০৩:৩৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ মার্চ ২০২৬
সংবাদ শিরোনামঃ
গোদাগাড়ীতে প্রশাসনের ঝটিকা অভিযানে ৪টি এস্কেভেটর অকেজো
আলিফ হোসেন,তানোর
- আপডেট সময়ঃ ০৮:৫৩:২২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২ মার্চ ২০২৬
- / ৪৮ বার পড়া হয়েছে।

আলিফ হোসেন,তানোরঃ
রাজশাহীর তানোরের সীমান্তবর্তী গোদাগাড়ীতে অবৈধভাবে ফসলি জমির উপরিভাগের উর্বরা মাটি (টপসয়েল) কাটা প্রতিরোধে ঝটিকা অভিযান পরিচালনা করেছেন গোদাগাড়ী উপজেলা প্রশাসন।
জানা গেছে,গত রোববার (১ মার্চ) দিন ও রাতে উপজেলার বিভিন্ন স্থানের মাটি কাটা পয়েন্টে এই অভিযান পরিচালনা করেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট শামসুল ইসলাম।
অভিযান চলাকালে রাজাবাড়ি হাট, গোদাগাড়ীর সীমান্তবর্তী ঝিলিম বাজারসহ বিভিন্ন স্থানে মাটি কাটা পয়েন্টে হানা দেয় ভ্রাম্যমাণ আদালত। এ সময় মাটি কাটায় ব্যবহৃত ৪টি এস্কেভেটর (ভেকু মেশিন) অকেজো করে দেওয়া হয়। তবে প্রশাসনের উপস্থিতি টের পেয়ে অসাধু মাটি ব্যবসায়ীরা ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যাওয়ায় কাউকে আটক করা সম্ভব না হলেও সরঞ্জামগুলো বিকল করে মাটি কাটা বন্ধ করে দেওয়া হয়।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গোদাগাড়ীর বিভিন্ন এলাকায় একটি প্রভাবশালী চক্র রাতের আঁধারে এবং কোথাও কোথাও দিনের আলোতে ফসলি জমির উপরিভাগের উর্বরা মাটি (টপসয়েল)
কেটে ইট ভাটাসহ বিভিন্ন স্থানে বিক্রি করছে। এতে জমির উর্বরতা শক্তি নষ্ট হওয়ার পাশাপাশি পরিবেশ বিপর্যয়ের আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
অভিযান প্রসঙ্গে সহকারী কমিশনার (ভূমি) শামসুল ইসলাম বলেন, গোদাগাড়ীতে কৃষি জমির মাটি কেটে বিক্রি করা বর্তমানে একটি অন্যতম প্রধান সমস্যা। আমরা এটি প্রতিরোধে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছি। অপরাধীরা বিভিন্ন কৌশলে জমির টপসয়েল নষ্ট করছে, যা দীর্ঘমেয়াদে কৃষির জন্য হুমকি স্বরূপ। তিনি বলেন, ইতিমধ্যে আমরা বেশ কিছু এস্কেভেটর অকেজো করার পাশাপাশি অনেককে জেল ও জরিমানা করেছি। জনস্বার্থে ও ফসলি জমি রক্ষায় আমাদের এই অভিযান অব্যাহত থাকবে। তিনি ফসলি জমি রক্ষায় সকলের সহযোগিতা প্রত্যাশা করেছেন।
এদিকে উপজেলা প্রশাসনের এমন তৎপরতাকে সাধুবাদ জানিয়েছেন সাধারণ কৃষক ও সচেতন মহল। তারা আশা করছেন, নিয়মিত তদারকি ও কঠোর শাস্তির ব্যবস্থা থাকলে এ ধরনের পরিবেশ বিধ্বংসী কর্মকাণ্ড বন্ধ হবে।#
ট্যাগসঃ












