০৫:১৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৬

ঠাকুরগাঁওয়ে দলিল লেখক সমিতির নামে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ

রহমত আরিফ
  • আপডেট সময়ঃ ০৪:০০:০০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ অক্টোবর ২০২৬
  • / ২২ বার পড়া হয়েছে।

রহমত আরিফ ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি:

ঠাকুরগাঁও সদর সাব-রেজিস্ট্রার কার্যালয়ে জমি রেজিস্ট্রেশন করতে আসা ক্রেতা-বিক্রেতাদের কাছ থেকে দলিল লেখক সমিতির নামে নির্ধারিত হারে অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ রয়েছে, সমিতির নামে প্রতি দলিল থেকে ৩০০ টাকা করে নেওয়া হলেও অনেক ক্ষেত্রে এর চেয়ে কয়েকগুণ বেশি অর্থ আদায় করা হচ্ছে। টাকা না দিলে দলিলের কাজ এগোয় না বলেও অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগীরা।

অভিযোগকারীদের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে এভাবে অতিরিক্ত অর্থ আদায় চলে আসলেও কার্যকরভাবে তা বন্ধ হয়নি। এমনকি সমিতির নামে দলিল প্রতি নির্দিষ্ট হারে অর্থ আদায় না করতে বাংলাদেশ নিবন্ধন অধিদপ্তরের মহাপরিদর্শকের কার্যালয় থেকে নির্দেশনা দেওয়া হলেও ঠাকুরগাঁও সদর সাব-রেজিস্ট্রার কার্যালয়ে তা পুরোপুরি কার্যকর হচ্ছে না বলে অভিযোগ উঠেছে।
জানা গেছে, ঠাকুরগাঁও সদর সাব-রেজিস্ট্রার কার্যালয়ে বর্তমানে ৮১ জন সনদপ্রাপ্ত দলিল লেখক রয়েছেন। নিয়ম অনুযায়ী দলিল লেখকরা নির্ধারিত হারে দলিল লেখার পারিশ্রমিক নিতে পারেন। এ ছাড়া দলিল লেখকদের ফি-সংক্রান্ত তথ্য প্রকাশ্যে প্রদর্শনের ব্যবস্থাও থাকার কথা। কোনো লাইসেন্সধারী দলিল লেখক আইন বা বিধি লঙ্ঘন করলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার এখতিয়ার রয়েছে সাব-রেজিস্ট্রারের।
অভিযোগ রয়েছে, এসব নিয়মের বাইরে দলিল লেখক সমিতির নামে অতিরিক্ত অর্থ আদায় করা হচ্ছে। দলিল লেখক সমিতির সদস্য কছির উদ্দিন জানান, প্রতিদিন সদর সাব-রেজিস্ট্রার কার্যালয়ে প্রায় ৬০ থেকে ৭০টি দলিল লেখা হয়। প্রতিটি দলিলের বিপরীতে সমিতির নামে ৩০০ টাকা করে নেওয়া হয় এবং তা সংগঠনের ফান্ডে জমা দেওয়া হয়।
তিনি বলেন, “এখানকার নিয়ম হলো ৩০০ টাকা করে দিতে হবে। টাকা না দিলে কাজ কিভাবে হবে? নিজের পকেট থেকে তো দেওয়া সম্ভব না।”
অন্যদিকে জমি রেজিস্ট্রি করতে আসা আরিফুল ইসলাম, সমসের আলী ও আব্দুর রহিমসহ কয়েকজন অভিযোগ করেন, দুই শতক জমি রেজিস্ট্রি করতে তাদের কাছ থেকে প্রায় সাড়ে তিন হাজার টাকা নেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে দুই হাজার টাকা দলিল লেখক সমিতির নামে এবং দেড় হাজার টাকা অফিস খরচ হিসেবে নেওয়া হয়েছে বলে তারা দাবি করেন।
ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, কোনো কোনো ক্ষেত্রে চার থেকে আট হাজার টাকা পর্যন্ত অতিরিক্ত অর্থ নেওয়া হচ্ছে। তারা বলেন, সমিতির নামে নেওয়া অর্থ পরে সদস্যদের মধ্যে ভাগ করে দেওয়া হয় বলে তারা শুনেছেন। তবে টাকা না দিলে দলিল রেজিস্ট্রেশন প্রক্রিয়া এগোয় না—এ কারণে বাধ্য হয়েই অতিরিক্ত অর্থ দিতে হচ্ছে।
