০৯:১১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

তানোরে আমনখেতে পচন দিশেহারা কৃষক

আলিফ হোসেন
  • আপডেট সময়ঃ ০৭:৩৯:৩৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • / ১৬ বার পড়া হয়েছে।

তানোর(রাজশাহী)প্রতিনিধিঃ
রাজশাহীর তানোরের বিস্তীর্ণ ফসলের মাঠে আমনখেতে হঠাৎ করে পচন রোগের প্রাদুর্ভাব দেখা দেয়ায় আমন চাষিরা রীতিমতো
দিশেহারা হয়ে পড়েছে।কৃষকদের
অভিযোগ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তার সাক্ষাৎ মেলেনা,ফোন করলেও ধরেন না, আবার উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তাদের (এএও)মাঠে পরামর্শ নেওয়ার জন্য ডেকেও সাড়া পাচ্ছে না।কৃষকেরা বলছে, পচন রোগের হাত থেকে আমনখেত বাঁচাতে কীটনাশক ব্যবসায়ীদের পরামর্শ ও অনুমান নির্ভর হয়ে সকাল বিকেল জমিতে কীটনাশক স্প্রে করেও কোন সুফল পাচ্ছে না।ফলে হঠাৎ করেই পচন রোগে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন প্রান্তিক কৃষকরা।পচন রোগ থেকে আমন ধান বাঁচাতে কৃষি বিভাগের কাছে থেকে কাঙ্ক্ষিত পরামর্শ না পাওয়ায় চরম হতাশ প্রান্তিক কৃষক। সরেজমিনে উপজেলার বিভিন্ন আমনের মাঠ ঘুরে দেখা যায়,পচন রোগ থেকে আমন ধান বাঁচাতে জমিতে কীটনাশক স্প্রে করছেন কৃষক।
স্থানীয় বেশকিছু কৃষকের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, অন্য বছরের তুলনায় এবছর আমন ধান চাষের জন্য কৃষককে তেমন হয়রানির শিকার হতে হয়নি। এবার আমন রোপণে পানির কোনো সমস্যা না হলেও সার সংকট এবং সার, কীটনাশক ও শ্রমিকের মজুরি ছিলো বেশী।তার পরেও ধান চাষ করতে হয়েছে। কিন্তু হঠাৎ করে পচন রোগে নষ্ট হচ্ছে কৃষকের স্বপ্নের সোনালি ফসল আমন ধান। বাজার থেকে বিভিন্ন কোম্পানির কীটনাশক ব্যবহার করেও কাঙ্ক্ষিত ফল পাওয়া যাচ্ছে না। যার জন্য পচন রোগ নিয়ে নতুন করে দুশ্চিন্তায় পড়েছেন উপজেলার কৃষকরা। অথচ উপজেলা কৃষি বিভাগের কর্মকর্তারা রয়েছেন উদাসীন। মাঠে তাদের দেখা মিলছে না।অধিকাংশ সময় অফিসে গিয়েও কোন কর্মকর্তার সু-পরামর্শ পাচ্ছেন না কৃষকেরা। কৃষকরা নিজে নিজে অনুমান নির্ভর হয়ে বাজার থেকে বিভিন্ন কোম্পানির কীটনাশক কিনে জমিতে ব্যবহার করছেন। এতে তেমন ফলপ্রসূ হচ্ছে না বলে একাধিক সুত্র নিশ্চিত করেছে।
উপজেলার কলমা ইউনিয়নের (ইউপি) বলদীপাড়া গ্রামের কৃষক আব্দুল হালিম, সাইফুল জানান, যেভাবে আমন ধানে পচন রোগে আক্রমণ করছে তাতে কৃষকের খরচ উঠবে কি না তা নিয়ে শঙ্কিত আছেন তারা। তারা আরো বলেন, বাজারে যেভাবে কীটনাশক বিক্রি হচ্ছে তাতে কোনটা আসল আর কোনটা নকল কীটনাশক বোঝা বড় দায় হয়ে পড়েছে। দোকানদার যা দিচ্ছে তাই ব্যবহার করছি আমরা।
উপজেলায় চলতি আমন মৌসুমে প্রায় ২১ হাজার ৯৯৫ হেক্টর জমিতে আমন ধান উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। যেটা অর্জনে মাঠ পর্যায়ে কৃষি বিভাগের উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তাগণ কাজ করে যাচ্ছে।
এবিষয়ে তানোর উপজেলা কৃষি অফিসে যোগাযোগ করা হলে কৃষি কর্মকর্তা সাইফুল্লাহ আহমেদ জানান, রোগ দমনে মাঠে বিএস কর্মকর্তারা কাজ করছেন। দ্রুত এ সমস্যা দূর হয়ে যাবে।#

