১২:৩৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৫

দূর্গাপুর কিন্ডারগার্টেন সোসাইটি’র মানববন্ধন ও স্মারকলিপি প্রদান

প্রতিবেদক, দুর্গাপুর, রাজশাহী:
  • আপডেট সময়ঃ ০৩:৩৮:০৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ জুলাই ২০২৫
  • / ৩৬ বার পড়া হয়েছে।

প্রতিবেদক, দুর্গাপুর, রাজশাহী:
বাংলাদেশ কিন্ডারগার্টেন সোসাইটি দূর্গাপুর উপজেলা শাখা কর্তৃক মানববন্ধন ও স্মারকলিপি প্রদান কর্মসূচি পালিত ।

আজ ২৪ জুলাই সরকারি ভাবে প্রাথমিক বৃত্তি ২০২৫ ইং পরীক্ষায় বৃত্তির কমিটি সিদ্ধান্ত মোতাবেক কিন্ডার গার্টেনে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণ করতে দেওয়া হবে না। এ বিষয়টি চিঠি আকারে প্রকাশিত হওয়ার পর কোমলমতি শিক্ষার্থীদের মনে বিরূপ প্রতিক্রিয়া পড়ে। ফলশ্রুতিতে দুর্গাপুর উপজেলা অন্তর্গত ১৪ টি কিন্ডারগার্টেন এক জোটে সারা বাংলাদেশের ন্যায় একসাথে বাংলাদেশ কিন্ডারগার্টেন সোসাইটি দুর্গাপুর উপজেলা শাখা কতৃক সকাল ১১ টার সময় মানববন্ধন কর্মসূচি শেষে বেলা ১২টার সময় উপজেলা নির্বাহী অফিসার এবং শিক্ষা অফিসারকে স্মারক লিপি প্রদান করেন।

মানববন্ধন কর্মসূচিতে বিভিন্ন কিন্ডারগার্ডেন স্কুলের শিক্ষকগণ সরকারের বৈষম্যমূলক আচরণের কথা তুলে ধরেন। শিক্ষকরা বলেন সরকারি বৃত্তি ২০২৫ কমিটি যে মনোবাসনা নিয়ে যে সিদ্ধান্ত নিয়েছেন এতে করে দেশে এক অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টি হবে , তারা যে বৈষম্যের স্বপ্ন এঁকেছেন তা কোনদিনই সফল হতে দেয়া যাবে না। এই বৈষম্য কেউ মেনে নেবে না। প্রয়োজনের রক্ত দিয়ে হলেও শিক্ষার্থীদের অধিকার ফিরিয়ে আনতে হবে। সরকারি কমিটির মতে যারা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় পড়াশোনা করে তারা দরিদ্র। এই কথাটি নিতান্তই মিথ্যা কথা কারণ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে সকল শ্রেণীর শিক্ষার্থীরাই পড়াশোনা করে । তাছাড়া সরকার প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে দরিদ্রতা নিরসনের জন্য প্রতিমাসে উপবৃত্তি প্রদান করেন এবং নতুন ভাবে মিড ডে মিল অর্থাৎ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে দুপুরের খাবারের ব্যবস্থা করা হচ্ছে। এইগুলোতে কিন্ডারগার্ডেনের বিন্দুমাত্র হিংসা নেই। তাহলে কেন আজ এই কিন্ডার গার্ডেনের কোমলমতি শিক্ষার্থীদের মনে আঘাত দেয়া হচ্ছে, কেন আজ তারা এই সরকারিভাবে মেধাযাচায়ের পরীক্ষাটি দিতে পারবে না।কেন এই বৈষম্য, তারা কি বাংলাদেশের নাগরিকের না। সরকারের কাছে আকুল আবেদন কতিপয় অসাধু লোকের কথায় আপনি এই বৃহৎ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান কিন্ডারগার্টেন শিক্ষার্থীদের বঞ্চিত করে বৈষম্য সৃষ্টি করবেন না দেশকে অস্থিতিশীল বানাবেন না।

স্মারকলিপি প্রদানের সময় বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীগণ উপজেলা নির্বাহী অফিসারকে জানায় আমরা জন্মসূত্রে বাংলাদেশের নাগরিক দয়া করে আমাদেরকে জীবনের শুরুর লগ্নে একটা বড় মেধা যাচাই মূলক পরীক্ষা না দিতে দিয়ে বৈষম্য সৃষ্টি করবেন না। আমরা আপনাদেরই সন্তান আমরা এদেশেরই নাগরিক সুতরাং এটা আমাদের প্রাপ্ত অধিকার আশা করি এই অধিকার থেকে আমাদেরকে বঞ্চিত করবেন না। এই বৈষম্যের জন্যই কি দেশ স্বাধীন করেছিল ছাত্ররা।

বিক্ষোভ ও মানববন্ধন শেষে দুর্গাপুর উপজেলা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাবরিনা শারমিন ও শিক্ষা অফিসার আসাদুজ্জামানের হাতে স্মারকলিপি প্রদানের মধ্যদিয়ে কর্মসূচি সমাপ্ত হয়।

