সুফলাকাটী ইউনিয়নের ১৩টি দুর্গাপূজা মণ্ডপ পরিদর্শন ও আর্থিক সহায়তা দিলেন রফিকুল ইসলাম
- আপডেট সময়ঃ ০৮:২৪:০২ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬
- / ১৯ বার পড়া হয়েছে।

কেশবপুর (যশোর) প্রতিনিধি:
শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে যশোরের কেশবপুর উপজেলার ৮ নম্বর সুফলাকাটী ইউনিয়নের ১৩টি দুর্গাপূজা মণ্ডপ পরিদর্শন, আর্থিক সহায়তা প্রদান এবং সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সঙ্গে শারদীয় শুভেচ্ছা বিনিময় করেছেন স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোঃ রফিকুল ইসলাম। দুর্গোৎসবের আনন্দ সবার মাঝে ছড়িয়ে দেওয়া এবং ধর্মীয় সম্প্রীতি ও সামাজিক সৌহার্দ্য সুদৃঢ় করার লক্ষ্যে তিনি এসব পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করেন। এ সময় নিজস্ব অর্থায়নে পূজামণ্ডপগুলোতে আর্থিক সহায়তা প্রদান করেন তিনি।
পরিদর্শনকালে রফিকুল ইসলাম পূজামণ্ডপের আয়োজক, পূজা উদ্যাপন কমিটির সদস্য, ভক্তবৃন্দ ও স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন। তিনি সনাতন ধর্মাবলম্বীদের শারদীয় দুর্গোৎসবের শুভেচ্ছা জানান এবং উৎসবের আনন্দ সবার সঙ্গে ভাগাভাগি করে নেওয়ার আহ্বান জানান।
পরিদর্শন করা পূজামণ্ডপগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো—কালিচরণপুর শারদীয় দুর্গামন্দির, কাটাখালী শারদীয় দুর্গামন্দির, নারায়ণপুর সার্বজনীন দুর্গামন্দির, হাড়িয়াঘোপ পালপাড়ার দুটি পূজামণ্ডপ, কৃষ্ণনগর পূজামণ্ডপ, সুফলাকাটী কুন্ডুপাড়া পূজামণ্ডপ, ডহরী সার্বজনীন পূজামণ্ডপ, পশ্চিম সারুটিয়া সার্বজনীন পূজামণ্ডপ, পূর্ব সারুটিয়া সার্বজনীন পূজামণ্ডপ এবং কায়েমখোলা সার্বজনীন দুর্গামন্দিরসহ ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকার পূজামণ্ডপ।
রফিকুল ইসলাম বলেন, ধর্ম যার যার, উৎসব সবার। সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রেখে সব ধর্মের মানুষের মধ্যে পারস্পরিক শ্রদ্ধা, ভালোবাসা ও সহযোগিতার সম্পর্ক গড়ে তুলতে হবে। সবাই মিলেমিশে উৎসব উদ্যাপন করলে সমাজে শান্তি ও সম্প্রীতি আরও সুদৃঢ় হবে।
তিনি আরও বলেন, “এলাকার মানুষের সুখে-দুঃখে পাশে থাকতে চাই। মানুষের কল্যাণে কাজ করা এবং এলাকার উন্নয়নে ভূমিকা রাখা আমার লক্ষ্য। আমি চাই, সুফলাকাটী ইউনিয়নের সব ধর্মের মানুষ শান্তিপূর্ণ পরিবেশে বসবাস করবেন এবং পারস্পরিক সহযোগিতার মাধ্যমে একটি সুন্দর সমাজ গড়ে তুলবেন।”
তিনি ইউনিয়নের সর্বস্তরের মানুষের শান্তি, সমৃদ্ধি ও কল্যাণ কামনা করেন। পাশাপাশি দুর্গোৎসব যেন আনন্দঘন ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে সম্পন্ন হয়, সে জন্য সবার প্রতি আন্তরিক শুভকামনা জানান।
এ সময় স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, পূজা উদ্যাপন কমিটির সদস্য, ভক্তবৃন্দ ও তাঁর সঙ্গে থাকা ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে বিভিন্ন পূজামণ্ডপে আর্থিক সহায়তা প্রদান ও শুভেচ্ছা বিনিময়ের মধ্য দিয়ে রফিকুল ইসলাম স্থানীয় মানুষের সঙ্গে সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখার উদ্যোগ নেন। তাঁর এ কর্মসূচিতে ধর্মীয় সম্প্রীতি, সামাজিক ঐক্য ও পারস্পরিক সহযোগিতার বিষয়টি গুরুত্ব পায়।



















