০৩:০০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ ডিসেম্বর ২০২৫

বাগমারায় বিএনপির মনোনয়ন ঘোষণার পরই বিভক্তি, উপজেলা জুড়ে অস্থিরতা

রাজশাহী প্রতিনিধি:
  • আপডেট সময়ঃ ১১:৪৯:০৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ নভেম্বর ২০২৫
  • / ১৫৬ বার পড়া হয়েছে।

রাজশাহী প্রতিনিধি:

রাজশাহী-৪ (বাগমারা) আসনে বিএনপির মনোনয়ন ঘোষণার পরই দলে দেখা দিয়েছে তীব্র বিভক্তি ও অস্থিরতা। দীর্ঘদিন ঐক্যবদ্ধ থাকা উপজেলা বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীদের মধ্যে হঠাৎ করেই দেখা দিয়েছে মতবিরোধ ও দ্বন্দ্ব।

১৬টি ইউনিয়ন ও দুটি পৌরসভা নিয়ে গঠিত বাগমারা আসনে প্রায় এক ডজন প্রার্থী বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশী ছিলেন। শেষ পর্যন্ত দলীয় মনোনয়ন দেওয়া হয় উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান ডিএম জিয়াউর রহমান জিয়াকে।

দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে একসময় বহিষ্কৃত হয় এই নেতা। তার বিরুদ্ধে রয়েছে একাধিক অভিযোগ। বিভিন্ন মামলায় তিনি কারাভোগও করেছেন। সম্প্রতি তার ভাই, আউচপাড়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান শাফিকুল ইসলাম শাফিকেও দল থেকে বহিষ্কার করা হয়।

একসময়ের বহিষ্কৃত নেতাকে মনোনয়ন দেওয়ার পর থেকেই উপজেলা বিএনপিতে শুরু হয়েছে অস্থিরতা ও অসন্তোষ। তৃণমূলের বহু নেতা-কর্মী ক্ষোভ প্রকাশ করে জানান, “দলীয় আদর্শ বিসর্জন দিয়ে বিতর্কিত নেতাকে মনোনয়ন দেওয়া সংগঠনের জন্য শুভ নয়।”

মনোনয়ন ঘোষণার দিন থেকেই এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। মনোনয়ন বঞ্চিত প্রার্থীর কর্মী সমর্থকদের ওপর হামলা, বাড়িতে অগ্নিসংযোগ, এমনকি পুকুরে বিষ প্রয়োগে মাছ নিধনের মতো ঘটনাও ঘটেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। শুধু তাই নয় ককটেল বিস্ফোরণ ঘটেছে তো প্রার্থীর শ্বশুর বাড়িতে। এমনকি প্রার্থীর বাড়ির সামনে রাখা হয়েছে ককটেল। একই রাতে দেওয়া হয়েছে উপজেলা বিএনপির আরেক সদস্য উপাধ্যক্ষ আব্দুস সোবহান এর দীঘিতে বিষ। ঘটনায় দেড় কোটির অধিক ক্ষতি হয়েছে। প্রতিনিয়ত এমন ঘটনায় সাধারণ মানুষের মাঝে আতঙ্ক বিরাজ করছে। এমন ঘটনা সাক্ষী বাগমারাবাসি এর আগে হয়নি। এসব ঘটনায় ইতিমধ্যে মামলা ও লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে ক্ষতিগ্রস্তদের পক্ষ থেকে।

কেন্দ্রীয় বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর মনোনয়ন ঘোষণা কালে সতর্ক করে বলেছিলেন, “এটি চূড়ান্ত মনোনয়ন নয়; কেউ অনিয়ম বা অসদাচরণে জড়ালে তার মনোনয়ন বাতিল হতে পারে।” কিন্তু বাগমারায় সে নির্দেশনা অমান্য করে দলীয় কর্মসূচির পরিবর্তে শুরু হয়েছে ক্ষমতার লড়াই।

মনোনয়ন ঘোষণার এক সপ্তাহ পেরিয়ে গেলেও এখনো মাঠে কার্যকরভাবে নামেনি ধানের শীষের প্রার্থী ডিএম জিয়াউর রহমান জিয়া। বরং তার পক্ষের কিছু কর্মী মনোনয়ন বঞ্চিতদের হুমকি-ধমকি দিচ্ছেন বলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অভিযোগ উঠেছে।

মনোনয়ন ঘোষণার আগে উপজেলা বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনগুলোর মধ্যে ঐক্যবদ্ধতা থাকলেও বর্তমানে সেটি ভেঙে পড়েছে। মনোনীত ও বঞ্চিত প্রার্থীদের অনুসারীদের মধ্যে সৃষ্টি হয়েছে গভীর বিভাজন।

