০৪:৩২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

বাগমারায় গর্জে উঠেছে ভোটাররা

বাগমারা (রাজশাহী) প্রতিনিধি :
  • আপডেট সময়ঃ ০২:২৭:৫৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • / ১৯ বার পড়া হয়েছে।

বাগমারা (রাজশাহী) প্রতিনিধি :

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে রাজশাহী-৪ (বাগমারা) আসনে নির্বাচনী মাঠে ক্রমেই উত্তাপ বাড়ছে। উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন ও পৌরসভায় গণসংযোগ, পথসভা ও উঠান বৈঠকে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের পক্ষে ব্যাপক জনসমর্থন লক্ষ্য করা যাচ্ছে। পরিবর্তনের প্রত্যাশায় সাধারণ ভোটাররা প্রকাশ্যে নিজেদের অবস্থান জানাচ্ছেন।

স্থানীয় ভোটারদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, এবারের নির্বাচনে ভাসমান ভোটাররাই জয়-পরাজয়ের ফয়সালা করতে পারেন। দলীয় পরিচয়ের পাশাপাশি প্রার্থীর ব্যক্তিগত আচরণ, দীর্ঘদিনের সামাজিক সম্পৃক্ততা এবং মানুষের পাশে থাকার ইতিহাস ভোটের সিদ্ধান্তে বড় ভূমিকা রাখছে বলে মনে করছেন তারা। ফলে এবারের নির্বাচনে ব্যক্তি ইমেজ ও জনসম্পৃক্ততা বিশেষ গুরুত্ব পাচ্ছে।

নির্বাচন কমিশনের তথ্যমতে, রাজশাহী-৪ (বাগমারা) আসনের আয়তন ৩৬৬ বর্গ কিলোমিটার। ১৬টি ইউনিয়ন ও ২টি পৌরসভা নিয়ে গঠিত এ আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ৩ লাখ ১৯ হাজার ৯০৯ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ১ লাখ ৬০ হাজার ৭২০ জন, নারী ভোটার ১ লাখ ৫৯ হাজার ১৮৫ জন এবং তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার রয়েছেন ৪ জন।

বিপুলসংখ্যক ভোটার ও বিস্তৃত ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে এ আসনকে রাজনৈতিকভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।
এ আসনে এবার চারজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তারা হলেন—ধানের শীষ প্রতীকে ডিএম জিয়াউর রহমান জিয়া, দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ডা. আব্দুল বারী সরদার, নাঙ্গল প্রতীকে ফজলুল হক এবং হাতপাখা প্রতীকে তাজুল ইসলাম।

এদিকে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী ডা. আব্দুল বারী সরদারের ব্যক্তিগত ইমেজ ও দীর্ঘদিনের মানবসেবামূলক কর্মকাণ্ড ভোটারদের মধ্যে ইতিবাচক সাড়া ফেলেছে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দল-মত নির্বিশেষে তিনি দীর্ঘদিন ধরে সাধারণ মানুষের চিকিৎসাসেবা, দুঃস্থ ও অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানো এবং সামাজিক উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডে যুক্ত রয়েছেন। বিশেষ করে গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর মাঝে বিনামূল্যে বা স্বল্প খরচে চিকিৎসা প্রদান, দুর্যোগ ও সংকটকালে মানুষের পাশে দাঁড়ানো তাকে সাধারণ মানুষের কাছে আস্থার প্রতীক হিসেবে গড়ে তুলেছে।

ভোটারদের একাংশের মতে, একজন সৎ, মানবিক ও দায়িত্বশীল চিকিৎসক হিসেবেই তারা ডা. আব্দুল বারী সরদারকে চেনেন। রাজনীতির বাইরে থেকেও মানুষের সেবায় তার ধারাবাহিক উপস্থিতি এবং সামাজিক দায়বদ্ধতা তাকে অন্যান্য প্রার্থীদের তুলনায় আলাদা করেছে। সচেতন মহলের ধারণা, ব্যক্তিগত গ্রহণযোগ্যতা ও দীর্ঘদিনের জনসেবার অভিজ্ঞতা এবারের নির্বাচনে দাঁড়িপাল্লার পক্ষে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

সার্বিকভাবে শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোট অনুষ্ঠিত হলে বাগমারায় এবারের নির্বাচন হবে প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ ও তাৎপর্যপূর্ণ।

