০৪:২২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০২ অক্টোবর ২০২৬

ডায়ের খালের গেটে শ্রমিকদের সঙ্গে পানিতে নেমে শেওলা পরিষ্কার করলেন চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী রফিকুল ইসলাম

রিপোর্টার নামঃ
  • আপডেট সময়ঃ ০৬:০৯:৫৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১ অক্টোবর ২০২৬
  • / ৩৮ বার পড়া হয়েছে।

কেশবপুর (যশোর) প্রতিনিধি:

আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে ব্যতিক্রমী উদ্যোগ নিয়ে সাধারণ মানুষের সঙ্গে মাঠে নেমেছেন ৮ নম্বর সুফলাকাটী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোঃ রফিকুল ইসলাম। জনগণের পাশে থাকার প্রত্যয় ব্যক্ত করে তিনি নিজেই পানিতে নেমে শ্রমিকদের সঙ্গে হাতে হাত মিলিয়ে ডায়ের খালের ৮-ব্যান্ড সুইচ গেটের মুখে জমে থাকা শেওলা পরিষ্কারের কাজে অংশ নেন।

বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) ডায়ের খালের ৮-ব্যান্ড সুইচ গেট এলাকায় এ দৃশ্য দেখা যায়। গ্রাম্য পরিবেশে স্থানীয় শ্রমিকদের সঙ্গে নিয়ে পানিতে নেমে গেটের মুখে জমে থাকা শেওলা ও আবর্জনা অপসারণে সরাসরি অংশ নেন চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী রফিকুল ইসলাম। এ সময় তাকে শ্রমিকদের সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করতে দেখা যায়।

স্থানীয়দের ভাষ্য, বর্ষা মৌসুমে এলাকার পানি নিষ্কাশনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ পথ হিসেবে ডায়ের খাল ও সুইচ গেটটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। গেটের মুখে শেওলা ও বিভিন্ন ধরনের জলজ আবর্জনা জমে পানি প্রবাহে বাধা সৃষ্টি হলে আশপাশের কৃষিজমিতে জলাবদ্ধতার আশঙ্কা তৈরি হয়। ফলে পানি নিষ্কাশনের স্বাভাবিক প্রবাহ সচল রাখতে শেওলা পরিষ্কারের উদ্যোগ নেওয়া হয়।

কাজে অংশ নেওয়ার সময় চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোঃ রফিকুল ইসলাম বলেন, “আমি জনগণের সঙ্গে থেকে জনগণের সেবা করতে চাই। শুধু নির্বাচনের সময় নয়, সবসময় সাধারণ মানুষের পাশে থাকার চেষ্টা করব। আজ শ্রমিক ভাইদের সঙ্গে আমিও পানিতে নেমে কাজ করছি—কারণ এটি আমাদের এলাকার মানুষের প্রয়োজনের সঙ্গে জড়িত।”

তিনি আরও বলেন, “আল্লাহ যদি আমাকে চেয়ারম্যান হিসেবে কাজ করার তৌফিক দেন, তাহলে দায়িত্ব পাওয়ার পর এলাকার পানি নিষ্কাশনের বিষয়টিকে গুরুত্ব দিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করব। যাতে বর্ষা মৌসুমে কৃষকদের জমিতে পানি জমে না থাকে এবং এলাকার মানুষ স্বাভাবিকভাবে ধান চাষ করতে পারেন।”

রফিকুল ইসলাম বলেন, এলাকার কৃষক ও সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার সঙ্গে পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা ও খাল-বিলের স্বাভাবিক প্রবাহ সরাসরি জড়িত। তাই ইউনিয়নের গুরুত্বপূর্ণ খাল, নালা ও পানি নিষ্কাশনের পথগুলো চিহ্নিত করে প্রয়োজন অনুযায়ী পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখা এবং পানি চলাচলের প্রতিবন্ধকতা দূর করার উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন।

এ সময় স্থানীয় শ্রমিক ও এলাকাবাসীর সঙ্গে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে কথা বলেন তিনি। তাদের কাছ থেকে এলাকার পানি নিষ্কাশন, কৃষিকাজ ও স্থানীয় সমস্যার কথাও শোনেন।

চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী রফিকুল ইসলামের এমন উদ্যোগকে ঘিরে স্থানীয়দের মধ্যে আলোচনা সৃষ্টি হয়েছে। তার বক্তব্য, জনগণের সেবা শুধু প্রতিশ্রুতির মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে বাস্তব কাজের মাধ্যমে মানুষের পাশে থাকাই তার লক্ষ্য।