তৃণমূল নেতাকর্মীদের অনেকে মনে করছেন, “যে প্রার্থী নিজেই দলীয় আদর্শ ভেঙে আওয়ামী লীগের ছত্রছায়ায় উপজেলা চেয়ারম্যান হয়েছিলেন, তাকে মনোনয়ন দেওয়াটা দলের প্রতি আস্থাকে প্রশ্নবিদ্ধ করছে।”

মনোনয়ন পাওয়ার পর প্রতিক্রিয়ায় ডিএম জিয়াউর রহমান জিয়া বলেন, “অনেকে মনোনয়ন চেয়েছিলেন, সবাই পাননি। আমাকে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে, তবে আমি সবাইকে সঙ্গে নিয়ে ধানের শীষের বিজয়ের জন্য কাজ করতে চাই। বাগমারায় কোনো সংঘাত বা হানাহানি হওয়া উচিত নয়।”

তবে মাঠের চিত্র বলছে ভিন্ন কথা। জিয়ার আহ্বান উপেক্ষা করে তার সমর্থকরা বাগমারার বিভিন্ন এলাকায় মনোনয়ন বঞ্চিতদের ওপর চাপ ও ভয়ভীতি প্রদর্শন করছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক ও কাচারীকোয়ালীপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মাষ্টার আব্দুল গাফফার, আমার মনে হয় এত তাড়াহুড়া করে বাগমারায় মনোনয়ন ঘোষণা না করে ভালোভাবে যাচাই করে ধানের শীষের প্রার্থী ঘোষণা করা দরকার ছিল। মনোনয়নের পরে যে ঘটনাগুলো ঘটছে সেগুলো সত্যিই অনাকাঙ্ক্ষিত। এই ঘটনা কেউ কামনা করিনা। মনোনয়ন দেয়া হয়েছে একসময়ের বহিষ্কৃত নেতাকে। অথচ যারা দলের স্বার্থে তৃণমূলকে ঐক্যবদ্ধ করে রেখেছে তাকে মনোনয়ন দেয়া হয়নি। যেহেতু এটি হাই কমান্ডের সিদ্ধান্ত তাই বেশি কিছু বলতে পারছি না। তবে মনোনয়ন ঘোষণার পর থেকেই বাগমারায় বিএনপির মাঝে স্থবিরতা বিরাজ করছে।

বাগমারা উপজেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক

উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য ও সাবেক সাধারণ সম্পাদক উপাধ্যক্ষ আব্দুস সোবহান বলেন, মনোনয়ন ঘোষণার আগেই আমরা ভালো ছিলাম, কেউ লিজকৃত পুকুরে বিষ প্রয়োগে বিপুল পরিমাণ ক্ষতি সাধন করা হয়েছে। বাগমারা জুড়ে কেবল অশান্তি বিরাজ করছে। ভালোভাবে যাচাই না করে দলীয় মনোনয়ন প্রদান করার বিভিন্ন স্থানে মনোনয়ন বঞ্চিত প্রার্থীদের কর্মী সমর্থকদের বাসা বাড়িতে হামলা,ককটেল বিস্ফোরণ সহ দীঘিতে বিষ প্রয়োগের ঘটনা ঘটে চলেছে প্রতিনিয়ত। এর শেষ কোথায়। আমরাও তো বিএনপি। মনোনয়ন যেই পাক আমরা তো ধানের শীষের বাইরে না। তাহলে বেছে বেছে কেন মনোনয়ন বঞ্চিত প্রার্থীদের পক্ষের লোকজনদের ক্ষতি করতে হবে।

অন্যদিকে বিএনপির আরেক মনোনয়ন প্রত্যাশী ব্যারিস্টার সালেকুজ্জামান সাগর বলেন, বাগমারায় চলমান ঘটনা সত্যিই শান্ত বাগমারাকে অশান্ত করে তুলছে। সবাইকে বাগমারার উন্নয়নে কাজ করতে হবে। কেউ যেন ক্ষতিগ্রস্ত না হয় সেটা নিশ্চিত করতে হবে। বাগমারায় তৈরি হোক সম্প্রীতির বন্ধন।

বাগমারার স্থানীয় রাজনীতি পর্যবেক্ষকরা বলছেন, “মনোনয়নকে কেন্দ্র করে বিএনপির এই বিভক্তি আসন্ন নির্বাচনে দলের সম্ভাবনাকে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে।

