০৪:৫৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬

তানোরে ৪ বছরের শিশুকে ধর্ষণের চেষ্টা রামেকে ভর্তি

আলিফ হোসেন
  • আপডেট সময়ঃ ১০:০১:৩৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • / ৪৫ বার পড়া হয়েছে।

আলিফ হোসেন,তানোরঃ
রাজশাহীর তানোরের বাধাইড় ইউনিয়নের (ইউপি) একটি গুচ্ছ গ্রামে ৪ বছরের শিশু কন্যাকে ধর্ষণের চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। বুধবার (৩০সেপ্টেম্বর) সকালে
ওই শিশু কন্যাকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের (রামেক) ওসিসিতে ভর্তি করা হয়েছে।শিশুর অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে। এ ঘটনায় গত মঙ্গলবার সকালে ওই শিশু কন্যার মা বাদি হয়ে ৩ জনকে আসামী করে তানোর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ করেছেন।
অভিযোগ ও এলাকাবাসী সুত্রে জানা গেছে, গত রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বাধাইড় ইউপির একটি গুচ্ছ গ্রামের বাসিন্দা জনৈক সেলিম রেজার পুত্র ও ৬ষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থী সবুজ (১২) প্রতিবেশী ব্যক্তির শিশু কন্যাকে (৪) খাবারের লোভ দেখিয়ে ঘরে নিয়ে ধর্ষণের চেষ্টা করেন। এ সময় শিশুর মা জানালা দিয়ে এমন দৃশ্য দেখে চিৎকার ও চেচামেচি শুরু করলে দরজা খুলে দিয়ে পালিয়ে যায় ধর্ষক সবুজ।
এ সময় ধর্ষকের মা ও দাদী শিশু কন্যার চিকিৎসার খরচ দেয়ার আশ্বাষ দিয়ে বিষয়টি কাউকে না জানানোর জন্য শিশু কন্যার মাকে বলেন। এদিকে ওই শিশু বাড়িতে এসে অসুস্থ ও রক্তক্ষরণ শুরু হয়।এ সময় ওই শিশুকে এলাকার প্রাথমিক চিকিৎসা দেযা হয়। তবে, ধর্ষকের মা ও দাদী চিকিৎসা খরচ না দিয়ে এবং এই বিষয়ে কোন ধরনের খোঁজখবর না নিয়ে ধর্ষককে অন্যত্র সরিয়ে দেয়।
মঙ্গলবার সকালে শিশু কন্যার মা তানোর থানায় এসে ধর্ষক সবুজ ও তার মা ও দাদীসহ ৩ জনকে আসামী করে তানোর থানায় লিখিত অভিযোগ করেন। অভিযোগের প্রেক্ষিতে মুন্ডমালা পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের এসআই শফিকুল ইসলাম মঙ্গলবার বিকালে ঘটনাস্থলে যান। প্রাথমিক তদন্তে ঘটনার সত্যতা পেলেও তিনি শিশুর মাকে বিষয়টি আপোষ করে নিতে বলে চলে আসেন।
তবে ওই শিশুর অবস্থা বেগতিক দেখে শিশু কন্যাকে বুধবার সকালে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের (রামেক)ওসিসিতে ভর্তি করেন তার মা। এবিষয়ে অভিযোগ তদন্তকারী কর্মকর্তা মুন্ডমালা পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের এসআই শফিকুল ইসলাম বলেন, প্রাথমিক তদন্তে ঘটনার সত্যতা পাওয়া গেছে। বিষয়টি তিনি তানোর থানার অফিসার ইনচার্জকে (ওসি) জানিয়েছেন।তবে আপোষ করে নিতে বলার কথা অস্বীকার করেন তিনি।
এবিষয়ে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে অভিযুক্ত সবুজের পিতা সেলিম রেজা বলেন, আমিসহ মেযের বাবা ও চাচা ফরিদপুরে রাজমিস্ত্রীর কাজে এসেছি। বিষয়টি শুনেছি মেয়ের বাবা বাড়িতে গেলো আমিও যাওযার চেস্টা করছি। আমার ছেলে নানার বাড়িতে থাকে আমার বাড়িতে বেড়াতে এসে এমন ঘটনা ঘটিয়েছে বলে শুনেছি। সত্য মিথ্যে জানিনা বলেও জানান তিনি।
এবিষয়ে তানোর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মাহমুদুল হাসান বলেন, অভিযোগ পাওয়া গেছে। তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে বলেও জানান তিনি।#

