০৬:১৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

দুর্গাপুরে বেগম রোকেয়া দিবস উদযাপনে ‘অদম্য নারীদের’ সম্মাননা প্রদান

রিপোর্টার নামঃ
  • আপডেট সময়ঃ ০৫:৫৪:৫১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৯ ডিসেম্বর ২০২৫
  • / ১৫৭ বার পড়া হয়েছে।

ডিপিডি প্রতিবেদক:

রাজশাহীর দুর্গাপুরে নারী ও কন্যার প্রতি সহিংসতা বন্ধ এবং ডিজিটাল নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণের অঙ্গীকারকে সামনে রেখে উৎসবমুখর পরিবেশে পালিত হলো আন্তর্জাতিক নারী নির্যাতন প্রতিরোধ পক্ষ ও বেগম রোকেয়া দিবস-২০২৫। মঙ্গলবার (৯ ডিসেম্বর) সকাল ১০টায় উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা মহিলা বিষয়ক কার্যালয়ের আয়োজনে অনুষ্ঠিত হয় ‘অদম্য নারীদের সম্মাননা প্রদান অনুষ্ঠান’। নারীর অধিকার, নিরাপত্তা ও ক্ষমতায়নের বার্তা নিয়ে দিনব্যাপী এ আয়োজন মিলনায়তনে ছড়িয়ে দেয় আলোর আবহ।

সম্মাননা স্মারক প্রদানের পূর্বে উপজেলা পরিষদ চত্বর থেকে বর্ণাঢ্য এক র‌্যালি বের করা হয়। নারীর ক্ষমতায়ন, অধিকার ও নিরাপত্তার প্রতীকী বার্তা ধারণ করে র‌্যালিটি উপজেলা শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে মিলনায়তনে এসে শেষ হয়। এতে স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থী, নারী উদ্যোক্তা, সরকারি কর্মকর্তা ও বিভিন্ন সংগঠনের সদস্যরা অংশ নিয়ে দিবসটিকে আরও প্রাণবন্ত করে তুলেন।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাশতুরা আমিনা। উপজেলা প্রশাসন, বিভিন্ন সরকারি দপ্তর, নারী উদ্যোক্তা এবং স্থানীয় গণ্যমান্যদের উপস্থিতিতে অনুষ্ঠানটি রূপ নেয় এক মিলনমেলায়। নারী-অর্থনৈতিক স্বাবলম্বন এবং সমাজে ইতিবাচক অবদান রাখায় পাঁচটি ক্যাটাগরিতে নির্বাচিত উদ্যোক্তাদের হাতে তুলে দেওয়া হয় সম্মাননা স্মারক—যা তাদের ভবিষ্যতের পথচলায় নতুন অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা প্রকৌশলী মাসুক ই মোহাম্মদ, মেডিকেল অফিসার ডা. রুহুল আমিন, কৃষি কর্মকর্তা সাহানা পারভীন লাবনী, মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা শারমিন শাপলা, সমাজসেবা কর্মকর্তা আ.ন.ম রাকিবুল ইউসুফ ও মৎস্য কর্মকর্তা বাবুল হোসেনসহ বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তারা।

বক্তারা বলেন, বেগম রোকেয়ার আদর্শ নারীর মুক্তি, শিক্ষা, নিরাপত্তা ও সাম্যের প্রতীক। তাঁর প্রদর্শিত পথ আজও নারীর অগ্রযাত্রার প্রেরণাসূত্র। ডিজিটাল যুগে নারী ও কন্যার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সমাজের প্রতিটি স্তরে সচেতনতা ও ঐক্যবদ্ধ ভূমিকার ওপর জোর দেন তারা।

নারীর ক্ষমতায়নকে স্থানীয় পর্যায়ে আরও বেগবান করতে এ ধরনের আয়োজন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে—এমন প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন বক্তারা। সম্মানিত নারীদের অর্জন শুধু স্বীকৃতিই নয়, বরং আগামী দিনের আরও বড় স্বপ্ন দেখার সাহসও জুগিয়ে গেল এই অনুষ্ঠান।