ট্যাগসঃ

নিউজটি শেয়ার করুন

বিস্তারিত লিখুনঃ

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষণ করুন

আপলোডকারীর তথ্য

বাগমারায় বিএনপির মনোনয়ন ঘোষণার পরই বিভক্তি, উপজেলা জুড়ে অস্থিরতা

আপডেট সময়ঃ ১১:৪৯:০৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ নভেম্বর ২০২৫

রাজশাহী প্রতিনিধি:

রাজশাহী-৪ (বাগমারা) আসনে বিএনপির মনোনয়ন ঘোষণার পরই দলে দেখা দিয়েছে তীব্র বিভক্তি ও অস্থিরতা। দীর্ঘদিন ঐক্যবদ্ধ থাকা উপজেলা বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীদের মধ্যে হঠাৎ করেই দেখা দিয়েছে মতবিরোধ ও দ্বন্দ্ব।

১৬টি ইউনিয়ন ও দুটি পৌরসভা নিয়ে গঠিত বাগমারা আসনে প্রায় এক ডজন প্রার্থী বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশী ছিলেন। শেষ পর্যন্ত দলীয় মনোনয়ন দেওয়া হয় উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান ডিএম জিয়াউর রহমান জিয়াকে।

দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে একসময় বহিষ্কৃত হয় এই নেতা। তার বিরুদ্ধে রয়েছে একাধিক অভিযোগ। বিভিন্ন মামলায় তিনি কারাভোগও করেছেন। সম্প্রতি তার ভাই, আউচপাড়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান শাফিকুল ইসলাম শাফিকেও দল থেকে বহিষ্কার করা হয়।

একসময়ের বহিষ্কৃত নেতাকে মনোনয়ন দেওয়ার পর থেকেই উপজেলা বিএনপিতে শুরু হয়েছে অস্থিরতা ও অসন্তোষ। তৃণমূলের বহু নেতা-কর্মী ক্ষোভ প্রকাশ করে জানান, “দলীয় আদর্শ বিসর্জন দিয়ে বিতর্কিত নেতাকে মনোনয়ন দেওয়া সংগঠনের জন্য শুভ নয়।”

মনোনয়ন ঘোষণার দিন থেকেই এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। মনোনয়ন বঞ্চিত প্রার্থীর কর্মী সমর্থকদের ওপর হামলা, বাড়িতে অগ্নিসংযোগ, এমনকি পুকুরে বিষ প্রয়োগে মাছ নিধনের মতো ঘটনাও ঘটেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। শুধু তাই নয় ককটেল বিস্ফোরণ ঘটেছে তো প্রার্থীর শ্বশুর বাড়িতে। এমনকি প্রার্থীর বাড়ির সামনে রাখা হয়েছে ককটেল। একই রাতে দেওয়া হয়েছে উপজেলা বিএনপির আরেক সদস্য উপাধ্যক্ষ আব্দুস সোবহান এর দীঘিতে বিষ। ঘটনায় দেড় কোটির অধিক ক্ষতি হয়েছে। প্রতিনিয়ত এমন ঘটনায় সাধারণ মানুষের মাঝে আতঙ্ক বিরাজ করছে। এমন ঘটনা সাক্ষী বাগমারাবাসি এর আগে হয়নি। এসব ঘটনায় ইতিমধ্যে মামলা ও লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে ক্ষতিগ্রস্তদের পক্ষ থেকে।

কেন্দ্রীয় বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর মনোনয়ন ঘোষণা কালে সতর্ক করে বলেছিলেন, “এটি চূড়ান্ত মনোনয়ন নয়; কেউ অনিয়ম বা অসদাচরণে জড়ালে তার মনোনয়ন বাতিল হতে পারে।” কিন্তু বাগমারায় সে নির্দেশনা অমান্য করে দলীয় কর্মসূচির পরিবর্তে শুরু হয়েছে ক্ষমতার লড়াই।

মনোনয়ন ঘোষণার এক সপ্তাহ পেরিয়ে গেলেও এখনো মাঠে কার্যকরভাবে নামেনি ধানের শীষের প্রার্থী ডিএম জিয়াউর রহমান জিয়া। বরং তার পক্ষের কিছু কর্মী মনোনয়ন বঞ্চিতদের হুমকি-ধমকি দিচ্ছেন বলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অভিযোগ উঠেছে।

মনোনয়ন ঘোষণার আগে উপজেলা বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনগুলোর মধ্যে ঐক্যবদ্ধতা থাকলেও বর্তমানে সেটি ভেঙে পড়েছে। মনোনীত ও বঞ্চিত প্রার্থীদের অনুসারীদের মধ্যে সৃষ্টি হয়েছে গভীর বিভাজন।

