চাঁপাইনবাবগঞ্জে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উদযাপন, আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান
- আপডেট সময়ঃ ০৭:৩৪:৫৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ৭ নভেম্বর ২০২৬
- / ১৬ বার পড়া হয়েছে।

চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি:
যথাযোগ্য মর্যাদা ও নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে চাঁপাইনবাবগঞ্জে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস-২০২৬ উদযাপিত হয়েছে। জেলা প্রশাসনের আয়োজনে ও জেলা শিল্পকলা একাডেমির সহযোগিতায় দিবসটির তাৎপর্য তুলে ধরে আলোচনা সভা, পুরস্কার বিতরণী ও দেশাত্মবোধক গানের আসরের আয়োজন করা হয়। শনিবার (৭ নভেম্বর) সকাল সাড়ে ১০টায় চাঁপাইনবাবগঞ্জে আয়োজিত অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসক আবু ছালেহ মোঃ মুসা জঙ্গী। সভাপতির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক আবু ছালেহ মোঃ মুসা জঙ্গী বলেন, জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস বাংলাদেশের ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ ও তাৎপর্যপূর্ণ দিন। এ দিবস আমাদের জাতীয় ঐক্য, সংহতি, দেশপ্রেম ও স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্বের চেতনাকে স্মরণ করিয়ে দেয়। দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় জাতীয় ঐক্য এবং পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধের বিকল্প নেই। তিনি নতুন প্রজন্মের কাছে দেশের সঠিক ইতিহাস ও দিবসটির তাৎপর্য তুলে ধরার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। অনুষ্ঠানে মুখ্য আলোচক হিসেবে বক্তব্য দেন চাঁপাইনবাবগঞ্জ সরকারি মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর ড. বিপ্লব কুমার মজুমদার। সম্মানিত অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন পুলিশ সুপার গৌতম কুমার বিশ্বাস, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) ভারপ্রাপ্ত মো. আনিসুর রহমান, জেলা সিভিল সার্জন ডা. এ কে এম শাহাব উদ্দীন, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মো. আতিকুল ইসলাম, জেলা বিএনপির আহ্বায়ক গোলাম জাকারিয়া, সদস্য সচিব আলহাজ্ব রফিকুল ইসলাম এবং বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর জেলা সেক্রেটারি আবু বক্কর প্রমুখ। পুলিশ সুপার গৌতম কুমার বিশ্বাস তাঁর বক্তব্যে বলেন, জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস আমাদের জাতীয় জীবনে ঐক্য, সংহতি ও দেশপ্রেমের গুরুত্ব স্মরণ করিয়ে দেয়। দেশের শান্তি, শৃঙ্খলা ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে সবাইকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে। জাতীয় স্বার্থে দল-মত নির্বিশেষে সকলকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করতে হবে। একটি নিরাপদ, শান্তিপূর্ণ ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গঠনে পারস্পরিক সহযোগিতা ও সম্প্রীতি বজায় রাখার আহ্বান জানান তিনি।
আলোচনা সভা শেষে বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়। পরে অনুষ্ঠিত হয় মনোজ্ঞ দেশাত্মবোধক গানের আসর। দেশাত্মবোধক সংগীত পরিবেশনায় মুখর হয়ে ওঠে অনুষ্ঠানস্থল। জেলা প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট মহলের উদ্যোগে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, শিক্ষক, শিক্ষার্থীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।



