সদর উপজেলার বাসিন্দা হুমায়ুন কবির রেজা অভিযোগ করেন, দলিল রেজিস্ট্রি করতে গেলে দলিল লেখক সমিতির সভাপতি-সাধারণ সম্পাদকসহ সংশ্লিষ্টদের মাধ্যমে সেবা নিতে হয়। লিখনীর ফি কত জানতে চাইলে নির্দিষ্ট কোনো ফি জানানো হয় না বলেও অভিযোগ করেন তিনি।
তার ভাষ্য, “সমিতির নামে অতিরিক্ত অর্থ আদায় করা হচ্ছে। এতে সাধারণ মানুষ হয়রানির শিকার হচ্ছেন। আমরা এর প্রতিকার চাই।”
অভিযোগের বিষয়ে দলিল লেখক সমিতির সভাপতি আব্দুল ওয়াদুদ সরকারের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি পরিচয় পাওয়ার পর কথা না বলে ব্যস্ততা দেখিয়ে এড়িয়ে যান।
তবে সমিতির নবনির্বাচিত সাধারণ সম্পাদক মোজাম্মেল হক অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, সমিতির নামে চাঁদাবাজি করা হয় না; দলিল লেখকরা তাদের পারিশ্রমিক নেন। সেবা-প্রত্যাশীদের কাছ থেকে নেওয়া অর্থ সমিতির ফান্ডে জমা হয় এবং ঈদসহ বিভিন্ন সময়ে সদস্যদের সহায়তায় সেই অর্থ ব্যয় করা হয়।
দলিল লেখার নির্দিষ্ট ফি কত—এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, দলিল লেখার নির্দিষ্ট কোনো ফি নেই। অনেকেই খুশি হয়ে ৫ থেকে ১০ হাজার টাকা দেন, আবার কেউ দুই হাজার টাকা দেন।
এ বিষয়ে ঠাকুরগাঁও সদর সাব-রেজিস্ট্রার রেজাউল করিম বলেন, সমিতির নামে দাতা বা গ্রহিতাকে জিম্মি করে অতিরিক্ত অর্থ আদায় গ্রহণযোগ্য নয়। এ বিষয়ে অফিসিয়ালি নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
তিনি বলেন, সরকারি নির্ধারিত ফিতে মানুষ যাতে সেবা পান, সে বিষয়ে নজর রাখা হচ্ছে। এরপরও অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের অভিযোগ পাওয়া গেলে বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে লিখিতভাবে জানানো হবে। মাঝে মধ্যে ক্রেতা-বিক্রেতাদের সঙ্গেও কথা বলা হয় এবং অভিযোগ পেলে তা সমাধানের চেষ্টা করা হয়। তার অগোচরে অনিয়ম বা হয়রানির অভিযোগ পাওয়া গেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।
অন্যদিকে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) সমন্বিত ঠাকুরগাঁও জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মো. আজমির শরিফ মারজী বলেন, সমিতির নামে চাঁদা বা অতিরিক্ত অর্থ নেওয়ার সুযোগ নেই। কেউ এ ধরনের অর্থ আদায় করে থাকলে অভিযোগ পাওয়া সাপেক্ষে বিষয়টি খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এদিকে বাংলাদেশ নিবন্ধন অধিদপ্তরের মহাপরিদর্শকের কার্যালয় থেকেও দেশের সাব-রেজিস্ট্রার অফিসগুলোতে দলিল লেখক সমিতির ব্যানারে দলিল প্রতি নির্দিষ্ট হারে অবৈধভাবে চাঁদা আদায় না করার বিষয়ে সতর্কতা ও নজরদারির নির্দেশনা রয়েছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।
সাধারণ মানুষের অভিযোগ, জমি রেজিস্ট্রেশনের মতো গুরুত্বপূর্ণ সেবায় সরকারি ফি ও অনুমোদিত পারিশ্রমিকের বাইরে অতিরিক্ত অর্থ আদায় বন্ধে কার্যকর নজরদারি এবং অভিযোগের দ্রুত প্রতিকার নিশ্চিত করা প্রয়োজন।