তৃণমূল নেতাকর্মীদের অনেকে মনে করছেন, “যে প্রার্থী নিজেই দলীয় আদর্শ ভেঙে আওয়ামী লীগের ছত্রছায়ায় উপজেলা চেয়ারম্যান হয়েছিলেন, তাকে মনোনয়ন দেওয়াটা দলের প্রতি আস্থাকে প্রশ্নবিদ্ধ করছে।”

মনোনয়ন পাওয়ার পর প্রতিক্রিয়ায় ডিএম জিয়াউর রহমান জিয়া বলেন, “অনেকে মনোনয়ন চেয়েছিলেন, সবাই পাননি। আমাকে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে, তবে আমি সবাইকে সঙ্গে নিয়ে ধানের শীষের বিজয়ের জন্য কাজ করতে চাই। বাগমারায় কোনো সংঘাত বা হানাহানি হওয়া উচিত নয়।”

তবে মাঠের চিত্র বলছে ভিন্ন কথা। জিয়ার আহ্বান উপেক্ষা করে তার সমর্থকরা বাগমারার বিভিন্ন এলাকায় মনোনয়ন বঞ্চিতদের ওপর চাপ ও ভয়ভীতি প্রদর্শন করছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক ও কাচারীকোয়ালীপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মাষ্টার আব্দুল গাফফার, আমার মনে হয় এত তাড়াহুড়া করে বাগমারায় মনোনয়ন ঘোষণা না করে ভালোভাবে যাচাই করে ধানের শীষের প্রার্থী ঘোষণা করা দরকার ছিল। মনোনয়নের পরে যে ঘটনাগুলো ঘটছে সেগুলো সত্যিই অনাকাঙ্ক্ষিত। এই ঘটনা কেউ কামনা করিনা। মনোনয়ন দেয়া হয়েছে একসময়ের বহিষ্কৃত নেতাকে। অথচ যারা দলের স্বার্থে তৃণমূলকে ঐক্যবদ্ধ করে রেখেছে তাকে মনোনয়ন দেয়া হয়নি। যেহেতু এটি হাই কমান্ডের সিদ্ধান্ত তাই বেশি কিছু বলতে পারছি না। তবে মনোনয়ন ঘোষণার পর থেকেই বাগমারায় বিএনপির মাঝে স্থবিরতা বিরাজ করছে।

বাগমারা উপজেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক

উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য ও সাবেক সাধারণ সম্পাদক উপাধ্যক্ষ আব্দুস সোবহান বলেন, মনোনয়ন ঘোষণার আগেই আমরা ভালো ছিলাম, কেউ লিজকৃত পুকুরে বিষ প্রয়োগে বিপুল পরিমাণ ক্ষতি সাধন করা হয়েছে। বাগমারা জুড়ে কেবল অশান্তি বিরাজ করছে। ভালোভাবে যাচাই না করে দলীয় মনোনয়ন প্রদান করার বিভিন্ন স্থানে মনোনয়ন বঞ্চিত প্রার্থীদের কর্মী সমর্থকদের বাসা বাড়িতে হামলা,ককটেল বিস্ফোরণ সহ দীঘিতে বিষ প্রয়োগের ঘটনা ঘটে চলেছে প্রতিনিয়ত। এর শেষ কোথায়। আমরাও তো বিএনপি। মনোনয়ন যেই পাক আমরা তো ধানের শীষের বাইরে না। তাহলে বেছে বেছে কেন মনোনয়ন বঞ্চিত প্রার্থীদের পক্ষের লোকজনদের ক্ষতি করতে হবে।

অন্যদিকে বিএনপির আরেক মনোনয়ন প্রত্যাশী ব্যারিস্টার সালেকুজ্জামান সাগর বলেন, বাগমারায় চলমান ঘটনা সত্যিই শান্ত বাগমারাকে অশান্ত করে তুলছে। সবাইকে বাগমারার উন্নয়নে কাজ করতে হবে। কেউ যেন ক্ষতিগ্রস্ত না হয় সেটা নিশ্চিত করতে হবে। বাগমারায় তৈরি হোক সম্প্রীতির বন্ধন।

বাগমারার স্থানীয় রাজনীতি পর্যবেক্ষকরা বলছেন, “মনোনয়নকে কেন্দ্র করে বিএনপির এই বিভক্তি আসন্ন নির্বাচনে দলের সম্ভাবনাকে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে।