বাগমারায় নির্বাচনী সহিংসতা, বিএনপি কর্মী গ্রেপ্তার
- আপডেট সময়ঃ ১২:৪৯:০৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
- / ৩১ বার পড়া হয়েছে।

বাগমারা (রাজশাহী) প্রতিনিধি :
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে রাজশাহীর বাগমারা উপজেলায় রাজনৈতিক উত্তেজনার মধ্যে জামায়াতের এক কর্মী ও তার ভাতিজার ওপর হামলার অভিযোগ উঠেছে। বিএনপির কর্মী–সমর্থকরা দেশীয় অস্ত্র নিয়ে দোকানে ঢুকে এ হামলা চালিয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগীরা।
ঘটনায় গুরুতর আহত অবস্থায় দুইজনকে বাগমারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।
ভুক্তভোগী মোজাম্মেল হক (৪০) বাগমারা থানায় দায়ের করা লিখিত অভিযোগে জানান, গত ৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ রাত আনুমানিক সাড়ে ৯টার দিকে বাগমারা থানাধীন গোয়ালকান্দি ইউনিয়নের বাকবাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। তিনি বিএনপির কর্মী শান্ত ও আব্দুল হামিদের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত আরও কয়েকজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেন।
অভিযোগে বলা হয়, ঘটনার সময় মোজাম্মেল হকের ভাতিজা বল্টু (২৬) দোকানে অবস্থান করছিলেন। এ সময় নির্বাচনী কার্যক্রম ও রাজনৈতিক পরিচয়কে কেন্দ্র করে বিএনপির কয়েকজন কর্মী দলবদ্ধভাবে দোকানে প্রবেশ করে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ শুরু করে। একপর্যায়ে কাঠের বাটাম ও বাঁশের লাঠি দিয়ে বল্টুকে এলোপাতাড়ি মারধর করা হয়।
ভাতিজাকে রক্ষা করতে এগিয়ে গেলে হামলাকারীরা মোজাম্মেল হককেও মারধর করে। অভিযোগে আরও উল্লেখ করা হয়, হামলাকারীরা হত্যার উদ্দেশ্যে বল্টুর বুকে উঠে ধারালো অস্ত্র ও লাঠি দিয়ে আঘাত করে। এতে তার মুখ দিয়ে রক্তক্ষরণ হয় এবং বুকে গুরুতর জখম হয়।
এ সময় আশপাশের লোকজন এগিয়ে এলে অভিযুক্তরা ভুক্তভোগীদের হত্যার হুমকি দিয়ে ঘটনাস্থল ত্যাগ করে। হামলার একপর্যায়ে মোজাম্মেল হকের জ্যাকেটের পকেট থেকে নগদ ৭৫০ টাকা ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগও করা হয়েছে।
পরে স্থানীয়দের সহায়তায় আহত দু’জনকে উদ্ধার করে বাগমারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসক সূত্রে জানা গেছে, মোজাম্মেল হকের অবস্থা আশঙ্কামুক্ত হলেও বল্টুর অবস্থা গুরুতর এবং তিনি বর্তমানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
এ ঘটনায় জামায়াতের স্থানীয় নেতাকর্মীরা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, নির্বাচনের মাঠে পরিকল্পিতভাবে প্রতিপক্ষকে দমন করতেই এ ধরনের হামলা চালানো হচ্ছে। তারা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবি জানান।
এ বিষয়ে বাগমারা থানার ওসি সাইদুল আলম বলেন, মারামারির ঘটনায় থানায় একটি মামলা হয়েছে। ওই মামলায় ঘটনা সাথে জড়িত শান্ত নামের একজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। অন্যদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।


