ট্যাগসঃ

নিউজটি শেয়ার করুন

বিস্তারিত লিখুনঃ

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষণ করুন

আপলোডকারীর তথ্য

ঠাকুরগাঁওয়ে দলিল লেখক সমিতির নামে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ

আপডেট সময়ঃ ০৪:০০:০০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ অক্টোবর ২০২৬

রহমত আরিফ ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি:

ঠাকুরগাঁও সদর সাব-রেজিস্ট্রার কার্যালয়ে জমি রেজিস্ট্রেশন করতে আসা ক্রেতা-বিক্রেতাদের কাছ থেকে দলিল লেখক সমিতির নামে নির্ধারিত হারে অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ রয়েছে, সমিতির নামে প্রতি দলিল থেকে ৩০০ টাকা করে নেওয়া হলেও অনেক ক্ষেত্রে এর চেয়ে কয়েকগুণ বেশি অর্থ আদায় করা হচ্ছে। টাকা না দিলে দলিলের কাজ এগোয় না বলেও অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগীরা।

অভিযোগকারীদের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে এভাবে অতিরিক্ত অর্থ আদায় চলে আসলেও কার্যকরভাবে তা বন্ধ হয়নি। এমনকি সমিতির নামে দলিল প্রতি নির্দিষ্ট হারে অর্থ আদায় না করতে বাংলাদেশ নিবন্ধন অধিদপ্তরের মহাপরিদর্শকের কার্যালয় থেকে নির্দেশনা দেওয়া হলেও ঠাকুরগাঁও সদর সাব-রেজিস্ট্রার কার্যালয়ে তা পুরোপুরি কার্যকর হচ্ছে না বলে অভিযোগ উঠেছে।
জানা গেছে, ঠাকুরগাঁও সদর সাব-রেজিস্ট্রার কার্যালয়ে বর্তমানে ৮১ জন সনদপ্রাপ্ত দলিল লেখক রয়েছেন। নিয়ম অনুযায়ী দলিল লেখকরা নির্ধারিত হারে দলিল লেখার পারিশ্রমিক নিতে পারেন। এ ছাড়া দলিল লেখকদের ফি-সংক্রান্ত তথ্য প্রকাশ্যে প্রদর্শনের ব্যবস্থাও থাকার কথা। কোনো লাইসেন্সধারী দলিল লেখক আইন বা বিধি লঙ্ঘন করলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার এখতিয়ার রয়েছে সাব-রেজিস্ট্রারের।
অভিযোগ রয়েছে, এসব নিয়মের বাইরে দলিল লেখক সমিতির নামে অতিরিক্ত অর্থ আদায় করা হচ্ছে। দলিল লেখক সমিতির সদস্য কছির উদ্দিন জানান, প্রতিদিন সদর সাব-রেজিস্ট্রার কার্যালয়ে প্রায় ৬০ থেকে ৭০টি দলিল লেখা হয়। প্রতিটি দলিলের বিপরীতে সমিতির নামে ৩০০ টাকা করে নেওয়া হয় এবং তা সংগঠনের ফান্ডে জমা দেওয়া হয়।
তিনি বলেন, “এখানকার নিয়ম হলো ৩০০ টাকা করে দিতে হবে। টাকা না দিলে কাজ কিভাবে হবে? নিজের পকেট থেকে তো দেওয়া সম্ভব না।”
অন্যদিকে জমি রেজিস্ট্রি করতে আসা আরিফুল ইসলাম, সমসের আলী ও আব্দুর রহিমসহ কয়েকজন অভিযোগ করেন, দুই শতক জমি রেজিস্ট্রি করতে তাদের কাছ থেকে প্রায় সাড়ে তিন হাজার টাকা নেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে দুই হাজার টাকা দলিল লেখক সমিতির নামে এবং দেড় হাজার টাকা অফিস খরচ হিসেবে নেওয়া হয়েছে বলে তারা দাবি করেন।
ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, কোনো কোনো ক্ষেত্রে চার থেকে আট হাজার টাকা পর্যন্ত অতিরিক্ত অর্থ নেওয়া হচ্ছে। তারা বলেন, সমিতির নামে নেওয়া অর্থ পরে সদস্যদের মধ্যে ভাগ করে দেওয়া হয় বলে তারা শুনেছেন। তবে টাকা না দিলে দলিল রেজিস্ট্রেশন প্রক্রিয়া এগোয় না—এ কারণে বাধ্য হয়েই অতিরিক্ত অর্থ দিতে হচ্ছে।
