‘জাল সনদে চাকরি’র অভিযোগ অস্বীকার করলেন পীরগঞ্জ কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ
- আপডেট সময়ঃ ০৯:১৯:৩১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
- / ৩৬ বার পড়া হয়েছে।

বাগমারা প্রতিনিধি:
রাজশাহীর বাগমারা উপজেলার পীরগঞ্জ টেকনিক্যাল অ্যান্ড বিজনেস ম্যানেজমেন্ট কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ আবদুর রউফ লিটন তাঁর বিরুদ্ধে জাল সনদ ব্যবহার করে চাকরি নেওয়ার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। একই সঙ্গে এ বিষয়ে প্রকাশিত সংবাদকে অসত্য, বিভ্রান্তিকর ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করেছেন তিনি।
বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) রাজশাহী থেকে প্রকাশিত একটি পত্রিকায় ‘বাগমারায় জাল সনদে চাকরি, ২১ বছর পর মামলা’ শিরোনামে সংবাদ প্রকাশিত হয়। সংবাদটি তাঁর দৃষ্টিগোচর হওয়ার পর তিনি এ বিষয়ে তাঁর অবস্থান তুলে ধরেন।
আবদুর রউফ লিটন বলেন, প্রকাশিত সংবাদে তাঁর শিক্ষাগত যোগ্যতা ও চাকরিসংক্রান্ত বিষয়ে যেসব তথ্য তুলে ধরা হয়েছে, সেগুলো যথাযথভাবে যাচাই করা হয়নি। জাল সনদ ব্যবহার করে চাকরি নেওয়ার অভিযোগ তিনি সম্পূর্ণভাবে প্রত্যাখ্যান করে বলেন ২০১৮ সালে রাজশাহী ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে তার একাডেমিক সনদ ও প্রশিক্ষণ সনদ জাল হওয়ার অভিযোগ দায়ের হলে বিষয়টি বিজ্ঞ আদালতের নির্দেশে সিআইডি করে ঘটনা সত্যতা না পাওয়ার প্রতিবেদন দাখিল করলে আদালত ওই প্রতিবেদনের আলোকে মামলাটি খারিজ করে দেয়।
পরবর্তীতে ২০২৩ সালে প্রশিক্ষণ সনদ মর্মে আরেকটি অভিযোগ দায়ের করলে কারিগরি শিক্ষা মন্ত্রণালয় তদন্ত করে এর কোন সঠিকতা পায় না।
তিনি বলেন, তাঁর বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের যথাযথ তদন্ত এবং আইনানুগ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে বিষয়টির সত্যতা নির্ধারণ করা উচিত। তদন্ত বা আদালতের চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের আগে তাঁকে জাল সনদ ব্যবহারকারী হিসেবে উপস্থাপন করায় তাঁর সামাজিক মর্যাদা, সুনাম ও দীর্ঘদিনের কর্মজীবন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ আরও বলেন, তাঁর কোনো সনদ বা কাগজপত্র নিয়ে প্রশ্ন থাকলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে থাকা মূল নথিপত্র ও প্রয়োজনীয় তথ্য যাচাই করলেই প্রকৃত সত্য বেরিয়ে আসবে। তিনি এ বিষয়ে সঠিক তথ্য যাচাইয়ের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা তুলে ধরার আহ্বান জানান।
ভবিষ্যতে তাঁর বিষয়ে সংবাদ প্রকাশের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট গণমাধ্যমকে তাঁর বক্তব্য গ্রহণ এবং তথ্য-উপাত্ত যাচাই করার অনুরোধও জানান আবদুর রউফ লিটন। তাঁর দাবি, অসম্পূর্ণ বা একপাক্ষিক তথ্যের ভিত্তিতে সংবাদ প্রকাশের কারণে তাঁর ও তাঁর পরিবারের সামাজিক মর্যাদা ক্ষুণ্ন হয়েছে।
তিনি প্রকাশিত সংবাদের তথ্য পুনরায় যাচাই করে প্রয়োজনীয় সংশোধনী প্রকাশের দাবি জানিয়েছেন।














