০৩:৪৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

বাগমারায় পরিবর্তনের জোয়ার, দাঁড়িপাল্লায় আস্থা রাখছেন ভোটাররা

বাগমারা (রাজশাহী) প্রতিনিধি
  • আপডেট সময়ঃ ০৬:২৩:৩৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • / ২৬ বার পড়া হয়েছে।

বাগমারা (রাজশাহী) প্রতিনিধি:

রাজশাহী-৪ (বাগমারা) আসনে নির্বাচনী মাঠে দিন দিন পরিবর্তনের বার্তা স্পষ্ট হয়ে উঠছে। ধারাবাহিক গণসংযোগ ও পথসভায় সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে যাচ্ছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলাম মনোনীত এমপি প্রার্থী ডা. আব্দুল বারী। স্থানীয়দের ভাষায়, দাঁড়িপাল্লা প্রতীককে ঘিরে ভোটারদের মধ্যে নতুন প্রত্যাশা ও আস্থার সৃষ্টি হচ্ছে।

শুক্রবার উপজেলার বাসুপাড়া, শুভডাঙ্গা ও গনিপুর ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় গণসংযোগ ও পথসভা করেন ডা. আব্দুল বারী। এ সময় বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে এলাকাগুলোতে প্রাণচাঞ্চল্য লক্ষ্য করা যায়। অনেক ভোটার সরাসরি তাঁর সঙ্গে মতবিনিময় করে নিজেদের প্রত্যাশা ও সমস্যা তুলে ধরেন।

গণসংযোগকালে ডা. আব্দুল বারী বলেন, বাগমারার মানুষ দীর্ঘদিন ধরে উন্নয়ন বঞ্চনা, দুর্নীতি ও অবহেলার শিকার। জনগণের ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠা, সুশাসন নিশ্চিতকরণ এবং বৈষম্যহীন সমাজ গঠনে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের বিজয় সময়ের দাবি হয়ে উঠেছে। তিনি আরও বলেন, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়ন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়নে তিনি অঙ্গীকারবদ্ধ।

পথসভায় অংশ নেওয়া স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, ডা. আব্দুল বারীর সহজ-সরল আচরণ, সততা ও জনগণের সঙ্গে সরাসরি সম্পৃক্ততা তাদের মধ্যে আস্থা তৈরি করেছে। অনেকেই মনে করছেন, তাঁর নেতৃত্বে বাগমারার রাজনীতিতে ইতিবাচক পরিবর্তনের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।

জামায়াতে ইসলামী ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা জানান, দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের পক্ষে উপজেলার প্রত্যন্ত অঞ্চল পর্যন্ত গণসংযোগ জোরদার করা হয়েছে। উঠান বৈঠক, পথসভা ও সরাসরি ভোটার সংযোগের মাধ্যমে প্রতিদিনই জনসমর্থন বাড়ছে বলে তারা দাবি করেন।
নির্বাচনে বাগমারার ভাসমান ভোটাররা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। নিয়মিত গণসংযোগ, জনসম্পৃক্ততা এবং তুলনামূলক পরিষ্কার ভাবমূর্তির কারণে ডা. আব্দুল বারীর জনপ্রিয়তা দ্রুত বাড়ছে।

নির্বাচনের দিন যত ঘনিয়ে আসছে, ততই বাগমারার ভোটের মাঠে উত্তাপ বাড়ছে। আর সেই উত্তাপের কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে আসছে দাঁড়িপাল্লা প্রতীক, যা নিয়ে সাধারণ ভোটারদের মধ্যে বাড়ছে আলোচনা ও আগ্রহ।

ট্যাগসঃ

নিউজটি শেয়ার করুন

বিস্তারিত লিখুনঃ

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষণ করুন

আপলোডকারীর তথ্য

বাগমারায় পরিবর্তনের জোয়ার, দাঁড়িপাল্লায় আস্থা রাখছেন ভোটাররা

আপডেট সময়ঃ ০৬:২৩:৩৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

বাগমারা (রাজশাহী) প্রতিনিধি:

রাজশাহী-৪ (বাগমারা) আসনে নির্বাচনী মাঠে দিন দিন পরিবর্তনের বার্তা স্পষ্ট হয়ে উঠছে। ধারাবাহিক গণসংযোগ ও পথসভায় সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে যাচ্ছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলাম মনোনীত এমপি প্রার্থী ডা. আব্দুল বারী। স্থানীয়দের ভাষায়, দাঁড়িপাল্লা প্রতীককে ঘিরে ভোটারদের মধ্যে নতুন প্রত্যাশা ও আস্থার সৃষ্টি হচ্ছে।

শুক্রবার উপজেলার বাসুপাড়া, শুভডাঙ্গা ও গনিপুর ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় গণসংযোগ ও পথসভা করেন ডা. আব্দুল বারী। এ সময় বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে এলাকাগুলোতে প্রাণচাঞ্চল্য লক্ষ্য করা যায়। অনেক ভোটার সরাসরি তাঁর সঙ্গে মতবিনিময় করে নিজেদের প্রত্যাশা ও সমস্যা তুলে ধরেন।

গণসংযোগকালে ডা. আব্দুল বারী বলেন, বাগমারার মানুষ দীর্ঘদিন ধরে উন্নয়ন বঞ্চনা, দুর্নীতি ও অবহেলার শিকার। জনগণের ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠা, সুশাসন নিশ্চিতকরণ এবং বৈষম্যহীন সমাজ গঠনে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের বিজয় সময়ের দাবি হয়ে উঠেছে। তিনি আরও বলেন, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়ন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়নে তিনি অঙ্গীকারবদ্ধ।

পথসভায় অংশ নেওয়া স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, ডা. আব্দুল বারীর সহজ-সরল আচরণ, সততা ও জনগণের সঙ্গে সরাসরি সম্পৃক্ততা তাদের মধ্যে আস্থা তৈরি করেছে। অনেকেই মনে করছেন, তাঁর নেতৃত্বে বাগমারার রাজনীতিতে ইতিবাচক পরিবর্তনের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।

জামায়াতে ইসলামী ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা জানান, দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের পক্ষে উপজেলার প্রত্যন্ত অঞ্চল পর্যন্ত গণসংযোগ জোরদার করা হয়েছে। উঠান বৈঠক, পথসভা ও সরাসরি ভোটার সংযোগের মাধ্যমে প্রতিদিনই জনসমর্থন বাড়ছে বলে তারা দাবি করেন।
নির্বাচনে বাগমারার ভাসমান ভোটাররা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। নিয়মিত গণসংযোগ, জনসম্পৃক্ততা এবং তুলনামূলক পরিষ্কার ভাবমূর্তির কারণে ডা. আব্দুল বারীর জনপ্রিয়তা দ্রুত বাড়ছে।

নির্বাচনের দিন যত ঘনিয়ে আসছে, ততই বাগমারার ভোটের মাঠে উত্তাপ বাড়ছে। আর সেই উত্তাপের কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে আসছে দাঁড়িপাল্লা প্রতীক, যা নিয়ে সাধারণ ভোটারদের মধ্যে বাড়ছে আলোচনা ও আগ্রহ।