবদান রেখেছে সহকারী কমিশনার( ভূমি) লায়লা নূর তানজু

হাসিবুর রহমান
  • আপডেট সময়ঃ ০৯:৩৮:৫৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬
  • / ১ বার পড়া হয়েছে।

ডিপিডি প্রতিবেদক:

রাজশাহী দুর্গাপুর উপজেলা সহকারী কমিশনারের কার্যালয় (ভূমি) অফিসকে জনদুর্ভোগ ও দালালমুক্ত করে ভূমি সেবা ঘরে রূপান্তর করে,সব মহলে প্রশংসিত উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) লায়লা নূর তানজু।
তিনি যোগদানের ১০ মাসেই এ উপজেলায় ভূমি সেবা সহজীকরণ করে সেবার মান বৃদ্ধি করেছেন। উদ্ধার করেছেন খাস জমি,শনাক্ত করেছেন খাজনা বিহীন ভিপি সম্পত্তি,মোবাইল কোর্টে রাজস্ব আদায়েও রেখেছেন বিশেষ অবদান।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, খারিজের অপেক্ষামাণ জায়গা-জমির দলিলের পাহাড়, জটিলতা, নিরসন করে ভূমি কার্যালয় এখন স্বর্ণালী সফলতার আরো একটি নাম। এখন আর সঠিক জায়গা-জমির খাজনা, খারিজ, ডিসিআরসহ যেকোনো কাজে মানুষের ভোগান্তি পোহাতে হয় না। একটি স্বচ্ছ ও ডিজিটাল (আংশিক) ভূমি অফিস পেয়েছেন দুর্গাপুর উপজেলাবাসী।
শতভাগ ভূমি সেবা নিশ্চিতে নিরলস কাজ করে চলেছেন লায়লা নূর তানজু। একান্ত প্রচেষ্টায় উপজেলার একটি পৌর ও সকল ইউনিয়ন ভূমি অফিসগুলোতে জনসাধারণের জনদুর্ভোগ রোধ করে জনবান্ধব অফিসে পরিণত হয়েছে। সরকারের যুগান্তকারী পদক্ষেপগুলোর সঠিক বাস্তবায়নের ফলে দুর্গাপুর উপজেলা ভূমি অফিসে অতীতের চেয়ে অধিক হারে বৃদ্ধি হয়েছে ভূমি সেবার মান।

উপজেলা সহকারী কমিশনার ভূমির হস্তক্ষেপে ইউনিয়ন ভূমি অফিসগুলোতে এখন আগের মতো অপ্রয়োজনীয় জনগণের ভিড় দেখা যায় না। নেই কোনো বস্তাবন্দি ফাইল। দালালের দৌরাত্ম্য আর এখন চোখে পড়ে না উপজেলা বা ইউনিয়ন ভূমি অফিসগুলোতে।
জানা গেছে দুর্গাপুর উপজেলা, পৌরসভা, ইউনিয়ন ভূমি অফিসগুলোতে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা ফিরিয়ে আনতে কৌশলী ভূমিকায় কাজ করছেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) লায়লা নূর তানজু। তিনি দুর্গাপুর উপজেলা ২০২৫ সালের অক্টোবর মাসের ১৫ তারিখে যোগদান করেন। তারপর থেকেই তার কঠোর নজরদারি ও স্বচ্ছ উদ্যোগের কারণে দুর্গাপুর মানুষ এখন হয়রানি ছাড়াই ভূমি সেবা পাচ্ছেন।
যোগদানের পর পরই তিনি উপজেলা ভূমি অফিসের পাশাপাশি লক্ষণখলসি, সিংগাহাট, উজানখলসি, বখতিয়ারপুর এই ৪ ইউনিয়ন ভূমি অফিসকে অগ্রাধিকার দেন। তাঁর নির্দেশনায় প্রতিটি অফিসে ফ্রি সেবার তালিকা টাঙ্গানো হয়েছে। স্থাপন করা হয়েছে অভিযোগ বক্স। সবচেয়ে বড় পরিবর্তন তিনি প্রায় প্রতি মাসেই প্রতিটি ইউনিয়ন ভূমি অফিস নিজেই সরেজমিনে পরিদর্শন করেন। সেবা গ্রহীতাদের সঙ্গে দাঁড়িয়ে কথা বলেন। কারো কাছ থেকে অতিরিক্ত টাকা নেয়া হচ্ছে কিনা তা নিজেই যাচাই-বাছাই করেন।

দুর্গাপুর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) লায়লা নূর তানজু বলেন, ভূমি হচ্ছে মানুষের সবচেয়ে স্পর্শকাতর জায়গা। আমি চাই প্রতিটি নাগরিক যেন মাথা উঁচু করে দাঁড়ায়,হয়রানি ছাড়া সেবা পায় অনিয়মের বিরুদ্ধে আমাদের ‘জিরো টলারেন্স।
ইতোমধ্যে বেশ কিছু মোবাইল কোর্ট, খাজনা আদায়, খারিজ, ডিসিআর, ভিপি সম্পত্তি সনাক্ত, খাস জমি উদ্ধার করেছি। উপজেলা ভূমি অফিসগুলোকে দালালমুক্ত করে সেবার মান বৃদ্ধি করা হয়েছে। তিনি আরো বলেন, ভূমি সেবাকে সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে সরকার কাজ করে যাচ্ছে। সরকারের এই উদ্ভাবনী উদ্যোগগুলো মানুষের মধ্যে পৌঁছে দেওয়ায় প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে।

