০৯:০৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

কুড়িগ্রাম এক্সপ্রেস’ ট্রেনে নারী যাত্রী ধর্ষণের অভিযোগে ক্যান্টিন বয় গ্রেপ্তার

আমিনুল ইসলাম সোহাগ
  • আপডেট সময়ঃ ০৬:৫৩:৩৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • / ২৬ বার পড়া হয়েছে।

আদমদীঘি (বগুড়া) প্রতিনিধি:
ঢাকা থেকে কুড়িগ্রামগামী ‘কুড়িগ্রাম এক্সপ্রেস’ আন্তঃনগর ট্রেনের ক্যান্টিনে চলন্ত অবস্থায় ৪৪ বছর বয়সী এক নারীকে ধর্ষণের অভিযোগে ক্যান্টিন বয় আবু বক্কর সিদ্দিককে (২২) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। সোমবার (৩১ আগস্ট) বগুড়ার আদমদীঘির সান্তাহার রেলওয়ে থানাধীন নাটোর এলাকায় এ ঘটনাটি ঘটে।

মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) সকালে বগুড়ার সান্তাহার রেলওয়ে থানা পুলিশ তাকে আদালতে পাঠিয়েছে। গ্রেপ্তার নাটোরের লালপুরের আব্দুলপুর গ্রামের মৃত মাসুদ রানার ছেলে।

এদিকে, গ্রেপ্তারের সঙ্গে জড়িত রয়েছে দুই পুলিশ সদস্যসহ বেশ কয়েকজন।তবে মোট পাঁচ জনের নামে মামলা করেছেন ভুক্তভোগী ওই নারী। এদিকে, বাদী থানায় আসার পর মামলায় দুই পুলিশ সদস্যের নাম উল্লেখ করেছিলেন। একারনে তথ্য দিতে ওসি গড়িমসি করছেন বলে অভিযোগ সাংবাদিকদের।

জানা গেছে, সোমবার সকালে ঢাকা থেকে কুড়িগ্রামগামী ‘কুড়িগ্রাম এক্সপ্রেস’ আন্তঃনগর ট্রেনে আসছিলেন ওই নারী যাত্রী। চলন্ত ট্রেনের মধ্যে খাবারের ক্যান্টিনে ওই নারীকে ক্যান্টিন বয় আবু বক্কর সিদ্দিকসহ কয়েক জন ধর্ষণ করেন বলে অভিযোগ ওঠে। ভুক্তভোগীর চিৎকারে ট্রেনের যাত্রীরা তাকে উদ্ধার করেন এবং ক্যান্টিন বয় আবু বক্কর সিদ্দিককে আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেন।

সান্তাহার রেলওয়ে থানার ওসি দুলাল উদ্দীন বলেন, ‘ভুক্তভোগীর অভিযোগ, ঘটনার সঙ্গে পুলিশ সদস্যও জড়িত রয়েছেন।

বিষয়টি তদন্ত করা হচ্ছে। তাছাড়া তিনি (ভুক্তভোগী) নিজেই বাদী হয়ে নারী শিশু আইনে মামলা দায়ের করার পর আবু বক্কর সিদ্দিককে গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে পাঠানো হয়েছে।’

তবে মামলা হওয়ার পর থেকে সাংবাদিকরা এ বিষয়ে তথ্য জানতে চাইলেও সময়ক্ষেপণ করে যাচ্ছেন ওসি। তথ্য জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘আসামিকে কোর্টে পৌঁছানোর আগে মামলার তথ্য সাংবাদিকদের দেওয়ার বিধান নেই।’

সান্তাহার শহর প্রেস ক্লাবের সভাপতি জিললুর রহমান বলেন, ‘সোমবার রাতে আমি নিজেও এই তথ্যের জন্য ওসির কাছে গিয়েছিলাম।

তিনি মামলা এন্ট্রি হওয়ার পর তথ্য দেবেন বললে আমি এবং সিনিয়র সাংবাদিক রফিকুল ইসলাম মন্টু থানা থেকে চলে আসি। এখন পর্যন্ত তিনি কোনো তথ্য দিচ্ছেন না এবং সাংবাদিকদের ফোনও ধরছেন না। তবে পরে বুঝলাম তার পুলিশ জড়িত থাকায়, তাদের সেভ (রক্ষা) করতে হয়তো তিনি তথ্য গোপন রাখার চেষ্টা করে যাচ্ছেন।’

