রাজশাহী-১ আসনে বিএনপির রাজনীতিতে ব্যারিস্টার পরিবারের বিকল্প নাই
- আপডেট সময়ঃ ০৭:২৯:২৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ৯ অগাস্ট ২০২৬
- / ১৪ বার পড়া হয়েছে।

আলিফ হোসেন
তানোরঃ
রাজশাহী অঞ্চলে বিএনপির রাজনীতিতে প্রয়াত ব্যারিস্টার আমিনুল হক পরিবারের কোনো বিকল্প নাই। বিএনপির রাজনীতিতে ব্যারিস্টার পরিবার অপ্রতিদন্দী নেতৃত্ব।তারই ধারাবাহিকতায় উত্তরাধিকার সুত্রে রাজনীতিতে আত্মপ্রকাশ করেন তার ভাই
মেজর জেনারেল অবঃ শরিফ উদ্দিন। মেজর জেনারেল অবঃ শরিফ উদ্দিন ছিলেন বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহিদ রাস্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের (গার্ড অব রেজিমেন্ট) নিরাপত্তা প্রধান।বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার সামরিক সচিব হয়েছেন দলের চেয়ারম্যানের রাজনৈতিক উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য।তিনিও বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবনের অধিকারী। অন্যরা রাজনীতি করে যেখানে পৌঁচ্ছাতে চাই, সেখান থেকে শরিফ উদ্দিনের রাজনীতিতে আত্মপ্রকাশ।
জানা গেছে, বিগত ২০০৩ সালের ১ মার্চ প্রধানমন্ত্রীর প্রশংসাপত্র। ১৯৯৭ সালের ২৮ জুলাই জাতিসংঘ পদক। ১৯৮৫ সালের ২০ জুলাই নিরাপত্তা পদক। ১৯৮৭ সালের ৮মে জৈষ্ঠতা পদক। ১৯৮৮ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর প্লাবন পদক। ১৯৮৯ সালের ১ আগষ্ট দাবানল পদক।১৯৯১ সালের ৩০ এপ্রিল ঘুর্ণিঝড় পদক। ১৯৯৬ সালের ১৩ এপ্রিল সিলভার যুবলী পদক। ১৯৯৭ সালের ২০ জুন দ্বিতীয়বার জৈষ্ঠতা পদক। ১৯৯৫ সালের ১৮ এপ্রিল সংসদ নির্বাচক পদক। ১৯৯৮ সালের ২৭ এপ্রিল সুবর্ণ জয়ন্তী পদক। ১৯৯৮ সালের ১৭ মার্চ সংসদ নির্বাচক পদক (দ্বিতীয়) এবং ১৯৯৮ সালের ১৭ মার্চ রক্তদাতা পদক অন্যতম।
সম্প্রতি তানোরের কোয়েল হাট কলেজের নবনির্মিত ভবন উদ্বোধন, কৃষ্ণপুর আদর্শ মহিলা ডিগ্রী কলেজ এবং কৃষ্ণপুর বায়তুন নুর দাখিল মাদ্রাসার নতুন ভবন নির্মানের ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন উপলক্ষে কলেজ চত্ত্বরে সুধী সমাবেশ আয়োজন করা হয়। এদিন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সংরক্ষিত আসনের সাংসদ মাহমুদা হাবিবা খাতুন এবং প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নেসকোর নবনিযুক্ত চেয়ারম্যান ও দলের চেয়ারম্যানের রাজনৈতিক উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য মেজর জেনারেল অবঃ শরিফ উদ্দিন।