ট্যাগসঃ

নিউজটি শেয়ার করুন

বিস্তারিত লিখুনঃ

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষণ করুন

আপলোডকারীর তথ্য

বাগমারায় গর্জে উঠেছে ভোটাররা

আপডেট সময়ঃ ০২:২৭:৫৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

বাগমারা (রাজশাহী) প্রতিনিধি :

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে রাজশাহী-৪ (বাগমারা) আসনে নির্বাচনী মাঠে ক্রমেই উত্তাপ বাড়ছে। উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন ও পৌরসভায় গণসংযোগ, পথসভা ও উঠান বৈঠকে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের পক্ষে ব্যাপক জনসমর্থন লক্ষ্য করা যাচ্ছে। পরিবর্তনের প্রত্যাশায় সাধারণ ভোটাররা প্রকাশ্যে নিজেদের অবস্থান জানাচ্ছেন।

স্থানীয় ভোটারদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, এবারের নির্বাচনে ভাসমান ভোটাররাই জয়-পরাজয়ের ফয়সালা করতে পারেন। দলীয় পরিচয়ের পাশাপাশি প্রার্থীর ব্যক্তিগত আচরণ, দীর্ঘদিনের সামাজিক সম্পৃক্ততা এবং মানুষের পাশে থাকার ইতিহাস ভোটের সিদ্ধান্তে বড় ভূমিকা রাখছে বলে মনে করছেন তারা। ফলে এবারের নির্বাচনে ব্যক্তি ইমেজ ও জনসম্পৃক্ততা বিশেষ গুরুত্ব পাচ্ছে।

নির্বাচন কমিশনের তথ্যমতে, রাজশাহী-৪ (বাগমারা) আসনের আয়তন ৩৬৬ বর্গ কিলোমিটার। ১৬টি ইউনিয়ন ও ২টি পৌরসভা নিয়ে গঠিত এ আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ৩ লাখ ১৯ হাজার ৯০৯ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ১ লাখ ৬০ হাজার ৭২০ জন, নারী ভোটার ১ লাখ ৫৯ হাজার ১৮৫ জন এবং তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার রয়েছেন ৪ জন।

বিপুলসংখ্যক ভোটার ও বিস্তৃত ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে এ আসনকে রাজনৈতিকভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।
এ আসনে এবার চারজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তারা হলেন—ধানের শীষ প্রতীকে ডিএম জিয়াউর রহমান জিয়া, দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ডা. আব্দুল বারী সরদার, নাঙ্গল প্রতীকে ফজলুল হক এবং হাতপাখা প্রতীকে তাজুল ইসলাম।

এদিকে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী ডা. আব্দুল বারী সরদারের ব্যক্তিগত ইমেজ ও দীর্ঘদিনের মানবসেবামূলক কর্মকাণ্ড ভোটারদের মধ্যে ইতিবাচক সাড়া ফেলেছে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দল-মত নির্বিশেষে তিনি দীর্ঘদিন ধরে সাধারণ মানুষের চিকিৎসাসেবা, দুঃস্থ ও অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানো এবং সামাজিক উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডে যুক্ত রয়েছেন। বিশেষ করে গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর মাঝে বিনামূল্যে বা স্বল্প খরচে চিকিৎসা প্রদান, দুর্যোগ ও সংকটকালে মানুষের পাশে দাঁড়ানো তাকে সাধারণ মানুষের কাছে আস্থার প্রতীক হিসেবে গড়ে তুলেছে।

ভোটারদের একাংশের মতে, একজন সৎ, মানবিক ও দায়িত্বশীল চিকিৎসক হিসেবেই তারা ডা. আব্দুল বারী সরদারকে চেনেন। রাজনীতির বাইরে থেকেও মানুষের সেবায় তার ধারাবাহিক উপস্থিতি এবং সামাজিক দায়বদ্ধতা তাকে অন্যান্য প্রার্থীদের তুলনায় আলাদা করেছে। সচেতন মহলের ধারণা, ব্যক্তিগত গ্রহণযোগ্যতা ও দীর্ঘদিনের জনসেবার অভিজ্ঞতা এবারের নির্বাচনে দাঁড়িপাল্লার পক্ষে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

সার্বিকভাবে শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোট অনুষ্ঠিত হলে বাগমারায় এবারের নির্বাচন হবে প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ ও তাৎপর্যপূর্ণ।