ট্যাগসঃ

নিউজটি শেয়ার করুন

বিস্তারিত লিখুনঃ

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষণ করুন

আপলোডকারীর তথ্য

দূর্গাপুর কিন্ডারগার্টেন সোসাইটি’র মানববন্ধন ও স্মারকলিপি প্রদান

আপডেট সময়ঃ ০৩:৩৮:০৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ জুলাই ২০২৫

প্রতিবেদক, দুর্গাপুর, রাজশাহী:
বাংলাদেশ কিন্ডারগার্টেন সোসাইটি দূর্গাপুর উপজেলা শাখা কর্তৃক মানববন্ধন ও স্মারকলিপি প্রদান কর্মসূচি পালিত ।

আজ ২৪ জুলাই সরকারি ভাবে প্রাথমিক বৃত্তি ২০২৫ ইং পরীক্ষায় বৃত্তির কমিটি সিদ্ধান্ত মোতাবেক কিন্ডার গার্টেনে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণ করতে দেওয়া হবে না। এ বিষয়টি চিঠি আকারে প্রকাশিত হওয়ার পর কোমলমতি শিক্ষার্থীদের মনে বিরূপ প্রতিক্রিয়া পড়ে। ফলশ্রুতিতে দুর্গাপুর উপজেলা অন্তর্গত ১৪ টি কিন্ডারগার্টেন এক জোটে সারা বাংলাদেশের ন্যায় একসাথে বাংলাদেশ কিন্ডারগার্টেন সোসাইটি দুর্গাপুর উপজেলা শাখা কতৃক সকাল ১১ টার সময় মানববন্ধন কর্মসূচি শেষে বেলা ১২টার সময় উপজেলা নির্বাহী অফিসার এবং শিক্ষা অফিসারকে স্মারক লিপি প্রদান করেন।

মানববন্ধন কর্মসূচিতে বিভিন্ন কিন্ডারগার্ডেন স্কুলের শিক্ষকগণ সরকারের বৈষম্যমূলক আচরণের কথা তুলে ধরেন। শিক্ষকরা বলেন সরকারি বৃত্তি ২০২৫ কমিটি যে মনোবাসনা নিয়ে যে সিদ্ধান্ত নিয়েছেন এতে করে দেশে এক অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টি হবে , তারা যে বৈষম্যের স্বপ্ন এঁকেছেন তা কোনদিনই সফল হতে দেয়া যাবে না। এই বৈষম্য কেউ মেনে নেবে না। প্রয়োজনের রক্ত দিয়ে হলেও শিক্ষার্থীদের অধিকার ফিরিয়ে আনতে হবে। সরকারি কমিটির মতে যারা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় পড়াশোনা করে তারা দরিদ্র। এই কথাটি নিতান্তই মিথ্যা কথা কারণ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে সকল শ্রেণীর শিক্ষার্থীরাই পড়াশোনা করে । তাছাড়া সরকার প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে দরিদ্রতা নিরসনের জন্য প্রতিমাসে উপবৃত্তি প্রদান করেন এবং নতুন ভাবে মিড ডে মিল অর্থাৎ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে দুপুরের খাবারের ব্যবস্থা করা হচ্ছে। এইগুলোতে কিন্ডারগার্ডেনের বিন্দুমাত্র হিংসা নেই। তাহলে কেন আজ এই কিন্ডার গার্ডেনের কোমলমতি শিক্ষার্থীদের মনে আঘাত দেয়া হচ্ছে, কেন আজ তারা এই সরকারিভাবে মেধাযাচায়ের পরীক্ষাটি দিতে পারবে না।কেন এই বৈষম্য, তারা কি বাংলাদেশের নাগরিকের না। সরকারের কাছে আকুল আবেদন কতিপয় অসাধু লোকের কথায় আপনি এই বৃহৎ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান কিন্ডারগার্টেন শিক্ষার্থীদের বঞ্চিত করে বৈষম্য সৃষ্টি করবেন না দেশকে অস্থিতিশীল বানাবেন না।

স্মারকলিপি প্রদানের সময় বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীগণ উপজেলা নির্বাহী অফিসারকে জানায় আমরা জন্মসূত্রে বাংলাদেশের নাগরিক দয়া করে আমাদেরকে জীবনের শুরুর লগ্নে একটা বড় মেধা যাচাই মূলক পরীক্ষা না দিতে দিয়ে বৈষম্য সৃষ্টি করবেন না। আমরা আপনাদেরই সন্তান আমরা এদেশেরই নাগরিক সুতরাং এটা আমাদের প্রাপ্ত অধিকার আশা করি এই অধিকার থেকে আমাদেরকে বঞ্চিত করবেন না। এই বৈষম্যের জন্যই কি দেশ স্বাধীন করেছিল ছাত্ররা।

বিক্ষোভ ও মানববন্ধন শেষে দুর্গাপুর উপজেলা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাবরিনা শারমিন ও শিক্ষা অফিসার আসাদুজ্জামানের হাতে স্মারকলিপি প্রদানের মধ্যদিয়ে কর্মসূচি সমাপ্ত হয়।