ট্যাগসঃ

নিউজটি শেয়ার করুন

বিস্তারিত লিখুনঃ

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষণ করুন

আপলোডকারীর তথ্য

তানোরে আমনখেতে পচন দিশেহারা কৃষক

আপডেট সময়ঃ ০৭:৩৯:৩৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

তানোর(রাজশাহী)প্রতিনিধিঃ
রাজশাহীর তানোরের বিস্তীর্ণ ফসলের মাঠে আমনখেতে হঠাৎ করে পচন রোগের প্রাদুর্ভাব দেখা দেয়ায় আমন চাষিরা রীতিমতো
দিশেহারা হয়ে পড়েছে।কৃষকদের
অভিযোগ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তার সাক্ষাৎ মেলেনা,ফোন করলেও ধরেন না, আবার উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তাদের (এএও)মাঠে পরামর্শ নেওয়ার জন্য ডেকেও সাড়া পাচ্ছে না।কৃষকেরা বলছে, পচন রোগের হাত থেকে আমনখেত বাঁচাতে কীটনাশক ব্যবসায়ীদের পরামর্শ ও অনুমান নির্ভর হয়ে সকাল বিকেল জমিতে কীটনাশক স্প্রে করেও কোন সুফল পাচ্ছে না।ফলে হঠাৎ করেই পচন রোগে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন প্রান্তিক কৃষকরা।পচন রোগ থেকে আমন ধান বাঁচাতে কৃষি বিভাগের কাছে থেকে কাঙ্ক্ষিত পরামর্শ না পাওয়ায় চরম হতাশ প্রান্তিক কৃষক। সরেজমিনে উপজেলার বিভিন্ন আমনের মাঠ ঘুরে দেখা যায়,পচন রোগ থেকে আমন ধান বাঁচাতে জমিতে কীটনাশক স্প্রে করছেন কৃষক।
স্থানীয় বেশকিছু কৃষকের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, অন্য বছরের তুলনায় এবছর আমন ধান চাষের জন্য কৃষককে তেমন হয়রানির শিকার হতে হয়নি। এবার আমন রোপণে পানির কোনো সমস্যা না হলেও সার সংকট এবং সার, কীটনাশক ও শ্রমিকের মজুরি ছিলো বেশী।তার পরেও ধান চাষ করতে হয়েছে। কিন্তু হঠাৎ করে পচন রোগে নষ্ট হচ্ছে কৃষকের স্বপ্নের সোনালি ফসল আমন ধান। বাজার থেকে বিভিন্ন কোম্পানির কীটনাশক ব্যবহার করেও কাঙ্ক্ষিত ফল পাওয়া যাচ্ছে না। যার জন্য পচন রোগ নিয়ে নতুন করে দুশ্চিন্তায় পড়েছেন উপজেলার কৃষকরা। অথচ উপজেলা কৃষি বিভাগের কর্মকর্তারা রয়েছেন উদাসীন। মাঠে তাদের দেখা মিলছে না।অধিকাংশ সময় অফিসে গিয়েও কোন কর্মকর্তার সু-পরামর্শ পাচ্ছেন না কৃষকেরা। কৃষকরা নিজে নিজে অনুমান নির্ভর হয়ে বাজার থেকে বিভিন্ন কোম্পানির কীটনাশক কিনে জমিতে ব্যবহার করছেন। এতে তেমন ফলপ্রসূ হচ্ছে না বলে একাধিক সুত্র নিশ্চিত করেছে।
উপজেলার কলমা ইউনিয়নের (ইউপি) বলদীপাড়া গ্রামের কৃষক আব্দুল হালিম, সাইফুল জানান, যেভাবে আমন ধানে পচন রোগে আক্রমণ করছে তাতে কৃষকের খরচ উঠবে কি না তা নিয়ে শঙ্কিত আছেন তারা। তারা আরো বলেন, বাজারে যেভাবে কীটনাশক বিক্রি হচ্ছে তাতে কোনটা আসল আর কোনটা নকল কীটনাশক বোঝা বড় দায় হয়ে পড়েছে। দোকানদার যা দিচ্ছে তাই ব্যবহার করছি আমরা।
উপজেলায় চলতি আমন মৌসুমে প্রায় ২১ হাজার ৯৯৫ হেক্টর জমিতে আমন ধান উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। যেটা অর্জনে মাঠ পর্যায়ে কৃষি বিভাগের উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তাগণ কাজ করে যাচ্ছে।
এবিষয়ে তানোর উপজেলা কৃষি অফিসে যোগাযোগ করা হলে কৃষি কর্মকর্তা সাইফুল্লাহ আহমেদ জানান, রোগ দমনে মাঠে বিএস কর্মকর্তারা কাজ করছেন। দ্রুত এ সমস্যা দূর হয়ে যাবে।#