রূপগঞ্জে ফরটিস গ্রুপের বিরুদ্ধে জমি দখলের অভিযোগে মানববন্ধন
- আপডেট সময়ঃ ০৮:৪২:৫২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৮ অক্টোবর ২০২৬
- / ১৪ বার পড়া হয়েছে।

মাহবুবুর রহমান নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি:
নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে ফরটিস গ্রুপের আবাসন প্রকল্পের বিরুদ্ধে জমি দখল ও বালু ভরাটের অভিযোগ তুলে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ করেছেন স্থানীয় ভুক্তভোগীরা।
বৃহস্পতিবার দুপুরে উপজেলার রূপগঞ্জ ইউনিয়নের বাঘবেড় এলাকায় ফরটিস গ্রুপের প্রকল্পের সামনে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।
মানববন্ধনে অংশ নেওয়া স্থানীয়রা অভিযোগ করেন, বাঘবেড়, টিনর ও কেয়ারিয়া এলাকায় ফরটিস গ্রুপের আবাসন প্রকল্প গড়ে ওঠার পর প্লাটিনাম ও সারা রিসোর্ট নামে আরও দুটি প্রকল্প চালু করা হয়। এসব প্রকল্পের কার্যক্রম শুরুর পর স্থানীয়দের জমিতে বালু ভরাট করে দখলের চেষ্টা করা হচ্ছে বলে তাদের অভিযোগ।
ভুক্তভোগীদের দাবি, সম্প্রতি ভুয়া দলিলের মাধ্যমে প্রায় ২০ বিঘা জমি দখল করে বালু দিয়ে ভরাট করা হয়েছে। এতে বাধা দিতে গেলে প্রকল্পসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের পক্ষ থেকে হামলা ও মামলা দিয়ে হয়রানির অভিযোগও করেন তারা। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে ফরটিস গ্রুপের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
ভুক্তভোগী দিন ইসলাম বলেন, ১৯৫৬ সালে তার বাবা-চাচারা শশী মোহনের কাছ থেকে জমি কিনেছিলেন। প্রায় ৬০ বছর ধরে তারা ওই জমিতে চাষাবাদ করে আসছিলেন। কিন্তু ফরটিস গ্রুপ বালু ভরাট করে জমিটি দখলে নিয়েছে বলে তিনি অভিযোগ করেন।
ভুক্তভোগী রিটন সরকার অভিযোগ করেন, তার চাচা জয়চন্দ্র প্রায় ৫০ বছর আগে মারা গেলেও ২০১৮ সালে তার নামে দলিল তৈরি করে তাদের জমি বেদখল করা হয়েছে।
আরেক ভুক্তভোগী মাসুমসহ স্থানীয় কয়েকজন জানান, বাঘবেড় পশ্চিমপাড়া এলাকায় ইউনিয়ন পরিষদের উদ্যোগে নির্মিত একটি রাস্তা দিয়ে প্রায় এক হাজার মানুষ, শিক্ষার্থী ও স্থানীয় বাসিন্দা চলাচল করতেন। ফরটিসের প্লাটিনাম প্রকল্পের কারণে বর্তমানে ওই রাস্তা দিয়ে চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে বলে তাদের অভিযোগ। রাস্তা সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়া হলেও তাতেও বাধা দেওয়া হচ্ছে বলে দাবি করেন তারা।
মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, স্থানীয়দের জমি ও চলাচলের রাস্তা নিয়ে সৃষ্ট সমস্যা দ্রুত সমাধান করা প্রয়োজন। তারা অভিযোগগুলো তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানান।
ভুক্তভোগীরা আরও বলেন, জমি দখলের অভিযোগ তদন্ত করে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া না হলে রূপগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয় ঘেরাওসহ ঢাকা-বাইপাস ও ৩০০ ফুট সড়ক অবরোধের মতো কর্মসূচি দেওয়া হবে।



















