চাঁপাইনবাবগঞ্জে নানা আয়োজনে ৫৫ তম জাতীয় সমবায় দিবস পালিত
- আপডেট সময়ঃ ০৭:৪৭:০৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ৮ নভেম্বর ২০২৬
- / ১৪ বার পড়া হয়েছে।

চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি:
‘করব সমবায়, গড়ব দেশ; সবার জন্য বাংলাদেশ’—এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে চাঁপাইনবাবগঞ্জে নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে ৫৫তম জাতীয় সমবায় দিবস-২০২৬ পালিত হয়েছে। রোববার (৮ নভেম্বর) সকাল সাড়ে ৯টায় জেলা প্রশাসন ও জেলা সমবায় বিভাগের আয়োজনে দিবসটি উপলক্ষে বর্ণাঢ্য র্যালি, জাতীয় ও সমবায় পতাকা উত্তোলন, সমবায় মেলা এবং আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। সকালে জেলা প্রশাসকের কার্যালয় চত্বর থেকে একটি বর্ণাঢ্য র্যালি বের করা হয়। এতে শতাধিক সমবায়ী, সরকারি কর্মকর্তা ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন। র্যালিটি শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে একই স্থানে এসে শেষ হয়। পরে জাতীয় পতাকা ও সমবায় পতাকা উত্তোলন করেন জেলা প্রশাসক আবু ছালেহ মোঃ মুসা জঙ্গী ও জেলা সমবায় কর্মকর্তা মোঃ মোখলেছুর রহমান। এরপর পায়রা ও বেলুন উড়িয়ে সমবায় মেলার উদ্বোধন করেন অতিথিরা। মেলায় সমবায়ীদের বিভিন্ন কার্যক্রম ও উৎপাদিত পণ্য প্রদর্শনের জন্য ১১টি স্টল অংশগ্রহণ করে। প্রধান অতিথিসহ অন্যান্য অতিথি মেলার স্টলগুলো পরিদর্শন করেন। মেলা পরিদর্শন শেষে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চাঁপাইনবাবগঞ্জের জেলা প্রশাসক আবু ছালেহ মোঃ মুসা জঙ্গী। অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মোঃ আনিসুর রহমানের সভাপতিত্বে সভায় স্বাগত বক্তব্য দেন জেলা সমবায় কর্মকর্তা মোঃ মোখলেছুর রহমান। আরও উপস্থিত ছিলেন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. আনিসুর রহমান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) এন এম ওয়াসিম ফিরোজ, জেলা বিএনপির আহবায়ক গোলাম জাকারিয়া, সদর উপজেলা সমবায় অফিসার মোঃ আনিসুর রহমান, স্বাগত বক্তব্যে জেলা সমবায় কর্মকর্তা বলেন, সমবায় হচ্ছে সম্মিলিত উদ্যোগে আর্থসামাজিক উন্নয়নের একটি কার্যকর মাধ্যম। সমবায়ের মাধ্যমে ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীকে সংগঠিত করে তাদের অর্থনৈতিক সক্ষমতা বৃদ্ধি, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং জীবনমান উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখা সম্ভব। তিনি সমবায় সমিতিগুলোকে স্বচ্ছতা, জবাবদিহি ও নিয়মতান্ত্রিকভাবে পরিচালনার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। প্রধান অতিথির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক আবু ছালেহ মোঃ মুসা জঙ্গী বলেন, দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও দারিদ্র্য বিমোচনে সমবায় খাতের গুরুত্ব অপরিসীম। সম্মিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে ব্যক্তি ও সমাজের উন্নয়ন সম্ভব। সমবায় সমিতিগুলোকে আরও কার্যকর ও শক্তিশালী করতে হলে সদস্যদের মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতা, সততা, নিষ্ঠা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতে হবে। তিনি সমবায়ের মাধ্যমে স্থানীয় সম্পদ ও জনশক্তিকে কাজে লাগিয়ে স্বাবলম্বী হওয়ার আহ্বান জানান। সভাপতির বক্তব্যে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মোঃ আনিসুর রহমান বলেন, সমবায় আন্দোলনকে এগিয়ে নিতে হলে সমিতির সদস্যদের সক্রিয় অংশগ্রহণ ও সম্মিলিত উদ্যোগ প্রয়োজন। সমবায়ের মূল চেতনা ধারণ করে সবাইকে দেশের উন্নয়নে ভূমিকা রাখতে হবে। আলোচনা সভায় সমবায় খাতের বিভিন্ন কার্যক্রম, সম্ভাবনা, সমস্যা ও উন্নয়নের নানা দিক তুলে ধরা হয়। এ সময় স্থানীয় সমবায়ী, সমবায় বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং প্রশাসনের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।




