ট্যাগসঃ

নিউজটি শেয়ার করুন

বিস্তারিত লিখুনঃ

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষণ করুন

আপলোডকারীর তথ্য

দুর্গাপুরে বেগম রোকেয়া দিবস উদযাপনে ‘অদম্য নারীদের’ সম্মাননা প্রদান

আপডেট সময়ঃ ০৫:৫৪:৫১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৯ ডিসেম্বর ২০২৫

ডিপিডি প্রতিবেদক:

রাজশাহীর দুর্গাপুরে নারী ও কন্যার প্রতি সহিংসতা বন্ধ এবং ডিজিটাল নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণের অঙ্গীকারকে সামনে রেখে উৎসবমুখর পরিবেশে পালিত হলো আন্তর্জাতিক নারী নির্যাতন প্রতিরোধ পক্ষ ও বেগম রোকেয়া দিবস-২০২৫। মঙ্গলবার (৯ ডিসেম্বর) সকাল ১০টায় উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা মহিলা বিষয়ক কার্যালয়ের আয়োজনে অনুষ্ঠিত হয় ‘অদম্য নারীদের সম্মাননা প্রদান অনুষ্ঠান’। নারীর অধিকার, নিরাপত্তা ও ক্ষমতায়নের বার্তা নিয়ে দিনব্যাপী এ আয়োজন মিলনায়তনে ছড়িয়ে দেয় আলোর আবহ।

সম্মাননা স্মারক প্রদানের পূর্বে উপজেলা পরিষদ চত্বর থেকে বর্ণাঢ্য এক র‌্যালি বের করা হয়। নারীর ক্ষমতায়ন, অধিকার ও নিরাপত্তার প্রতীকী বার্তা ধারণ করে র‌্যালিটি উপজেলা শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে মিলনায়তনে এসে শেষ হয়। এতে স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থী, নারী উদ্যোক্তা, সরকারি কর্মকর্তা ও বিভিন্ন সংগঠনের সদস্যরা অংশ নিয়ে দিবসটিকে আরও প্রাণবন্ত করে তুলেন।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাশতুরা আমিনা। উপজেলা প্রশাসন, বিভিন্ন সরকারি দপ্তর, নারী উদ্যোক্তা এবং স্থানীয় গণ্যমান্যদের উপস্থিতিতে অনুষ্ঠানটি রূপ নেয় এক মিলনমেলায়। নারী-অর্থনৈতিক স্বাবলম্বন এবং সমাজে ইতিবাচক অবদান রাখায় পাঁচটি ক্যাটাগরিতে নির্বাচিত উদ্যোক্তাদের হাতে তুলে দেওয়া হয় সম্মাননা স্মারক—যা তাদের ভবিষ্যতের পথচলায় নতুন অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা প্রকৌশলী মাসুক ই মোহাম্মদ, মেডিকেল অফিসার ডা. রুহুল আমিন, কৃষি কর্মকর্তা সাহানা পারভীন লাবনী, মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা শারমিন শাপলা, সমাজসেবা কর্মকর্তা আ.ন.ম রাকিবুল ইউসুফ ও মৎস্য কর্মকর্তা বাবুল হোসেনসহ বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তারা।

বক্তারা বলেন, বেগম রোকেয়ার আদর্শ নারীর মুক্তি, শিক্ষা, নিরাপত্তা ও সাম্যের প্রতীক। তাঁর প্রদর্শিত পথ আজও নারীর অগ্রযাত্রার প্রেরণাসূত্র। ডিজিটাল যুগে নারী ও কন্যার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সমাজের প্রতিটি স্তরে সচেতনতা ও ঐক্যবদ্ধ ভূমিকার ওপর জোর দেন তারা।

নারীর ক্ষমতায়নকে স্থানীয় পর্যায়ে আরও বেগবান করতে এ ধরনের আয়োজন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে—এমন প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন বক্তারা। সম্মানিত নারীদের অর্জন শুধু স্বীকৃতিই নয়, বরং আগামী দিনের আরও বড় স্বপ্ন দেখার সাহসও জুগিয়ে গেল এই অনুষ্ঠান।