০৩:০৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

তানোরে বেকারদের পকেট কাটা 

আলিফ হোসেন
  • আপডেট সময়ঃ ০৮:৩৭:৩০ অপরাহ্ন, বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • / ২২ বার পড়া হয়েছে।

আলিফ হোসেন ,তানোরঃ
রাজশাহীর তানোরে চাকরি প্রত্যাশী বেকার যুবকদের পকেট কাটা যাচ্ছে। একশ্রেণীর প্রতিষ্ঠান তাদের কাছে থেকে হাতিয়ে নিচ্ছেন বড় অঙ্কের টাকা। স্থানীয়দের অভিযোগ, চাকরির বিজ্ঞপ্তি দিয়ে এই বাণিজ্যে মেতেছে বে-সরকারি সংস্থা ও বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান।
জানা গেছে, দরখাস্তের সঙ্গে (অফেরতযোগ্য) ব্যাংক-ড্রাফ, পে-অর্ডার ও ট্রেজারি চালানের মাধ্যমে বেকারের পকেট কেটে দিচ্ছেন তারা।
সুত্রে প্রকাশ আয়া, দারোয়ান ও নৈশ প্রহরীর পদেও ব্যাংক ড্রাফ ও পেঅর্ডারের মাধ্যমে নেয়া হচ্ছে এক হাজার  থেকে দেড় হাজার টাকা। ফলে চাকরির জন্য একটি পদে আবেদন করতেই বেকার
যুবকদের পকেট হয়ে যাচ্ছে ফাঁকা। অধিকাংশক্ষেত্রে অসহায় ও হতদরিদ্র পরিবারের সন্তানেরা যোগ্যতা থাকা স্বতেও চাকরির আবেদন করতে উৎসাহী হয় না অনেকেই আবার আবেদন করতেই পারে না। বেশিরভাগ সময়, ব্যাংক-ড্রাফ, পে-অর্ডার ও ট্রেজারি চালান করেও অনেকেরেই চাকরির জন্য পরীক্ষার ডাক মেলে না।
স্থানীয়রা বলছে,,তানোরের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে একই পদে একাধিকবার বিজ্ঞাপন দিয়ে ব্যাংক ড্রাফের মাধ্যমে মুনাফার পর মুনাফা করার রেকর্ড আছে বলেও গুঞ্জন রয়েছে।
এদিকে সমাজ বিশ্লেষকদের অভিমত, এভাবে চাকরির দরখাস্তের সঙ্গে টাকা চেয়ে সমাজের গরীব, অসহায় ও হতদরিদ্র পরিবারের সন্তানদের দরজা বন্ধ করে দেয়া হচ্ছে। যোগ্যতা থাকা সত্ত্বেও অনেক শিক্ষিত বেকার ব্যাংক ড্রাফের অর্থের অভাবে চাকরির আবেদন করতে পারছে না, তাদের কর্মজগতে প্রবেশে এটাই বড় বাধা হয়ে দেখা দিয়েছে। এ অবস্থা চলতে থাকলে সরকারের নির্বাচনী অঙ্গীকার অনুযায়ী কর্মসংস্থান সৃষ্টির ওয়াদা পূরণ করা কঠিন হয়ে পড়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। তানোর উপজেলা প্রশাসনের নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক কর্মকর্তা বলেন, চাকরির বিজ্ঞাপন দিয়ে যেভাবে টাকা নেয়া হচ্ছে  নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা বলেন, আয়া-পিয়ন পদে দেড় হাজার টাকা ব্যাংক ড্রাফ চাওয়াটা অনৈতিক, তবে এটা সংশ্লিষ্ট শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের বিষয়। যেখানে একটি পদের বিপরীতে শতাধিক আবেদন পড়ার রেকর্ড আছে, সেখানে এভাবে ব্যাংক ড্রাফ চাওয়ার অর্থই হচ্ছে বাণিজ্যে।