ট্যাগসঃ

নিউজটি শেয়ার করুন

বিস্তারিত লিখুনঃ

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষণ করুন

আপলোডকারীর তথ্য

১০

কুড়িগ্রাম এক্সপ্রেস’ ট্রেনে নারী যাত্রী ধর্ষণের অভিযোগে ক্যান্টিন বয় গ্রেপ্তার

আপডেট সময়ঃ ০৬:৫৩:৩৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

আদমদীঘি (বগুড়া) প্রতিনিধি:
ঢাকা থেকে কুড়িগ্রামগামী ‘কুড়িগ্রাম এক্সপ্রেস’ আন্তঃনগর ট্রেনের ক্যান্টিনে চলন্ত অবস্থায় ৪৪ বছর বয়সী এক নারীকে ধর্ষণের অভিযোগে ক্যান্টিন বয় আবু বক্কর সিদ্দিককে (২২) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। সোমবার (৩১ আগস্ট) বগুড়ার আদমদীঘির সান্তাহার রেলওয়ে থানাধীন নাটোর এলাকায় এ ঘটনাটি ঘটে।

মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) সকালে বগুড়ার সান্তাহার রেলওয়ে থানা পুলিশ তাকে আদালতে পাঠিয়েছে। গ্রেপ্তার নাটোরের লালপুরের আব্দুলপুর গ্রামের মৃত মাসুদ রানার ছেলে।

এদিকে, গ্রেপ্তারের সঙ্গে জড়িত রয়েছে দুই পুলিশ সদস্যসহ বেশ কয়েকজন।তবে মোট পাঁচ জনের নামে মামলা করেছেন ভুক্তভোগী ওই নারী। এদিকে, বাদী থানায় আসার পর মামলায় দুই পুলিশ সদস্যের নাম উল্লেখ করেছিলেন। একারনে তথ্য দিতে ওসি গড়িমসি করছেন বলে অভিযোগ সাংবাদিকদের।

জানা গেছে, সোমবার সকালে ঢাকা থেকে কুড়িগ্রামগামী ‘কুড়িগ্রাম এক্সপ্রেস’ আন্তঃনগর ট্রেনে আসছিলেন ওই নারী যাত্রী। চলন্ত ট্রেনের মধ্যে খাবারের ক্যান্টিনে ওই নারীকে ক্যান্টিন বয় আবু বক্কর সিদ্দিকসহ কয়েক জন ধর্ষণ করেন বলে অভিযোগ ওঠে। ভুক্তভোগীর চিৎকারে ট্রেনের যাত্রীরা তাকে উদ্ধার করেন এবং ক্যান্টিন বয় আবু বক্কর সিদ্দিককে আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেন।

সান্তাহার রেলওয়ে থানার ওসি দুলাল উদ্দীন বলেন, ‘ভুক্তভোগীর অভিযোগ, ঘটনার সঙ্গে পুলিশ সদস্যও জড়িত রয়েছেন।

বিষয়টি তদন্ত করা হচ্ছে। তাছাড়া তিনি (ভুক্তভোগী) নিজেই বাদী হয়ে নারী শিশু আইনে মামলা দায়ের করার পর আবু বক্কর সিদ্দিককে গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে পাঠানো হয়েছে।’

তবে মামলা হওয়ার পর থেকে সাংবাদিকরা এ বিষয়ে তথ্য জানতে চাইলেও সময়ক্ষেপণ করে যাচ্ছেন ওসি। তথ্য জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘আসামিকে কোর্টে পৌঁছানোর আগে মামলার তথ্য সাংবাদিকদের দেওয়ার বিধান নেই।’

সান্তাহার শহর প্রেস ক্লাবের সভাপতি জিললুর রহমান বলেন, ‘সোমবার রাতে আমি নিজেও এই তথ্যের জন্য ওসির কাছে গিয়েছিলাম।

তিনি মামলা এন্ট্রি হওয়ার পর তথ্য দেবেন বললে আমি এবং সিনিয়র সাংবাদিক রফিকুল ইসলাম মন্টু থানা থেকে চলে আসি। এখন পর্যন্ত তিনি কোনো তথ্য দিচ্ছেন না এবং সাংবাদিকদের ফোনও ধরছেন না। তবে পরে বুঝলাম তার পুলিশ জড়িত থাকায়, তাদের সেভ (রক্ষা) করতে হয়তো তিনি তথ্য গোপন রাখার চেষ্টা করে যাচ্ছেন।’