কেশরহাটে স্কুল মাঠ দখল করে দোকানঘর নির্মাণ ঠেকাল জনতা
- আপডেট সময়ঃ ০২:৩৭:৩৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৯ অক্টোবর ২০২৬
- / ৪২ বার পড়া হয়েছে।

নিজস্ব প্রতিবেদক:
মোহনপুর উপজেলার ঐতিহ্যবাহী কেশরহাট উচ্চবিদ্যালয়ের মাঠের জায়গা অবৈদ ভাবে দখল করে বিশাল আয়তনের দোকানঘর নির্মাণ কাজ ঠেকিয়ে দিয়েছেন স্থানীয় জনতা। শুক্রবার ভোরে (৯ অক্টোবর) কেশরহাট উচ্চবিদ্যালয়ের খেলার মাঠের পশ্চিম পাশে গ্যালারি সংলগ্ন স্থানে দোকানঘর নির্মাণ শুরু করেন কেশরহাট পৌর এলাকার বাকশৈল মহল্লার এবাদুল্লার ছেলে মনোয়ারুল ইসলাম। এসময় স্থানীয় সচেতন জনসাধারণ নির্মাণ বন্ধ করে দেন। তবে জোরপুর্বক নির্মাণ কাজ চালানোর চেষ্টা করছিলেন মনোয়ারুল ইসলাম।
খবর পেয়ে দ্রূত ঘটনাস্থলে পৌঁছান বিদ্যালয়ের সভাপতি মশিউর রহমান, প্রধান শিক্ষক শফিকুল ইসলাম, কেশরহাট পৌর বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক উসমান আলী, কেশরহাট বাজার বণিক সমবায় সমিতির সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ আলী বাচ্চুসহ মোহনপুর থানা পুলিশ।
এসময় ঘটনাস্থলে অবৈধ দোকান ঘর নির্মাণকাজ দেয়া হয়।
বিদ্যালয় সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, কেশরহাট উচ্চবিদ্যালয় মাঠের পশ্চিম প্রান্তে গ্যালারি ঘেঁষে ৩০ ফিটের বিশাল জায়গা জুড়ে ছুটির দিনে দোকানঘর নির্মাণ কাজ করছিলেন মোনারুল ইসলাম। এসময় স্থানীয় ক্রিড়াপ্রেমি জনতা ও ব্যবসায়ীরা দোকানঘর নির্মাণ কাজ প্রাথমিক ভাবে বন্ধ করে দেন। তবে জনতার বাধা উপেক্ষা করে তিনি কাজ চালিয়ে যান। খবর পেয়ে পুলিশ এবং বিদ্যালয় সংশ্লিষ্টরা দ্রূত ঘটনাস্থলে পৌঁছান এবং নির্মাণ কাজ সম্পুর্ণ বন্ধ করেন দেন।
কেশরহাট বাজার বণিক সমবায় সমিতির সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ আলী বাচ্চু বলেন, স্কুলের মাঠ দখলকারির বৃথা চেষ্টা সফল হয়নি। এটা অনিয়ম হিসেবে সকলের সহযোগিতায় বন্ধ হয়েছে।
জানতে চাইলে কেশরহাট উচ্চবিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শফিকুল ইসলাম বলেন, আমি সকালে বিদ্যালয়ের মাঠের জায়গা অবৈধ ভাবে দখল করে দোকানঘর নির্মাণের খবর পায়। এরপর বিদ্যালয়ের সভাপতিসহ সকল কর্তৃপক্ষের সহযোগিতা কামনা করি এবং ঘটনাস্থলে পৌঁছায়।। স্থানীয় নেতৃবৃন্দের উপস্থিতে পুলিশ নির্মাণ কাজ বন্ধ করে দেন এবং নির্মাণ সামগ্রী সরিয়ে নেয়ার নির্দেশ দেন।
বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি মশিউর রহমান বলেন, বিদ্যালয়ের মাঠ দখল করে একজন ব্যবসায়ির দোকানঘর নির্মাণের খবর শুনে আশ্চর্য হই। মানুষ কিভাবে শিক্ষার্থীদের খেলার মাঠ দখলের চেষ্টা করতে পারে। দ্রূত পুলিশকে অবহিত করে দ্রূত ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে দেখি স্থানীয় জনতা ঘর নির্মাণে বাধা দেন। পরে সকলের উপস্থিতিতে অবৈধ দোকানঘর নির্মাণ কাজ বন্ধ করে দেয় পুলিশ। এসময় সকল প্রকার নির্মাণ সামগ্রী সরিয়ে নিয়ে যাওয়ার নির্দেশ দেয়া হয়।



















