বাগমারায় বাংলাদেশ কলেজ শিক্ষক সমিতির সভাপতি জুয়েল, সম্পাদক মমিন
- আপডেট সময়ঃ ০৩:১২:০৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬
- / ৫ বার পড়া হয়েছে।

বাগমারা প্রতিনিধি:
রাজশাহীর বাগমারায় বাংলাদেশ কলেজ শিক্ষক সমিতি উপজেলা শাখার ৫১ সদস্যবিশিষ্ট তিন বছর মেয়াদি পূর্ণাঙ্গ কমিটির অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। বাংলাদেশ কলেজ শিক্ষক সমিতির রাজশাহী জেলা শাখার আহ্বায়ক হোসেন আলী এবং সদস্য সচিব আব্দুল গাফফার স্বাক্ষরিত প্যাডে এ কমিটির অনুমোদন দেওয়া হয়।
নবগঠিত কমিটিতে সাঁকোয়া ডিগ্রি কলেজের সহকারী অধ্যাপক আমিনুল ইসলাম জুয়েলকে সভাপতি এবং মচমইল ডিগ্রি কলেজের সহকারী অধ্যাপক আব্দুল মমিন প্রাংকে সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত করা হয়েছে।
কমিটির সহ-সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন হাট গাঙ্গোপাড়া ডিগ্রি কলেজের সহকারী অধ্যাপক শহিদুল ইসলাম, ভবানীগঞ্জ মহিলা ডিগ্রি কলেজের সহকারী অধ্যাপক মেসবাহুল হক দুলু, মচমইল ডিগ্রি কলেজের সহকারী অধ্যাপক মাহাবুবুর রহমান মণ্ডল, শ্রীপুর রামনগর ডিগ্রি কলেজের সহকারী অধ্যাপক তৌহিদুল হক তোতা, বাগমারা কলেজের সহকারী অধ্যাপক আইয়ুব আলী, মোহনগঞ্জ ডিগ্রি কলেজের সহকারী অধ্যাপক আইনুল হক মোল্লা এবং গুনসার মহাবিদ্যালয়ের সহকারী অধ্যাপক দুলাল উদ্দিন।
সহ-সাধারণ সম্পাদক করা হয়েছে বাগমারা কলেজের সহকারী অধ্যাপক কামরুজ্জামান, দ্বীপনগর কলেজের প্রভাষক আবুল বাসার, পানিয়া নরদাস ডিগ্রি কলেজের সহকারী অধ্যাপক আব্দুর রাজ্জাক এবং বীরকুৎসা অবিনাশ স্কুল অ্যান্ড কলেজের সহকারী অধ্যাপক মোশারফ হোসেনকে।
কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক হয়েছেন ভবানীগঞ্জ মহিলা ডিগ্রি কলেজের সহকারী অধ্যাপক এস. এম. রফিকুল ইসলাম। সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন দামনাশ কলেজের সহকারী অধ্যাপক শাহাবুর রহমান, নাসিরগঞ্জ ডিগ্রি কলেজের প্রভাষক মহিবুল ইসলাম রনি এবং তাহেরপুর ডিগ্রি কলেজের সহকারী অধ্যাপক মোজাম্মেল হক।
এ ছাড়া অর্থ সম্পাদক, দপ্তর সম্পাদক, প্রচার সম্পাদক, ক্রীড়া সম্পাদক, সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক, মহিলা বিষয়ক সম্পাদক, সমাজকল্যাণ সম্পাদক, আইন বিষয়ক সম্পাদক, তথ্য ও প্রযুক্তি সম্পাদক, শিক্ষা ও গবেষণা সম্পাদকসহ বিভিন্ন পদে উপজেলার বিভিন্ন কলেজের শিক্ষককে অন্তর্ভুক্ত করে ৫১ সদস্যবিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন করা হয়েছে।
নবগঠিত কমিটির নেতৃবৃন্দ জানান, আগামী তিন বছর কলেজ শিক্ষকদের পেশাগত মর্যাদা ও ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠা, বিভিন্নভাবে নিপীড়িত ও বঞ্চিত শিক্ষকদের পাশে দাঁড়ানো, শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ নিশ্চিত করা এবং অবহেলিত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের উন্নয়নে কার্যকর ভূমিকা রাখার লক্ষ্যে তারা কাজ করবেন। পাশাপাশি উপজেলার কলেজগুলোর শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নয়ন, শিক্ষক-শিক্ষার্থীবান্ধব পরিবেশ সৃষ্টি এবং শিক্ষা-সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন যৌক্তিক দাবি আদায়েও সংগঠনটি সক্রিয় ভূমিকা পালন করবে বলে তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।



