সদর উপজেলার বাসিন্দা হুমায়ুন কবির রেজা অভিযোগ করেন, দলিল রেজিস্ট্রি করতে গেলে দলিল লেখক সমিতির সভাপতি-সাধারণ সম্পাদকসহ সংশ্লিষ্টদের মাধ্যমে সেবা নিতে হয়। লিখনীর ফি কত জানতে চাইলে নির্দিষ্ট কোনো ফি জানানো হয় না বলেও অভিযোগ করেন তিনি।
তার ভাষ্য, “সমিতির নামে অতিরিক্ত অর্থ আদায় করা হচ্ছে। এতে সাধারণ মানুষ হয়রানির শিকার হচ্ছেন। আমরা এর প্রতিকার চাই।”
অভিযোগের বিষয়ে দলিল লেখক সমিতির সভাপতি আব্দুল ওয়াদুদ সরকারের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি পরিচয় পাওয়ার পর কথা না বলে ব্যস্ততা দেখিয়ে এড়িয়ে যান।
তবে সমিতির নবনির্বাচিত সাধারণ সম্পাদক মোজাম্মেল হক অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, সমিতির নামে চাঁদাবাজি করা হয় না; দলিল লেখকরা তাদের পারিশ্রমিক নেন। সেবা-প্রত্যাশীদের কাছ থেকে নেওয়া অর্থ সমিতির ফান্ডে জমা হয় এবং ঈদসহ বিভিন্ন সময়ে সদস্যদের সহায়তায় সেই অর্থ ব্যয় করা হয়।
দলিল লেখার নির্দিষ্ট ফি কত—এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, দলিল লেখার নির্দিষ্ট কোনো ফি নেই। অনেকেই খুশি হয়ে ৫ থেকে ১০ হাজার টাকা দেন, আবার কেউ দুই হাজার টাকা দেন।
এ বিষয়ে ঠাকুরগাঁও সদর সাব-রেজিস্ট্রার রেজাউল করিম বলেন, সমিতির নামে দাতা বা গ্রহিতাকে জিম্মি করে অতিরিক্ত অর্থ আদায় গ্রহণযোগ্য নয়। এ বিষয়ে অফিসিয়ালি নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
তিনি বলেন, সরকারি নির্ধারিত ফিতে মানুষ যাতে সেবা পান, সে বিষয়ে নজর রাখা হচ্ছে। এরপরও অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের অভিযোগ পাওয়া গেলে বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে লিখিতভাবে জানানো হবে। মাঝে মধ্যে ক্রেতা-বিক্রেতাদের সঙ্গেও কথা বলা হয় এবং অভিযোগ পেলে তা সমাধানের চেষ্টা করা হয়। তার অগোচরে অনিয়ম বা হয়রানির অভিযোগ পাওয়া গেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।
অন্যদিকে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) সমন্বিত ঠাকুরগাঁও জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মো. আজমির শরিফ মারজী বলেন, সমিতির নামে চাঁদা বা অতিরিক্ত অর্থ নেওয়ার সুযোগ নেই। কেউ এ ধরনের অর্থ আদায় করে থাকলে অভিযোগ পাওয়া সাপেক্ষে বিষয়টি খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এদিকে বাংলাদেশ নিবন্ধন অধিদপ্তরের মহাপরিদর্শকের কার্যালয় থেকেও দেশের সাব-রেজিস্ট্রার অফিসগুলোতে দলিল লেখক সমিতির ব্যানারে দলিল প্রতি নির্দিষ্ট হারে অবৈধভাবে চাঁদা আদায় না করার বিষয়ে সতর্কতা ও নজরদারির নির্দেশনা রয়েছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।
সাধারণ মানুষের অভিযোগ, জমি রেজিস্ট্রেশনের মতো গুরুত্বপূর্ণ সেবায় সরকারি ফি ও অনুমোদিত পারিশ্রমিকের বাইরে অতিরিক্ত অর্থ আদায় বন্ধে কার্যকর নজরদারি এবং অভিযোগের দ্রুত প্রতিকার নিশ্চিত করা প্রয়োজন।