এদিকে এটা ছিলো একটি ছোট পরিসরের অনুষ্ঠান। কিন্ত্ত শরিফ উদ্দিনের আগমনের খবরে সকাল থেকেই দলের নেতা ও কর্মী-সমর্থকদের পাশাপাশি দলমত নির্বিশেষে সকল শ্রেণী-পেশার মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে কলেজ চত্ত্বর জনসভায় রুপ নেয়।এসব মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ ও আকুন্ঠ সমর্থন আবারো প্রমাণ করেছে এই জনপদের রাজনীতিতে প্রয়াত ব্যারিস্টার আমিনুল হক পরিবারের কোনো বিকল্প নাই।
এছাড়াও কাঁকনহাট, গোগ্রাম ও চরআষাড়িয়াদহ ইউপিতে বিএনপির কর্মসূচিতে শরিফ উদ্দিনের আগমন ঘিরে দলের নেতা ও কর্মীসমর্থকদের মাঝে যে প্রাণচাঞ্চল্য ও উৎসাহ-উদ্দীপনা এবং সাধারণ মানুষের যে হৃদয় নিংড়ানো ভালবাসার বহিঃপ্রকাশ দেখা গেছে,তাতে তিনি না চাইলেও এই জনপদের মানুষ তাকেই তাদের নেতা হিসেবে বেছে নিয়েছেন।এতে স্বপ্ন ভঙ্গ হয়েছে বিএনপির বিপদগামী মতলববাজ গোষ্ঠীর।যাদের স্বপ্ন ছিলো জাতীয় নির্বাচনে শরিফ উদ্দিনের পরাজয় হলেই তিনি আর রাজনীতিতে ফিরবেন না,এতে ব্যারিস্টার পরিবার রাজনীতি থেকে মাইনাস হবে তাদের সেই আশায় গুড়ে বালি। অথচ প্রয়াত ব্যারিস্টার আমিনুল হকের ছায়া ও দয়ায় এবং তার নাম ভাঙ্গিয়ে এরা প্রতিষ্ঠিত ও গাড়ি বাড়ির মালিক হয়েছে এখন তার অবর্তমানে এরা তার পরিবারের বিপক্ষেই ষড়যন্ত্র শুরু করেছে।তবে ব্যারিস্টার পরিবারের প্রতি সাধারণ মানুষের অকৃত্রিম ভালবাসার কাছে তাদের সব ধরনের ষড়যন্ত্র ও অপচেষ্টা ব্যর্থ হচ্ছে। কারণ এই পরিবার কখানোই এই জনপদের মানুষকে নিরাস করেনি।ফলে এই পরিবারের প্রতিনিধি শরিফ উদ্দিনকে নিয়েই তারা আগামির স্বপ্ন দেখছেন।সকল ষড়যন্ত্র,প্রোপাগান্ডা মোকাবেলা করে শরিফ উদ্দিনের হাতকে শক্তিশালী করতে তৃণমুলের নেতাকর্মীরা ফের সবাই ঐক্যবদ্ধ হয়েছেন। এসব নেতাকর্মীরা মনে করেন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তাদের নেতা শরিফ উদ্দিন পরাজিত হয়নি,তাকে পরাজিত করা হয়েছে।বিএনপির একশ্রেণীর বিপদগামী ও সুবিধাবাদী দলীয় প্রার্থীর বিপক্ষে কাজ করেছেন, যাদের রাজনৈতিক জীবনটাই বির্তকিত পালাবদলের যারা কখানোই ব্যারিস্টার পরিবারের নেতৃত্ব মানতে পারেনি। বিতর্কিত সেই গোষ্ঠী যারা স্বপ্ন দেখছিলেন নির্বাচনে শরিফ উদ্দিনের পরাজয় নিশ্চিত করতে পারলেই এখানে বিএনপির রাজনীতিতে ব্যারিস্টার পরিবার মাইনাস। এদিকে বিষয়টি উপলব্ধি হবার পর তৃণমুলের নেতাকর্মীরা আরো বেশী ঐক্যবদ্ধ ও শরিফমুখী হয়েছে। তৃণমুলের দাবি শরিফ উদ্দিন ইচ্ছে করলেই রাতারাতি এসব সুবিধাবাদীদের মতো শত নেতৃত্ব সৃষ্টি করতে পারেন,কিন্ত এসব শত শত সুবিধাবাদী একজন শরিফ উদ্দিন কি সৃষ্টি করতে পারে ? অন্যদিকে মেজর জেনারেল (অবঃ) শরিফ উদ্দিন রাজনীতিতে সক্রিয় হওয়ায় শরিফবিরোধী শিবির রণেভঙ্গ দিয়েছে। #
















