নেত্রকোনার মদন ফতেপুর সড়কের বেহাল দশা, চরম দুর্ভোগে হাজার মানুষ
- আপডেট সময়ঃ ০৩:০৩:০৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
- / ১৪ বার পড়া হয়েছে।

আলম খান, নেত্রকোনা প্রতিনিধিঃ
নেত্রকোনার মদন ফতেপুর সড়ক সংস্কারকাজ হঠাৎ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় চরম দুর্ভোগে পড়েছেন হাজারো মানুষ।
সড়কের শক্ত ভিত্তি প্রস্তুত করার পর কাজ থমকে যাওয়ায় এবং সাম্প্রতিক ভারী বর্ষণে বড় বড় খানাখন্দের সৃষ্টি হওয়ায় প্রতিদিন দুর্ঘটনার শিকার হচ্ছেন পথচারী ও যানবাহন চালকরা।
স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) সূত্রে জানা গেছে, ২০২৪-২৫ অর্থবছরের ‘গ্রামীণ সড়ক মেরামত ও সংরক্ষণ’ প্রকল্পের আওতায় মদন ফতেপুর সিসি সড়কের মেরামত কাজ শুরু হয়। ২ কোটি ৭২ লাখ ২৬ হাজার ৪৬ টাকা। প্রাক্কলিত মূল্যের কাজটি পায় ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ‘মেসার্স ইউনুস এ্যান্ড ব্রাদার্স ( প্রাঃ) লিমিটেড ’।যা বিগত ২৫ জুন ২০২৫ সালে শেষ হওয়ার কথা। অপর দিকে বরেন্দ্র কনষ্ট্রাকশন লিমিটেড ৩ কোটি ৫৭ হাজার ৬ শত ৪৩ টাকা প্রাক্কলিত মূল্যর কাজটি পায় ২০২৫-২৬ অর্থবছরে।কাজ শেষ হওয়ার কথা ২৬ জুন ২০২৬ মধ্যে।
দীর্ঘদিন কাজ অসম্পূর্ণ থাকায় সড়কে সৃষ্টি হয়েছে গভীর গর্ত। সেখানে বৃষ্টির পানি জমে পথচলা প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়েছে। বিশেষ করে পাহাড়পুর ব্রীজে অটোরিকশা, মোটরসাইকেল ও মালবাহী যানবাহন চলাচলে বড় ধরনের ঝুঁকি তৈরি হয়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দা সফিয়ন তালুকদার, হোসেন তালুকদার, মিনারুল, শফিকুল চৌধুরী, মাওলানা সাইফুল ইসলাম বলেন, ‘গুরুত্বপূর্ণ এ সড়কটি দিয়ে প্রতিদিন হাজারও মানুষ যাতায়াত করেন। সংস্কারে বিলম্বের কারণে সময় ও অর্থ দুই-ই নষ্ট হচ্ছে। দ্রুত ভোগান্তি নিরসনে স্থানীয় সংসদ সদস্য সাবেক সফল স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর ও ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করছি।’
ফতেপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সামিউল হায়দার শফি বলেন, ‘দীর্ঘদিন যাবত রাস্তাটি বেহাল অবস্থায় পড়ে আছে। খানাখন্দে চরম ভোগান্তি তৈরি হওয়ায় ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানকে আমি আপনাদের মাধ্যমে অনুরোধ করছি দ্রুত কাজ শেষ করার জন্য।
কাজ বন্ধের বিষয়ে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের ইউনুস এ্যান্ড ব্রাদার্স এর প্রতিনিধি তোফায়েল জানায়, আমরা অনেক পূর্বে রাস্তার কাজ করছি। কিন্তু বিল না পাওয়ায় বাকী কাজ করতে পারছি না।বিল ফেলে দ্রুত কাজ শেষ করব।বরেন্দ্র কনষ্ট্রাকশন এর প্রতিনিধি আশরাফুল জানায়,বৃষ্টি কারনে আমরা কাজ শেষ করতে পারছিনা। চলতি বছরের ডিসেম্বরের মধ্যেই কাজটি সম্পন্ন করার চেষ্টা করব।
এ বিষয় মদন উপজেলা প্রকৌশলী মোঃ আরিফ উল্লাহ খান বলেন, ‘দ্রুত কাজ শেষ করার জন্য তাগিদ দিয়েছি। চলতি বছরের মধ্যে কাজ শেষ করতে না পারলে তাদের চুক্তি বাতিল করা হবে। ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা দ্রুতই এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।



















