বিএমডিএ’র তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী তরিকুল ইসলামকে নিয়ে অপপ্রচার
- আপডেট সময়ঃ ০৯:০২:২০ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬
- / ১৩ বার পড়া হয়েছে।

তানোর(রাজশাহী)প্রতিনিধিঃ
বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিএমডিএ) রাজশাহী সার্কেলের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী শমসের আলী ২০২৬ সালের ৮ অক্টোবর অবসরজনিত ছুটিতে গেছেন। তার স্থলে পরিকল্পনা শাখায় কর্মরত তরিকুল ইসলামকে অতিরিক্ত দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।বিএমডিএ’র সকল নিয়মনীতি অনুসরণ, চুল চেরা বিশ্লেষণ ও স্বাভাবিক পক্রিয়ায় যোগ্যতার ভিত্তিতে জৈষ্ঠ কর্মকর্তা
তরিকুল ইসলামকে অতিরিক্ত দায়িত্ব দেওয়া হয়। যেকোনো কর্তৃপক্ষ চাইলে যেকোনো সময় যেকোনো পরিস্থিতিতে যে কাউকে দিয়ে অতিরিক্ত দায়িত্ব পালন করাতে পারেন।
জানা গেছে,গত ৫ অক্টোবর বিএমডিএ’র সচিব স্বাক্ষরিত জারি করা স্বারক নং ১২.০৮.–২২.৬৪০৯ এর অফিস আদেশে বলা হয়, রাজশাহী সার্কেলের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী শমসের আলী ৮অক্টোবর অবসরজনিত ছুটিতে যাবেন। তার স্থলে পরিকল্পনা শাখায় কর্মরত তরিকুল ইসলামকে অতিরিক্ত দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।তাকে কোনো পদোন্নতি দেয়া হয়। এনিয়ে বিএমডিএ’র অভ্যন্তরে কোনো প্রশ্ন নাই, কর্মকর্তা-কর্মচারীগণ বলছে এটা স্বাভাবিক পক্রিয়ায় অতিরিক্ত দায়িত্ব পালন এটা কোনো পদোন্নতি নয়।কিন্ত্ত একটি গোষ্ঠী উদ্দেশ্যপ্রণোদিত হয়ে অপপ্রচার করছে তরিকুল ইসলামকে জৈষ্ঠতা লঙ্ঘন করে পদোন্নতি দেয়া হয়েছে। যা সম্পুর্ণ মিথ্যা,ভিত্তিহীন,বানোয়াট ও উদ্দেশ্যেপ্রণোদিত।
এদিকে বিএমডিএ’র অভ্যন্তরে ঘাপটি মেরে থাকা ফ্যাসিস্ট আওয়ামী মতাদর্শী একটি গোষ্ঠী, বিএমডিএ’র অভ্যন্তরে বিশৃঙ্খলা সৃস্টি এবং তরিকুল ইসলামকে সামাজিকভাবে হেয়ওপ্রতিপন্ন করার উদ্দেশ্য সম্পুর্ন পুর্বপরিকল্পিত ও উদ্দেশ্যেপ্রণোদিত হয়ে তরিকুলের অতিরিক্ত দায়িত্ব নিয়ে মানহানিকর নানা অপপ্রচার শুরু করেছেন। তারা মিথ্যা তথ্য দিয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যমে মনগড়া সংবাদও প্রকাশ করিয়েছেন।
প্রকাশিত এসব সংবাদে বলা হয়েছে, বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিএমডিএ) অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে তরিকুল ইসলামের পদবি এখনও নির্বাহী প্রকৌশলী (চলতি দায়িত্ব) হিসেবে দেখানো হচ্ছে। অর্থাৎ তিনি এখনও পুরোপুরি নির্বাহী প্রকৌশলীও নন, আর সহকারী প্রকৌশলী থেকে চলতি দায়িত্বে আছেন। অথচ তাকেই সরাসরি তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলীর মতো গুরুত্বপূর্ণ সার্কেল প্রধানের দায়িত্ব দেওয়ায় নানা বিতর্কের সৃস্টি হয়েছে। যা সত্যি নয়,মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যেপ্রণোদিত।
এছাড়াও বলা হয়েছে বঙ্গবন্ধু প্রকৌশলী পরিষদের তালিকায় (সিরিয়াল ১৪ ও ১৮) তার নাম ও ছবি রয়েছে, যেখানে তিনি আওয়ামী লীগপন্থী ফ্যাসিস্ট প্রকৌশলী নেতা হিসেবে পরিচিত। যা সঠিক নয় মিথ্যা,ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যেপ্রণোদিত।কারণ তরিকুল ইসলাম ছাত্র জীবন থেকেই বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত।তিনি বিএনপি পরিবারের সন্তান হওয়ায় নাটোরে একটি প্রকল্পের পরিচালক পদ থেকে তাকে সরিয়ে দেয়া হয়েছিল।
কিন্ত্ত বিগত ১৭ বছর ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ দোসররা সম্পুর্ন পুর্বপরিকল্পনা ও উদ্দেশ্যে প্রণোদিতভাবে বিভিন্ন কৌশলে বিএনপি মতাদর্শীদের আওয়ামী ট্যাগ দিয়ে অপপ্রচার করেছেন। তরিকুল ইসলাম নিজেও সেই অপপ্রচারের শিকার।
এদিকে তরিকুল ইসলামের অতিরিক্ত দায়িত্ব নিয়ে বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিএমডিএর) অভ্যন্তরে নেতিবাচক কোনো আলোচনা নাই।কিন্ত্ত ফ্যাসিস্ট আওয়ামী মতাদর্শী কতিপয় কর্মকর্তা এনিয়ে অপপ্রচার ও বিএমডিএ:র অভ্যন্তরে বিশৃঙ্খলা সৃস্টির পাঁয়তারা শুরু করেছে।
এবিষয়ে তরিকুল ইসলাম বলেন, কর্তৃপক্ষ যথাযথ নিয়মনীতি অনুসরন করেই তাকে তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলীর অতিরিক্ত দায়িত্ব দিয়েছেন।এখানে ব্যক্তিগত চাওয়া-পাওয়ার কিছু নাই।তিনি বলেন, চাইলেও নিয়মনীতি অনুসরন না করে ব্যক্তিগতভাবে কেউ কখানো কাউকে অতিরিক্ত দায়িত্ব দিতে পারেন না।তিনি বলেন,এই জ্ঞানটুকু যাদের নাই তারাই তাকে নিয়ে এসব অপপ্রচার করছে,যা সম্পুর্ন মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যেপ্রণোদিত।তিনি এসব অপপ্রচারের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন।



















