খালেদা জিয়া মাদার অফ হিউম্যানিটি ইনস্টিটিউট জাতীয়করণ ও নওগাঁ বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে একীভূতকরণের দাবিতে স্মারকলিপি
- আপডেট সময়ঃ ১০:২২:৫৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ২১ জানুয়ারী ২০২৬
- / ৭০ বার পড়া হয়েছে।

শাহিনুর সুজন:
নওগাঁর আত্রাই উপজেলার পতিসরে অবস্থিত দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া মাদার অফ হিউম্যানিটি ইনস্টিটিউট-এর প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ২০২৫ উদযাপন শেষে প্রতিষ্ঠানটিকে জাতীয়করণ এবং নওগাঁ বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে একীভূতকরণের দাবিতে রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনার বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে এই স্মারকলিপি হস্তান্তর করা হয়।
স্মারকলিপি প্রদানকালে উপস্থিত ছিলেন—
প্রতিষ্ঠানটির ভারপ্রাপ্ত পরিচালক প্রফেসর ড. মোঃ মতিউর রহমান,
ডেপুটি ডাইরেক্টর জেনারেল ড. জিললুর রহমান বিপ্লব,
ডেপুটি ডাইরেক্টর মোহাম্মদ ইমতিয়াজ, অ্যাসিস্ট্যান্ট রেজিস্ট্রার মোঃ ফারুক হোসেন, অ্যাডমিন কর্মকর্তা মোঃ রহমত আলী, অ্যাডমিন কর্মকর্তা মোসা পপি খাতুন, নিম্নমান সহকারী মোসা মিনু আক্তার,
সহকারী ক্যাম্পাস সুপারভাইজার আবুল হাসান, মাবিয়া মায়াসহ অন্যান্য শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ।
স্মারকলিপিতে উল্লেখ করা হয়, ২০২৩ সালে প্রতিষ্ঠার পর থেকে নানা প্রতিকূল পরিস্থিতির মধ্য দিয়েও দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া মাদার অফ হিউম্যানিটি ইনস্টিটিউট নিয়মিতভাবে “দ্রোহী জার্নাল” প্রকাশসহ শিক্ষা, গবেষণা ও মানবকল্যাণমূলক কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে।
প্রতিষ্ঠানটির দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার অংশ হিসেবে মোট ৩০টি বিভাগ (ডিপার্টমেন্ট) চালুর উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। প্রতিটি বিভাগের জন্য যুগোপযোগী পাঠ্যক্রম ও সিলেবাস প্রণয়নের কাজ সংশ্লিষ্ট শিক্ষক ও কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে চলমান রয়েছে।
স্মারকলিপিতে আরও বলা হয়, আধুনিক ও মানসম্মত শিক্ষা প্রদান, গবেষণা কার্যক্রম সম্প্রসারণ এবং নিয়মিত প্রকাশনার মাধ্যমে দেশ ও মানবতার কল্যাণে অবদান রাখাই এ প্রতিষ্ঠানের মূল লক্ষ্য।
উল্লেখযোগ্যভাবে প্রতিষ্ঠানটির রয়েছে নিজস্ব অবকাঠামো ও পূর্ণাঙ্গ ক্যাম্পাস, যা আগামী অন্তত পাঁচ বছর পর্যন্ত কোনো অতিরিক্ত ভবন নির্মাণ ছাড়াই কার্যক্রম পরিচালনার জন্য সম্পূর্ণ উপযোগী। ফলে এই সময়কালে সরকারের কোনো অতিরিক্ত অবকাঠামোগত ব্যয়ের প্রয়োজন হবে না বলেও স্মারকলিপিতে উল্লেখ করা হয়।
এছাড়া প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের জাতীয়করণ, পরিবহন সুবিধা নিশ্চিতকরণ এবং সরকারিভাবে বেতন-ভাতা প্রদানের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হলে একদিকে যেমন মানবসম্পদ উন্নয়ন হবে, অন্যদিকে রাষ্ট্রও উপকৃত হবে বলে আশা প্রকাশ করা হয়।
দ্রুত সময়ের মধ্যে এসব দাবির বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সুদৃষ্টি কামনা করেন প্রতিষ্ঠানটির প্রতিনিধিরা।
