ট্যাগসঃ

নিউজটি শেয়ার করুন

বিস্তারিত লিখুনঃ

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষণ করুন

আপলোডকারীর তথ্য

ডায়ের খালের গেটে শ্রমিকদের সঙ্গে পানিতে নেমে শেওলা পরিষ্কার করলেন চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী রফিকুল ইসলাম

আপডেট সময়ঃ ০৬:০৯:৫৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১ অক্টোবর ২০২৬

কেশবপুর (যশোর) প্রতিনিধি:

আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে ব্যতিক্রমী উদ্যোগ নিয়ে সাধারণ মানুষের সঙ্গে মাঠে নেমেছেন ৮ নম্বর সুফলাকাটী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোঃ রফিকুল ইসলাম। জনগণের পাশে থাকার প্রত্যয় ব্যক্ত করে তিনি নিজেই পানিতে নেমে শ্রমিকদের সঙ্গে হাতে হাত মিলিয়ে ডায়ের খালের ৮-ব্যান্ড সুইচ গেটের মুখে জমে থাকা শেওলা পরিষ্কারের কাজে অংশ নেন।

বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) ডায়ের খালের ৮-ব্যান্ড সুইচ গেট এলাকায় এ দৃশ্য দেখা যায়। গ্রাম্য পরিবেশে স্থানীয় শ্রমিকদের সঙ্গে নিয়ে পানিতে নেমে গেটের মুখে জমে থাকা শেওলা ও আবর্জনা অপসারণে সরাসরি অংশ নেন চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী রফিকুল ইসলাম। এ সময় তাকে শ্রমিকদের সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করতে দেখা যায়।

স্থানীয়দের ভাষ্য, বর্ষা মৌসুমে এলাকার পানি নিষ্কাশনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ পথ হিসেবে ডায়ের খাল ও সুইচ গেটটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। গেটের মুখে শেওলা ও বিভিন্ন ধরনের জলজ আবর্জনা জমে পানি প্রবাহে বাধা সৃষ্টি হলে আশপাশের কৃষিজমিতে জলাবদ্ধতার আশঙ্কা তৈরি হয়। ফলে পানি নিষ্কাশনের স্বাভাবিক প্রবাহ সচল রাখতে শেওলা পরিষ্কারের উদ্যোগ নেওয়া হয়।

কাজে অংশ নেওয়ার সময় চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোঃ রফিকুল ইসলাম বলেন, “আমি জনগণের সঙ্গে থেকে জনগণের সেবা করতে চাই। শুধু নির্বাচনের সময় নয়, সবসময় সাধারণ মানুষের পাশে থাকার চেষ্টা করব। আজ শ্রমিক ভাইদের সঙ্গে আমিও পানিতে নেমে কাজ করছি—কারণ এটি আমাদের এলাকার মানুষের প্রয়োজনের সঙ্গে জড়িত।”

তিনি আরও বলেন, “আল্লাহ যদি আমাকে চেয়ারম্যান হিসেবে কাজ করার তৌফিক দেন, তাহলে দায়িত্ব পাওয়ার পর এলাকার পানি নিষ্কাশনের বিষয়টিকে গুরুত্ব দিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করব। যাতে বর্ষা মৌসুমে কৃষকদের জমিতে পানি জমে না থাকে এবং এলাকার মানুষ স্বাভাবিকভাবে ধান চাষ করতে পারেন।”

রফিকুল ইসলাম বলেন, এলাকার কৃষক ও সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার সঙ্গে পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা ও খাল-বিলের স্বাভাবিক প্রবাহ সরাসরি জড়িত। তাই ইউনিয়নের গুরুত্বপূর্ণ খাল, নালা ও পানি নিষ্কাশনের পথগুলো চিহ্নিত করে প্রয়োজন অনুযায়ী পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখা এবং পানি চলাচলের প্রতিবন্ধকতা দূর করার উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন।

এ সময় স্থানীয় শ্রমিক ও এলাকাবাসীর সঙ্গে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে কথা বলেন তিনি। তাদের কাছ থেকে এলাকার পানি নিষ্কাশন, কৃষিকাজ ও স্থানীয় সমস্যার কথাও শোনেন।

চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী রফিকুল ইসলামের এমন উদ্যোগকে ঘিরে স্থানীয়দের মধ্যে আলোচনা সৃষ্টি হয়েছে। তার বক্তব্য, জনগণের সেবা শুধু প্রতিশ্রুতির মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে বাস্তব কাজের মাধ্যমে মানুষের পাশে থাকাই তার লক্ষ্য।