ট্যাগসঃ

নিউজটি শেয়ার করুন

বিস্তারিত লিখুনঃ

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষণ করুন

আপলোডকারীর তথ্য

দুর্গাপুর উপজেলা ভূমি সেবায় বিশেষ অবদান রেখেছে সহকারী কমিশনার( ভূমি) লায়লা নূর তানজু

আপডেট সময়ঃ ০৯:৩৮:৫৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬

ডিপিডি প্রতিবেদক:

রাজশাহী দুর্গাপুর উপজেলা সহকারী কমিশনারের কার্যালয় (ভূমি) অফিসকে জনদুর্ভোগ ও দালালমুক্ত করে ভূমি সেবা ঘরে রূপান্তর করে,সব মহলে প্রশংসিত উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) লায়লা নূর তানজু।
তিনি যোগদানের ১০ মাসেই এ উপজেলায় ভূমি সেবা সহজীকরণ করে সেবার মান বৃদ্ধি করেছেন। উদ্ধার করেছেন খাস জমি,শনাক্ত করেছেন খাজনা বিহীন ভিপি সম্পত্তি,মোবাইল কোর্টে রাজস্ব আদায়েও রেখেছেন বিশেষ অবদান।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, খারিজের অপেক্ষামাণ জায়গা-জমির দলিলের পাহাড়, জটিলতা, নিরসন করে ভূমি কার্যালয় এখন স্বর্ণালী সফলতার আরো একটি নাম। এখন আর সঠিক জায়গা-জমির খাজনা, খারিজ, ডিসিআরসহ যেকোনো কাজে মানুষের ভোগান্তি পোহাতে হয় না। একটি স্বচ্ছ ও ডিজিটাল (আংশিক) ভূমি অফিস পেয়েছেন দুর্গাপুর উপজেলাবাসী।
শতভাগ ভূমি সেবা নিশ্চিতে নিরলস কাজ করে চলেছেন লায়লা নূর তানজু। একান্ত প্রচেষ্টায় উপজেলার একটি পৌর ও সকল ইউনিয়ন ভূমি অফিসগুলোতে জনসাধারণের জনদুর্ভোগ রোধ করে জনবান্ধব অফিসে পরিণত হয়েছে। সরকারের যুগান্তকারী পদক্ষেপগুলোর সঠিক বাস্তবায়নের ফলে দুর্গাপুর উপজেলা ভূমি অফিসে অতীতের চেয়ে অধিক হারে বৃদ্ধি হয়েছে ভূমি সেবার মান।

উপজেলা সহকারী কমিশনার ভূমির হস্তক্ষেপে ইউনিয়ন ভূমি অফিসগুলোতে এখন আগের মতো অপ্রয়োজনীয় জনগণের ভিড় দেখা যায় না। নেই কোনো বস্তাবন্দি ফাইল। দালালের দৌরাত্ম্য আর এখন চোখে পড়ে না উপজেলা বা ইউনিয়ন ভূমি অফিসগুলোতে।
জানা গেছে দুর্গাপুর উপজেলা, পৌরসভা, ইউনিয়ন ভূমি অফিসগুলোতে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা ফিরিয়ে আনতে কৌশলী ভূমিকায় কাজ করছেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) লায়লা নূর তানজু। তিনি দুর্গাপুর উপজেলা ২০২৫ সালের অক্টোবর মাসের ১৫ তারিখে যোগদান করেন। তারপর থেকেই তার কঠোর নজরদারি ও স্বচ্ছ উদ্যোগের কারণে দুর্গাপুর মানুষ এখন হয়রানি ছাড়াই ভূমি সেবা পাচ্ছেন।
যোগদানের পর পরই তিনি উপজেলা ভূমি অফিসের পাশাপাশি লক্ষণখলসি, সিংগাহাট, উজানখলসি, বখতিয়ারপুর এই ৪ ইউনিয়ন ভূমি অফিসকে অগ্রাধিকার দেন। তাঁর নির্দেশনায় প্রতিটি অফিসে ফ্রি সেবার তালিকা টাঙ্গানো হয়েছে। স্থাপন করা হয়েছে অভিযোগ বক্স। সবচেয়ে বড় পরিবর্তন তিনি প্রায় প্রতি মাসেই প্রতিটি ইউনিয়ন ভূমি অফিস নিজেই সরেজমিনে পরিদর্শন করেন। সেবা গ্রহীতাদের সঙ্গে দাঁড়িয়ে কথা বলেন। কারো কাছ থেকে অতিরিক্ত টাকা নেয়া হচ্ছে কিনা তা নিজেই যাচাই-বাছাই করেন।

দুর্গাপুর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) লায়লা নূর তানজু বলেন, ভূমি হচ্ছে মানুষের সবচেয়ে স্পর্শকাতর জায়গা। আমি চাই প্রতিটি নাগরিক যেন মাথা উঁচু করে দাঁড়ায়,হয়রানি ছাড়া সেবা পায় অনিয়মের বিরুদ্ধে আমাদের ‘জিরো টলারেন্স।
ইতোমধ্যে বেশ কিছু মোবাইল কোর্ট, খাজনা আদায়, খারিজ, ডিসিআর, ভিপি সম্পত্তি সনাক্ত, খাস জমি উদ্ধার করেছি। উপজেলা ভূমি অফিসগুলোকে দালালমুক্ত করে সেবার মান বৃদ্ধি করা হয়েছে। তিনি আরো বলেন, ভূমি সেবাকে সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে সরকার কাজ করে যাচ্ছে। সরকারের এই উদ্ভাবনী উদ্যোগগুলো মানুষের মধ্যে পৌঁছে দেওয়ায় প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে।