০৫:১১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬

গড়েয়ায় ফয়সল আমিনের অভিযোগ: পরাজয় নিশ্চিত জেনে নির্বাচন বিতর্কিত করার ষড়যন্ত্র করছে একটি দল

রহমত আরিফ
  • আপডেট সময়ঃ ০২:৩৫:৫৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬
  • / ২৩ বার পড়া হয়েছে।

রহমত আরিফ ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি:

ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে পরাজয় নিশ্চিত জেনে একটি দল নির্বাচনকে বিতর্কিত করার ষড়যন্ত্র করছে বলে অভিযোগ করেছেন বিএনপির মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী মির্জা ফয়সল আমিন।
বুধবার (১৪ অক্টোবর) দুপুরে ১২টায় ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার গড়েয়া ইউনিয়নের আরাজি ডাঙ্গীপুকুর স্কুল মাঠে নির্বাচনী প্রচারণাকালে তিনি এ অভিযোগ করেন।
মির্জা ফয়সল আমিন বলেন, একটি দল সুন্দর নির্বাচনী পরিবেশকে বিতর্কিত করতে নানা ধরনের ষড়যন্ত্র করছে এবং মিথ্যা অভিযোগ তুলছে। বিএনপির কোনো নেতা-কর্মী কখনো কাউকে অপমান করেননি কিংবা নির্বাচনী প্রচারণায় বাধা দেননি বলেও দাবি করেন তিনি।
তিনি বলেন, “একটি সুন্দর নির্বাচনী পরিবেশ চলছে। নির্বাচনে সবাই উন্মুক্তভাবে প্রচারণা চালাচ্ছেন। আমি আপনাদের কাছে এসে ভোট চেয়েছি, আপনারা আপনাদের মতামত দিচ্ছেন।”
এ সময় এলাকার সচেতন ভোটারদের সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়ে ফয়সল আমিন বলেন, একটি দল নিজেদের পরাজয় নিশ্চিত জেনে নির্বাচনকে বিতর্কিত করার চেষ্টা করছে। কোনোভাবেই যেন কেউ নির্বাচনী পরিবেশ নষ্ট করতে না পারে, সে বিষয়ে সবাইকে সজাগ থাকতে হবে।
নিজের দলের নেতা-কর্মীদের দায়িত্বশীল থাকার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে উল্লেখ করে বিএনপির এই প্রার্থী বলেন, নির্বাচনী প্রচারণায় কোনো ধরনের বাধা সৃষ্টি করা হবে না। কেউ বাধা দিলে তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে নির্বাচন কমিশনের কাছে অনুরোধ জানানো হবে।
প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, সবাই জনগণের কাছে গিয়ে তাঁদের মন জয় করার চেষ্টা করুন। সঠিক নির্বাচনী কৌশল ও জনসমর্থনের মাধ্যমে বিজয়ী হলে তাঁর কোনো আপত্তি নেই। জনগণ ভালোবেসে ভোট দিলে সেই রায় তাঁরা সাদরে গ্রহণ করবেন।
ছয় প্রার্থীর মনোনয়ন বৈধ, বিএনপির প্রার্থী একজন
গত ২৯ সেপ্টেম্বর মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই শেষে ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে ছয়জন প্রার্থীর মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করা হয়। তাঁদের মধ্যে ছিলেন বিএনপির মির্জা ফয়সল আমিন ও মো. ওবায়দুল্লাহ মাসুদ এবং জামায়াতে ইসলামী ও সমমনা দলগুলোর প্রার্থী ডেলোয়ার হোসেন, কাদেমুল ইসলাম, আবদুল আলীম নিজামী ও হোসাইন মুহাম্মদ ওমর ফারুক।
তবে ৫ অক্টোবর দলীয় সিদ্ধান্তের কথা জানিয়ে প্রার্থিতা প্রত্যাহার করেন বিএনপির জেলা সহসভাপতি মো. ওবায়দুল্লাহ মাসুদ। ফলে আসনটিতে বিএনপির একক প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন মির্জা ফয়সল আমিন।
আগামী ২৯ অক্টোবর ঠাকুরগাঁও-১ (সদর, রুহিয়া ও ভুল্লী) আসনে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।
আসনে ভোটার ৫ লাখ ১৬ হাজারের বেশি
নির্বাচন-সংশ্লিষ্ট তথ্য অনুযায়ী, ঠাকুরগাঁও-১ আসনে মোট ভোটার ৫ লাখ ১৬ হাজার ১৩৮ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ২ লাখ ৫০ হাজার ৫৩ জন, নারী ভোটার ২ লাখ ৫৬ হাজার ৫৭২ জন এবং তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার চারজন। আসনটি ২২টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভা নিয়ে গঠিত।
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ায় আসনটি ছেড়ে দিলে ঠাকুরগাঁও-১ আসন শূন্য হয়। সেই শূন্য আসনেই আগামী ২৯ অক্টোবর উপনির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে।
উদ্বোধনী অনুচ্ছেদ আরও সংক্ষিপ্ত করুন অভিযোগ ও তথ্য আলাদা করে সাজান উদ্ধৃতির ভাষা আরও নিরপেক্ষ করুন।

ট্যাগসঃ

নিউজটি শেয়ার করুন

বিস্তারিত লিখুনঃ

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষণ করুন

আপলোডকারীর তথ্য

গড়েয়ায় ফয়সল আমিনের অভিযোগ: পরাজয় নিশ্চিত জেনে নির্বাচন বিতর্কিত করার ষড়যন্ত্র করছে একটি দল

আপডেট সময়ঃ ০২:৩৫:৫৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬

রহমত আরিফ ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি:

ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে পরাজয় নিশ্চিত জেনে একটি দল নির্বাচনকে বিতর্কিত করার ষড়যন্ত্র করছে বলে অভিযোগ করেছেন বিএনপির মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী মির্জা ফয়সল আমিন।
বুধবার (১৪ অক্টোবর) দুপুরে ১২টায় ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার গড়েয়া ইউনিয়নের আরাজি ডাঙ্গীপুকুর স্কুল মাঠে নির্বাচনী প্রচারণাকালে তিনি এ অভিযোগ করেন।
মির্জা ফয়সল আমিন বলেন, একটি দল সুন্দর নির্বাচনী পরিবেশকে বিতর্কিত করতে নানা ধরনের ষড়যন্ত্র করছে এবং মিথ্যা অভিযোগ তুলছে। বিএনপির কোনো নেতা-কর্মী কখনো কাউকে অপমান করেননি কিংবা নির্বাচনী প্রচারণায় বাধা দেননি বলেও দাবি করেন তিনি।
তিনি বলেন, “একটি সুন্দর নির্বাচনী পরিবেশ চলছে। নির্বাচনে সবাই উন্মুক্তভাবে প্রচারণা চালাচ্ছেন। আমি আপনাদের কাছে এসে ভোট চেয়েছি, আপনারা আপনাদের মতামত দিচ্ছেন।”
এ সময় এলাকার সচেতন ভোটারদের সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়ে ফয়সল আমিন বলেন, একটি দল নিজেদের পরাজয় নিশ্চিত জেনে নির্বাচনকে বিতর্কিত করার চেষ্টা করছে। কোনোভাবেই যেন কেউ নির্বাচনী পরিবেশ নষ্ট করতে না পারে, সে বিষয়ে সবাইকে সজাগ থাকতে হবে।
নিজের দলের নেতা-কর্মীদের দায়িত্বশীল থাকার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে উল্লেখ করে বিএনপির এই প্রার্থী বলেন, নির্বাচনী প্রচারণায় কোনো ধরনের বাধা সৃষ্টি করা হবে না। কেউ বাধা দিলে তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে নির্বাচন কমিশনের কাছে অনুরোধ জানানো হবে।
প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, সবাই জনগণের কাছে গিয়ে তাঁদের মন জয় করার চেষ্টা করুন। সঠিক নির্বাচনী কৌশল ও জনসমর্থনের মাধ্যমে বিজয়ী হলে তাঁর কোনো আপত্তি নেই। জনগণ ভালোবেসে ভোট দিলে সেই রায় তাঁরা সাদরে গ্রহণ করবেন।
ছয় প্রার্থীর মনোনয়ন বৈধ, বিএনপির প্রার্থী একজন
গত ২৯ সেপ্টেম্বর মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই শেষে ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে ছয়জন প্রার্থীর মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করা হয়। তাঁদের মধ্যে ছিলেন বিএনপির মির্জা ফয়সল আমিন ও মো. ওবায়দুল্লাহ মাসুদ এবং জামায়াতে ইসলামী ও সমমনা দলগুলোর প্রার্থী ডেলোয়ার হোসেন, কাদেমুল ইসলাম, আবদুল আলীম নিজামী ও হোসাইন মুহাম্মদ ওমর ফারুক।
তবে ৫ অক্টোবর দলীয় সিদ্ধান্তের কথা জানিয়ে প্রার্থিতা প্রত্যাহার করেন বিএনপির জেলা সহসভাপতি মো. ওবায়দুল্লাহ মাসুদ। ফলে আসনটিতে বিএনপির একক প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন মির্জা ফয়সল আমিন।
আগামী ২৯ অক্টোবর ঠাকুরগাঁও-১ (সদর, রুহিয়া ও ভুল্লী) আসনে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।
আসনে ভোটার ৫ লাখ ১৬ হাজারের বেশি
নির্বাচন-সংশ্লিষ্ট তথ্য অনুযায়ী, ঠাকুরগাঁও-১ আসনে মোট ভোটার ৫ লাখ ১৬ হাজার ১৩৮ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ২ লাখ ৫০ হাজার ৫৩ জন, নারী ভোটার ২ লাখ ৫৬ হাজার ৫৭২ জন এবং তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার চারজন। আসনটি ২২টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভা নিয়ে গঠিত।
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ায় আসনটি ছেড়ে দিলে ঠাকুরগাঁও-১ আসন শূন্য হয়। সেই শূন্য আসনেই আগামী ২৯ অক্টোবর উপনির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে।
উদ্বোধনী অনুচ্ছেদ আরও সংক্ষিপ্ত করুন অভিযোগ ও তথ্য আলাদা করে সাজান উদ্ধৃতির ভাষা আরও নিরপেক্ষ করুন।