ট্যাগসঃ

নিউজটি শেয়ার করুন

বিস্তারিত লিখুনঃ

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষণ করুন

আপলোডকারীর তথ্য

তানোরে বেকারদের পকেট কাটা 

আপডেট সময়ঃ ০৮:৩৭:৩০ অপরাহ্ন, বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

আলিফ হোসেন ,তানোরঃ
রাজশাহীর তানোরে চাকরি প্রত্যাশী বেকার যুবকদের পকেট কাটা যাচ্ছে। একশ্রেণীর প্রতিষ্ঠান তাদের কাছে থেকে হাতিয়ে নিচ্ছেন বড় অঙ্কের টাকা। স্থানীয়দের অভিযোগ, চাকরির বিজ্ঞপ্তি দিয়ে এই বাণিজ্যে মেতেছে বে-সরকারি সংস্থা ও বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান।
জানা গেছে, দরখাস্তের সঙ্গে (অফেরতযোগ্য) ব্যাংক-ড্রাফ, পে-অর্ডার ও ট্রেজারি চালানের মাধ্যমে বেকারের পকেট কেটে দিচ্ছেন তারা।
সুত্রে প্রকাশ আয়া, দারোয়ান ও নৈশ প্রহরীর পদেও ব্যাংক ড্রাফ ও পেঅর্ডারের মাধ্যমে নেয়া হচ্ছে এক হাজার  থেকে দেড় হাজার টাকা। ফলে চাকরির জন্য একটি পদে আবেদন করতেই বেকার
যুবকদের পকেট হয়ে যাচ্ছে ফাঁকা। অধিকাংশক্ষেত্রে অসহায় ও হতদরিদ্র পরিবারের সন্তানেরা যোগ্যতা থাকা স্বতেও চাকরির আবেদন করতে উৎসাহী হয় না অনেকেই আবার আবেদন করতেই পারে না। বেশিরভাগ সময়, ব্যাংক-ড্রাফ, পে-অর্ডার ও ট্রেজারি চালান করেও অনেকেরেই চাকরির জন্য পরীক্ষার ডাক মেলে না।
স্থানীয়রা বলছে,,তানোরের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে একই পদে একাধিকবার বিজ্ঞাপন দিয়ে ব্যাংক ড্রাফের মাধ্যমে মুনাফার পর মুনাফা করার রেকর্ড আছে বলেও গুঞ্জন রয়েছে।
এদিকে সমাজ বিশ্লেষকদের অভিমত, এভাবে চাকরির দরখাস্তের সঙ্গে টাকা চেয়ে সমাজের গরীব, অসহায় ও হতদরিদ্র পরিবারের সন্তানদের দরজা বন্ধ করে দেয়া হচ্ছে। যোগ্যতা থাকা সত্ত্বেও অনেক শিক্ষিত বেকার ব্যাংক ড্রাফের অর্থের অভাবে চাকরির আবেদন করতে পারছে না, তাদের কর্মজগতে প্রবেশে এটাই বড় বাধা হয়ে দেখা দিয়েছে। এ অবস্থা চলতে থাকলে সরকারের নির্বাচনী অঙ্গীকার অনুযায়ী কর্মসংস্থান সৃষ্টির ওয়াদা পূরণ করা কঠিন হয়ে পড়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। তানোর উপজেলা প্রশাসনের নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক কর্মকর্তা বলেন, চাকরির বিজ্ঞাপন দিয়ে যেভাবে টাকা নেয়া হচ্ছে  নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা বলেন, আয়া-পিয়ন পদে দেড় হাজার টাকা ব্যাংক ড্রাফ চাওয়াটা অনৈতিক, তবে এটা সংশ্লিষ্ট শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের বিষয়। যেখানে একটি পদের বিপরীতে শতাধিক আবেদন পড়ার রেকর্ড আছে, সেখানে এভাবে ব্যাংক ড্রাফ চাওয়ার অর্থই হচ্ছে বাণিজ্যে।