ট্যাগসঃ

নিউজটি শেয়ার করুন

বিস্তারিত লিখুনঃ

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষণ করুন

আপলোডকারীর তথ্য

তানোরে ৪ বছরের শিশুকে ধর্ষণের চেষ্টা রামেকে ভর্তি

আপডেট সময়ঃ ১০:০১:৩৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

আলিফ হোসেন,তানোরঃ
রাজশাহীর তানোরের বাধাইড় ইউনিয়নের (ইউপি) একটি গুচ্ছ গ্রামে ৪ বছরের শিশু কন্যাকে ধর্ষণের চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। বুধবার (৩০সেপ্টেম্বর) সকালে
ওই শিশু কন্যাকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের (রামেক) ওসিসিতে ভর্তি করা হয়েছে।শিশুর অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে। এ ঘটনায় গত মঙ্গলবার সকালে ওই শিশু কন্যার মা বাদি হয়ে ৩ জনকে আসামী করে তানোর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ করেছেন।
অভিযোগ ও এলাকাবাসী সুত্রে জানা গেছে, গত রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বাধাইড় ইউপির একটি গুচ্ছ গ্রামের বাসিন্দা জনৈক সেলিম রেজার পুত্র ও ৬ষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থী সবুজ (১২) প্রতিবেশী ব্যক্তির শিশু কন্যাকে (৪) খাবারের লোভ দেখিয়ে ঘরে নিয়ে ধর্ষণের চেষ্টা করেন। এ সময় শিশুর মা জানালা দিয়ে এমন দৃশ্য দেখে চিৎকার ও চেচামেচি শুরু করলে দরজা খুলে দিয়ে পালিয়ে যায় ধর্ষক সবুজ।
এ সময় ধর্ষকের মা ও দাদী শিশু কন্যার চিকিৎসার খরচ দেয়ার আশ্বাষ দিয়ে বিষয়টি কাউকে না জানানোর জন্য শিশু কন্যার মাকে বলেন। এদিকে ওই শিশু বাড়িতে এসে অসুস্থ ও রক্তক্ষরণ শুরু হয়।এ সময় ওই শিশুকে এলাকার প্রাথমিক চিকিৎসা দেযা হয়। তবে, ধর্ষকের মা ও দাদী চিকিৎসা খরচ না দিয়ে এবং এই বিষয়ে কোন ধরনের খোঁজখবর না নিয়ে ধর্ষককে অন্যত্র সরিয়ে দেয়।
মঙ্গলবার সকালে শিশু কন্যার মা তানোর থানায় এসে ধর্ষক সবুজ ও তার মা ও দাদীসহ ৩ জনকে আসামী করে তানোর থানায় লিখিত অভিযোগ করেন। অভিযোগের প্রেক্ষিতে মুন্ডমালা পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের এসআই শফিকুল ইসলাম মঙ্গলবার বিকালে ঘটনাস্থলে যান। প্রাথমিক তদন্তে ঘটনার সত্যতা পেলেও তিনি শিশুর মাকে বিষয়টি আপোষ করে নিতে বলে চলে আসেন।
তবে ওই শিশুর অবস্থা বেগতিক দেখে শিশু কন্যাকে বুধবার সকালে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের (রামেক)ওসিসিতে ভর্তি করেন তার মা। এবিষয়ে অভিযোগ তদন্তকারী কর্মকর্তা মুন্ডমালা পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের এসআই শফিকুল ইসলাম বলেন, প্রাথমিক তদন্তে ঘটনার সত্যতা পাওয়া গেছে। বিষয়টি তিনি তানোর থানার অফিসার ইনচার্জকে (ওসি) জানিয়েছেন।তবে আপোষ করে নিতে বলার কথা অস্বীকার করেন তিনি।
এবিষয়ে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে অভিযুক্ত সবুজের পিতা সেলিম রেজা বলেন, আমিসহ মেযের বাবা ও চাচা ফরিদপুরে রাজমিস্ত্রীর কাজে এসেছি। বিষয়টি শুনেছি মেয়ের বাবা বাড়িতে গেলো আমিও যাওযার চেস্টা করছি। আমার ছেলে নানার বাড়িতে থাকে আমার বাড়িতে বেড়াতে এসে এমন ঘটনা ঘটিয়েছে বলে শুনেছি। সত্য মিথ্যে জানিনা বলেও জানান তিনি।
এবিষয়ে তানোর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মাহমুদুল হাসান বলেন, অভিযোগ পাওয়া গেছে। তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে বলেও জানান তিনি।#